kalerkantho

ভালো থাকুন

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



কৃমি প্রতিরোধে

কৃমিতে আক্রান্ত শিশুদের দেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। বদহজম, ডায়রিয়া, বমি, পাতলা পায়খানা হতে পারে।

রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। ভিটামিন ‘এ’-এর অভাবজনিত কারণে রাতকানা রোগ হয়। শিশুর শারীরিক-মানসিক বিকাশ ব্যাহত হয়। কৃমির কারণে অ্যাপেন্ডিসাইটিস, মলদ্বার বের হওয়া, পিত্তথলির জটিলতা প্রভৃতিও হতে পারে। এমনকি কখনো কখনো মৃত্যুও ঘটতে পারে। কৃমিতে আক্রান্ত শিশুর মলের সঙ্গে কৃমির ডিম বের হয়ে পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ে। স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহার না করলে অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ডিমগুলো দুই থেকে চার সপ্তাহে পরিপক্ব হয়। অসতর্কতার কারণে ডিমগুলো পানি কিংবা অন্যান্য খাবারের সঙ্গে মেশে। সুস্থ শিশু কৃমির ডিমমিশ্রিত খাবার গ্রহণ করলে তারাও কৃমিতে আক্রান্ত হয়। এ ছাড়া খালি পায়ে হাঁটা-চলার কারণে হুক ওয়ার্ম-জাতীয় কিছু কৃমি পায়ের চামড়া ভেদ করে শরীরে প্রবেশ করে। কৃমি প্রতিরোধে এ বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। কৃমি নিয়ন্ত্রণে অ্যালবেন্ডাজল, মেবেন্ডাজল, পাইরেন্টাল পামওয়েট প্রভৃতি গ্রুপের ওষুধ ব্যবহৃত হয়। শুধু আক্রান্ত ব্যক্তি বা শিশুই নয়, পরিবারের সবারই একই সময়ে কৃমির ওষুধ সেবন করা উচিত।

 

ডা. মুনতাসীর মারুফ

 


মন্তব্য