kalerkantho


আগামী নির্বাচনে ক্ষমতার লড়াই না গণতন্ত্রের পরীক্ষা?

কাজী সিরাজ

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



আগামী নির্বাচনে ক্ষমতার লড়াই না গণতন্ত্রের পরীক্ষা?

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য হওয়া খুবই জরুরি। আমাদের দেশের নির্বাচনব্যবস্থা নিয়ে নানা বিতর্ক আছে।

এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ১০টি নির্বাচনের মধ্যে অর্ধেক অর্থাৎ পাঁচটি নির্বাচন নিয়েই বিতর্ক আছে, কঠোর সমালোচনাও আছে। এসব নির্বাচনে সাংবিধানিক গণতন্ত্রের সুশোভিত পথে হেঁটে শান্তিপূর্ণভাবে জনগণের পছন্দের সরকার গঠনের সৌন্দর্য বিনাশ করা হয়েছে। প্রতিবারই ক্ষমতাসীনদের হাতে ক্ষমতা কুক্ষিগত রাখার নোংরা খেলা জাতি প্রত্যক্ষ করেছে। প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালে। বঙ্গবন্ধু সরকারপ্রধান—প্রধানমন্ত্রী। আওয়ামী লীগকে ভোটে হারানোর মতো সবল ও শক্তিশালী কোনো দল ছিল না। মওলানা ভাসানী ছিলেন অনেক বড় মাপের নেতা; কিন্তু তাঁর দল ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) ছিল তুলনামূলকভাবে অনেক ছোট। অর্থাৎ তিনি ছিলেন ছোট দলের অনেক বড় নেতা—জাতীয় নেতা। নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকদের কপালে ভাঁজ পড়ার কোনো কারণ ছিল না। নেতারা সবাই তখনকার জাতীয় নেতাদের তুলনায় ছোট হলেও দল হিসেবে নবগঠিত জাসদ বেশ বড় দলই ছিল বলতে হবে। সারা দেশে তাদের সাংগঠনিক নেটওয়ার্ক ছিল। আওয়ামী লীগকে পরাস্ত করার শক্তি না থাকলেও পেরেশানিতে ফেলার ক্ষমতা ছিল তাদের। শতভাগ ফেয়ার নির্বাচন হলেও বঙ্গবন্ধুর ঐন্দ্রজালিক নেতৃত্বে পরিচালিত আওয়ামী লীগ ক্ষমতা হারাবে এটা ছিল কল্পনারও বাইরে। অথচ তার পরও সেই নির্বাচন স্বচ্ছ ও প্রভাবমুক্ত হয়নি। খন্দকার মোশতাক আহমদকে ভোটের বাক্স বদল করে না জিতিয়ে জাসদের রশিদ ইঞ্জিনিয়ারকে জিততে দিলে অথবা ড. আলীম আল রাজী, রাশেদ খান মেনন, মেজর হাফিজের বাবার মতো ১৫-১৬ জন লীগবিরোধী প্রার্থী জিতে সংসদে এলে আওয়ামী লীগের সরকার গঠনে কোনো অন্তরায় সৃষ্টি হতো না, বঙ্গবন্ধুর দিগন্তপ্লাবিত প্রভাবও খর্ব হতো না। কিন্তু হাতেগোনা কয়েকজন বিরোধীদলীয় সদস্যও সংসদে সহ্য করেনি ক্ষমতাসীনরা। সেই নির্বাচনে যতটা না বাড়াবাড়ি হয়েছিল, তার চেয়ে অনেক অনেক বেশি সমালোচনা সইতে হয়েছে বঙ্গবন্ধুর সরকারকে। ১৯৮৬ সালে তৃতীয় সংসদ নির্বাচন ছিল স্বৈরশাসক এরশাদের ক্ষমতা বৈধকরণের নির্বাচন। কথা ছিল আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত ও বামপন্থী কোনো দলই সেই নির্বাচনে যাবে না। কিন্তু কেউ কেউ ওয়াদার বরখেলাপ করেছে। নির্বাচন যদি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হতো, শেখ হাসিনার প্রধানমন্ত্রিত্ব কেড়ে নিতে পারতেন না এরশাদ। রাষ্ট্রীয় বাহিনীগুলোও ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করে আওয়ামী লীগের বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছে ক্ষমতাসীন জাতীয় পার্টি। এরশাদের আমলে চতুর্থ সংসদ নির্বাচনও ছিল একটি তামাশার নির্বাচন। আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও বাম জোটসহ দেশের বেশির ভাগ রাজনৈতিক দলই সেই নির্বাচন বর্জন করে। ১৯৯৬ সালে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হয় আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামী ও বামপন্থী দলগুলোর বর্জন ও বিরোধিতার মুখে। স্বল্পকালীন (মাত্র ১৩ দিনের) সেই সংসদে বিরোধী দলের দাবি অনুযায়ী ‘নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিল পাস হলেও তা ছিল বিতর্কিত প্রক্রিয়ায়, রাষ্ট্রশক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত নির্বাচন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম সংসদ নির্বাচনও যে বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ, তা এখন সরকারপক্ষও জোর দিয়ে অস্বীকার করতে পারছে না। সাংবিধানিক শাসনের ধারাবাহিকতা রক্ষার আবরণে নির্বাচনের অস্বচ্ছতা ঢাকতে চাচ্ছে তারা। এই কয়টি