kalerkantho

ভালো থাকুন

২ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



কোয়াশিয়রকর

কোয়াশিয়রকর শিশুদের অপুষ্টিজনিত একটি রোগ। খাবারে আমিষের অভাবে শিশুদের এ রোগ হয়।

এক থেকে চার বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে এ রোগ বেশি দেখা যায়। এ রোগে আক্রান্ত শিশুদের ওজন কমে যায়। শারীরিক বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশ ব্যাহত হয়। পায়ে পানি জমে। মারাত্মক ক্ষেত্রে শরীরের অন্যান্য অংশেও বিশেষ করে চোখের পাতা ও পেটে পানি জমে। সে কারণে একে গা ফোলা রোগও বলা হয়। পানিতে গা ফুলে যাওয়ার কারণে দেহের শীর্ণকায় অবস্থাটি ভালোভাবে বোঝা যায় না। শুধু বুক ও বাহু শীর্ণকায় দেখায়। চুল পাতলা ও সরু হয়, রং পরিবর্তন হয়ে বাদামি বা ধূসর হয়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে যকৃৎ বড় হয়ে যায়। ত্বক ফেটে ক্ষতের সৃষ্টি হতে পারে। ক্ষুধামান্দ্য, রক্তস্বল্পতা, ঠোঁট ও জিহ্বায় ঘা প্রভৃতি উপসর্গও দেখা যায়। শিশু কোনো ব্যাপারেই উৎসাহ বোধ করে না। জন্মের পর শিশুদের তিন বছর বয়স পর্যন্ত নিয়মিত ওজন মাপা দরকার। এতে প্রাথমিক পর্যায়ে এ রোগ শনাক্ত করা যায়। এ রোগে আক্রান্ত হলে শিশুকে প্রয়োজনীয় বাড়তি খাবারের মাধ্যমে আমিষের ঘাটতি পূরণ করতে হবে।

ডা. মুনতাসীর মারুফ


মন্তব্য