kalerkantho

ভালো থাকুন

১ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



ভালো থাকুন

মশাবাহিত রোগ ম্যালেরিয়া

ম্যালেরিয়ার জন্য দায়ী এককোষী জীবাণু মানুষের দেহে ছড়ায় স্ত্রী মশার মাধ্যমে। ম্যালেরিয়াপ্রবণ এলাকার অধিবাসী ও সেসব এলাকায় ভ্রমণকারীদের রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।

ম্যালেরিয়া-আক্রান্ত ব্যক্তির প্রধান উপসর্গ হচ্ছে জ্বর। কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসতে পারে, সঙ্গে ঠাণ্ডা বা শীত অনুভূত হতে পারে, জ্বর ছাড়ার সময় ঘাম হতে পারে। জ্বরের সঙ্গে মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা, দুর্বলতা, ক্লান্তি বা অবসাদ থাকে। এ ছাড়া রক্তস্বল্পতা, বমি, বমি বমি ভাব, কাশি ও পাতলা পায়খানা হতে পারে। ম্যালেরিয়া-আক্রান্তের যকৃত ও প্লীহা বড় হয়ে যেতে পারে, জন্ডিস দেখা দিতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না করালে ম্যালেরিয়াজনিত বিভিন্ন জটিলতা দেখা দেয়। অত্যধিক রক্তস্বল্পতার কারণে হার্ট ফেইলিওর হতে পারে। রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হতে পারে। কিডনি ও লিভার অকার্যকর হয়ে যেতে পারে। ম্যালেরিয়ার একটি মারাত্মক জটিলতা হচ্ছে ‘সেরিব্রাল ম্যালেরিয়া’ বা মস্তিষ্কের ম্যালেরিয়া, যাতে রোগী তীব্র জ্বরসহ অজ্ঞান হয়ে যায়, রোগীর খিঁচুনি হতে পারে। সেরিব্রাল ম্যালেরিয়ার কারণে রোগীর মৃত্যুও ঘটতে পারে। গর্ভাবস্থায় ম্যালেরিয়া হলে গর্ভপাত, কম ওজনের শিশু বা মৃত শিশু প্রসব হতে পারে, এমনকি প্রসূতিরও মৃত্যু ঘটতে পারে।

ডা. মুনতাসীর মারুফ


মন্তব্য