kalerkantho

ভালো থাকুন

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



ভালো থাকুন

ব্যথার ওষুধ যখন-তখন নয়

চিকিত্সকের পরামর্শ ছাড়াই ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে সেবনের প্রবণতা রয়েছে অনেকের। আমাদের দেশে পুরনো অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা ধীরে ধীরে হ্রাস পাওয়া ও অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যাধিক্যের অন্যতম কারণ এটি।

যখন-তখন ব্যথানাশক ওষুধ সেবনেরও বিরূপ প্রতিক্রিয়া রয়েছে। বাত, আর্থ্রাইটিস, মাইগ্রেন, কোমর ব্যথা প্রভৃতি সমস্যায় আক্রান্ত অনেক ব্যক্তি ব্যথা উঠলে চিকিত্সকের পরামর্শ ছাড়াই অনেক সময় ব্যথার বড়ি খেয়ে নেন। কিন্তু এ ধরনের অভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। চিকিত্সকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যথার বড়ি সেবনে কিডনি বিকল হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। বিশেষত দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার রোগী, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের রোগী, ধূমপায়ী, ঘুমের ওষুধে অভ্যস্ত ও বয়সী ব্যক্তিদের এই ঝুঁকি আরো বেশি। প্রচলিত ব্যথানাশক ওষুধের অধিকাংশই ননস্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি গ্রুপের ওষুধ, যেগুলো কিডনির রক্তপ্রবাহ কমিয়ে দিতে পারে। দীর্ঘদিন এসব ওষুধ সেবনে কিডনির কার্যকারিতা ব্যাহত হয়ে প্রস্রাবে প্রোটিন ও রক্ত বের হওয়া, রক্তশূন্যতা, পায়ে-মুখে পানি আসা, প্রস্রাবের পরিমাণ হ্রাস পাওয়া প্রভৃতি উপসর্গ-লক্ষণ দেখা দিতে পারে। অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে মাত্র কয়েক ডোজ ওষুধই বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই চিকিত্সকের পরামর্শ ছাড়া ব্যথার ওষুধ সেবন করবেন না।

 

ডা. মুনতাসীর মারুফ


মন্তব্য