সংসদ নির্বাচন ছাড়া প্রেসিডেন্ট জিয়ার ‘হ্যাঁ-না’ ভোটটিও ছিল মহাকেলেঙ্কারির ভোট। জিন-ভূত ভোট দিয়ে না গেলে ৯৮ শতাংশ ভোট কাস্ট হতে পারে? জিয়াউর রহমানের আমলে ১৯৭৯ সালে দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে মৃদু কিছু সমালোচনা হলেও সব দলই তা মেনে নিয়েছিল। অনেক পর্যবেক্ষক বলেন, সব সংসদের প্রসিডিং পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, ওই সংসদটি ছিল একটি সমৃদ্ধ ও প্রাণবন্ত সংসদ। বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, বিচারপতি হাবিবুর রহমান ও বিচারপতি লতিফুর রহমানের নেতৃত্বাধীন দুই নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার, এমনকি ওয়ান-ইলেভেনের সরকার আমলে অনুষ্ঠিত নির্বাচন নিয়েও শেষ পর্যন্ত বিতর্ক কম হয়েছে এবং সব পক্ষ মেনে নিয়েছে। জাতীয় নির্বাচনের এমন দুর্বল প্রেক্ষাপটে পর পর দুটি একতরফা, বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন জাতি ‘হজম’ করতে পারবে না বলেই বোদ্ধাজনরা স্পষ্ট করে বলছেন। তাই আগামী নির্বাচন নিয়ে শুধু সরকার নয়, সব রাজনৈতিক দল এবং সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষকে সতর্কতার সঙ্গে পথ চলতে হবে। আগামী নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা-না করা দলবিশেষের নিজস্ব ব্যাপার বা ‘কেউ নির্বাচনে না এলে জোর করে আনার এত কী ঠেকা’—এ ধরনের বক্তব্য দায়িত্বশীল বক্তব্য বলে বিবেচিত হয় না। বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে সব দলই নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য উন্মুখ থাকে। নির্বাচনমুখী এক বা একাধিক দল এবং সেই দল বা দলগুলো যদি ক্ষমতাসীন সরকারি দলের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হয়, তাহলে তাদের নির্বাচন বর্জনের কারণ ও সিদ্ধান্তকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিতে হবে। সর্বোচ্চ প্রয়াস চালাতে হবে যাতে একটা মীমাংসায় পৌঁছা যায় এবং নির্বাচনটি সবার অংশগ্রহণমূলক হয়। মূল বিরোধী দলকে আস্থায় নিয়েই সরকার ও সরকারি দলকে আগামী নির্বাচনের ‘রোডম্যাপ’ তৈরি করতে হবে। অতীত নিয়ে এখন আর টানাটানি করে লাভ নেই। তাকাতে হবে সামনের দিকে। আগামী নির্বাচনটি ক্ষমতার লড়াই না হয়ে গণতন্ত্রের পরীক্ষা হোক।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে এরই মধ্যে আলাপ-আলোচনা, এমনকি কারো কারো প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। প্রধান দুই পক্ষ—আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে রীতিমতো বাকযুদ্ধ শুরু হয়েছে। সীমিত আকারে শালীনভাবে এমন বাকযুদ্ধ চললে মানুষ তা ‘এনজয়’ করবে। কিন্তু সীমা লঙ্ঘন করলে তা থেকে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। দীর্ঘকালীন বন্ধ্যা কাটিয়ে রাজনীতি মাঠে না হলেও ঘরোয়া পর্যায়ে ও মিডিয়া লেভেলে বেশ সরব হয়েছে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন উপলক্ষে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে মহামান্য রাষ্ট্রপতির সংলাপ-উদ্যোগের পর। বিএনপিসহ বিরোধী দলের একটি অংশ নির্বাচন কমিশনের মৃদুমন্দ সমালোচনা করলেও তা প্রত্যাখ্যান করেনি। এ থেকে এ বার্তাই পাওয়া যায় যে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণে তারা ইচ্ছুক। সব নির্বাচনে সব দেশে যেমন বিরোধী পক্ষ সরকার বা সরকারপক্ষকে চাপের মধ্যে রেখে নির্বাচনে সুবিধা আদায় করতে চায়, আমাদের দেশেও এ প্রক্রিয়াটি চালু থাকবে বা বিরোধীরা অনুসরণ করবে। তাতে বিস্ময়ের বা আতঙ্কের কিছু নেই। বলা চলে, আমাদের দেশে সে প্রক্রিয়াটি শুরু হয়েছে। অর্থাৎ এখন পর্যন্ত বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দলই নির্বাচনের মহাসড়কে আছে। এতে সব স্টেকহোল্ডারের অর্থাৎ নির্বাচনে অংশগ্রহণেচ্ছু সব রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশিত হলেও ক্ষমতাসীন সরকার ও সরকারি দলের দায়িত্ব একটু বেশিই থাকে। জনগণ নিশ্চয়ই সরকার ও সরকারি দলের আচার-আচরণের প্রতি লক্ষ রাখছে।

