kalerkantho

ভালো থাকুন

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



ফুসফুস ক্যান্সারের ঝুঁকি

যেসব ক্যান্সারের কারণে রোগীর মৃত্যু ঘটে, তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ফুসফুস ক্যান্সার। কারণ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ফুসফুস ক্যান্সার ধরা পড়ে প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায় পেরিয়ে তৃতীয়-চতুর্থ পর্যায়ে চলে যাওয়ার পর। কিন্তু তখন হয়তো আর ক্যান্সার নিরাময় করার মতো চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয় না। বরং ফুসফুস ক্যান্সার প্রতিরোধ করাই সহজ ও কার্যকর।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ফুসফুস ক্যান্সারের প্রধান কারণ ধূমপান। সিগারেটে প্রায় ৪০০ ধরনের রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে, যার বেশির ভাগই ক্যান্সার সৃষ্টিতে সহায়ক। প্রতিদিন এক প্যাকেট সিগারেট ফুসফুস ক্যান্সারের ঝুঁকি ২৫-৩০ গুণ বাড়িয়ে দেয়। যত অল্প বয়সে ও যত বেশি পরিমাণে ধূমপান করা হয়, ফুসফুস ক্যান্সারের ঝুঁকিও তত বাড়ে। পরোক্ষ ধূমপানে অর্থাৎ ধূমপায়ীর আশপাশে দীর্ঘদিন বাস করাতেও ক্যান্সারের ঝুঁকি রয়েছে। দীর্ঘদিন দূষিত আবহাওয়ায় বাস করাও ঝুঁকিপূর্ণ। ফুসফুস ক্যান্সার প্রতিরোধের জন্য ধূমপান থেকে দূরে থাকতে ও পরিবারের সব সদস্যকে দূরে রাখতে হবে।

পরিবেশে বায়ুদূষণ কমাতে হবে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় বিভিন্ন ধরনের ফল ও সবজি থাকতে হবে, যা সার্বিকভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

ডা. মুনতাসীর মারুফ


মন্তব্য