kalerkantho

ব্যক্তিত্ব

৬ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



ব্যক্তিত্ব

গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস

বিশ্বসাহিত্যে প্রভাব বিস্তারকারী সাহিত্যিক মার্কেসের স্পেনীয় ভাষায় পূর্ণ নাম গ্যাব্রিয়েল খোসে দে লা কোঙ্কোর্দিয়া গার্সিয়া মার্কেস। তিনি গাবো নামেও পরিচিত ছিলেন।

কলম্বিয়ান এই সাহিত্যিক একাধারে সাংবাদিক, প্রকাশক ও রাজনীতিবিদ। ১৯৮২ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। ‘নিঃসঙ্গতার শতবর্ষ’ উপন্যাসটির জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত। মার্কেস ১৯২৭ সালের ৬ মার্চ কলম্বিয়ার ক্যারিবীয় উপকূলের কাছে আরাকাটাকা শহরে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪০ সালে তিনি উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়তে বারানকুইল্লা যান। ১৯৪৭ সালে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে আইন বিষয়ে পড়তে শুরু করেন। ১৯৫০ সালে আইন পড়া বন্ধ করে ‘এল এস্পেক্তাদোর’ সংবাদপত্রে সাংবাদিকতা শুরু করেন। এ সময় তাঁর প্রথম ছোটগল্প প্রকাশিত হয়। আঞ্চলিক সংবাদপত্রে কাজ শুরু করলেও সাংবাদিকতাই তাঁর লেখকজীবনের অনুপ্রেরণা জোগায়। তাঁর প্রথম বড় কাজ ‘দ্য স্টোরি অব এ শিপরেক্ড সেইলর’, যা ১৯৫৫ সালে পত্রিকায় ধারাবাহিক হিসেবে রচনা করেন। ১৯৫৯ সালে বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রো কিউবার ক্ষমতায় আসার পর তাঁর আমন্ত্রণে তিনি কিউবা যান। ১৯৬৭ সালে ‘হান্ড্রেড ইয়ারস অব সলিটিউড’ (নিঃসঙ্গতার শতবর্ষ) প্রকাশিত হয়। তাঁর আরো কয়েকটি বিখ্যাত লেখা—নো ওয়ান রাইটস টু দ্য কর্নেল, লাভ ইন দ্য টাইম অব কলেরা, অটাম অব দ্য প্যাট্রিয়ার্ক ইত্যাদি। ১৯৮১ সালে তিনি সামরিক বাহিনীর হাতে নিগ্রহের আশঙ্কায় দেশ ত্যাগ করেন। এর পরের বছর নোবেল পান। জীবনের শেষ দুই যুগ তিনি ক্যান্সারের সঙ্গে যুদ্ধ করে বেঁচে ছিলেন। ২০০২ সালে আত্মজীবনীর প্রথম খণ্ড ‘লিভিং টু টেল আ টেইল’ প্রকাশের পর আর দ্বিতীয় ও তৃতীয় খণ্ড রচনা করতে পারেননি। বিশ্বসাহিত্যে একই সঙ্গে জনপ্রিয় ও মহৎ লেখক হিসেবে চার্লস ডিকেন্স, লেভ তলস্তয় ও আর্নেস্ট হেমিংওয়ের সঙ্গে তাঁর নাম এক কাতারে উচ্চারিত হয়। ২০১৪ সালের ১৭ এপ্রিল তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

[উইকিপিডিয়া অবলম্বনে]


মন্তব্য