আগামী নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রধান দুই দলের কাছে নিজ নিজ দিক থেকে খুব গুরুত্বপূর্ণ। ক্ষমতাসীন দলের সামনে ক্ষমতায় থেকে ‘ভিশন-২০২১’ বাস্তবায়নের স্বপ্ন। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী একটি ‘অবিতর্কিত’, ‘প্রশ্নহীন’ নির্বাচনের অঙ্গীকার। বিএনপির সামনে ভঙ্গুর দশা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে দলে নতুন প্রাণের সঞ্চার করা, দলের হতাশ নেতাকর্মী-সমর্থকদের মনে নতুন আশার প্রদীপ জ্বালানো, ১০ বছর পর আবার ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার কিংবা ক্ষমতার কাছাকাছি থাকার সুযোগ গ্রহণ করার বিষয়। একটি অংশগ্রহণমূলক, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উভয় পক্ষকে স্বপ্ন পূরণ বা স্বপ্ন পূরণের কাছাকাছি এনে দিতে পারে। নির্বাচন কমিশন গঠনের চ্যাপ্টার শেষ হয়েছে। ধরে নেওয়া যায়, নবগঠিত ইসি মোটামুটি মেনে নিয়েছে সবাই। এখন আসবে নির্বাচনকালীন সরকার প্রশ্ন। সরকারপক্ষ বলছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রেখে তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনেই পরবর্তী নির্বাচন হবে। বিএনপির কেউ কেউ যদিও আগ বাড়িয়ে বলছেন যে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী রেখে তাঁদের দল নির্বাচনে যাবে না, এর পক্ষে তাঁদের দলের কোনো সম্মতি এখনো মেলেনি। যাঁরা এসব আবোলতাবোল বলছেন, তাঁরা নীতিগত এসব কথা বলার কিন্তু অথরিটি নন। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অবশ্য বলেছেন, শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী রেখেই একটি নির্বাচনকালীন ‘সহায়ক সরকার’ চান তাঁরা। তাঁর বক্তব্যকে ভিত্তি করে নির্বাচনকালীন সরকার প্রশ্নে একটা মীমাংসায় পৌঁছার সুযোগ আছে। মনে হয়, সরকারপক্ষেরও তাতে আপত্তি থাকবে না।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী নিজেই ‘সর্বদলীয় সরকার’ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। আওয়ামী লীগের ‘সর্বদলীয় সরকার’ আর বিএনপির ‘সহায়ক সরকারের’ মধ্যে দূরত্ব কিন্তু খুব বেশি বলে মনে হয় না। ‘প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন’ না চাইলে একটা গ্রহণযোগ্য অবস্থানে ও সমঝোতায় আসতে হবে উভয় পক্ষকে। আরেকটি প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের বোঝা ক্ষমতাসীনরা এবার আর বইতে পারবে কি না ভাবতে হবে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কোন বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেছেন যে ‘আগামী নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হোক তা আমি চাই না’ তা দুর্বোধ্য কোনো বিষয় নয়। মন্ত্রী-মিনিস্টার এবং লীগ নেতাদের বক্তৃতা-বিবৃতিতে সতর্ক থাকতে হবে, যাতে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য সমালোচনার মুখে না পড়ে। বিএনপিরও যাঁরা পারস্পরিক সম্পর্ক বিনাশী কথাবার্তা বলছেন, তাঁদের মিডিয়ায় শিরোনাম হওয়ার ‘রোগমুক্ত’ হয়ে দলের ও দেশের কথা ভাবা উচিত। একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মোহনীয় পরিবেশ নষ্ট করার ‘নষ্ট চিন্তা’ সবার পরিহার করা উচিত।

খালেদা জিয়ার মামলার বিষয়ও আগামী দিনের রাজনীতি ও পরবর্তী নির্বাচনের ওপর প্রভাব ফেলবে, বিষয়টি সরকারপক্ষের গুরুত্বসহকারে ভাবা উচিত। জিয়া অরফ্যানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার রায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গেলে বিএনপি কিছু করতে অক্ষম ভেবে সরকারি দল যদি তা ব্যবহার করে কিস্তিমাত করার চিন্তা করে, তা একদিকে সৎ রাজনৈতিক চিন্তা হবে না, অন্যদিকে সরকারি দলের জন্য তা হিতে বিপরীত হতে পারে। আদালত কী রায় দেবেন আমরা জানি না। বিএনপির অনেকেই আশঙ্কা করছেন, খালেদা জিয়ার সাজা হয়ে গেলে আওয়ামী লীগ তা কাজে লাগিয়ে খালেদা জিয়াকে নির্বাচন থেকে মাইনাস করে ফায়দা লুটতে চাইবে। তেমন একটি নাজুক পরিস্থিতিতে আবেগতাড়িত হয়ে বিএনপি যদি ভুল কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে তার চূড়ান্ত ফলাফল কী হতে পারে, সরকারি দলের নীতিনির্ধারকদের তা ভাবতে হবে। কাজেই উভয় পক্ষকেই মাথা ঠাণ্ডা রেখে সব কাজে রাজনৈতিক বিজ্ঞতার পরিচয় দিতে হবে। কারো ভুল যেন গোটা দেশ ও জাতির সীমাহীন যন্ত্রণার কারণ না হয়। এ ব্যাপারে প্রধান দুই দলের মধ্যে আন্তরিক ও কার্যকর সমঝোতা বাঞ্ছনীয়।

লেখক : সাংবাদিক


মন্তব্য