kalerkantho

ভালো থাকুন

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



ভালো থাকুন

কুষ্ঠ

প্রাচীনকালে কুষ্ঠরোগকে মনে করা হতো সৃষ্টিকর্তার অভিশাপের ফল। আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা তো করা হতোই না, তাই তাদের সমাজচ্যুত করে নগরের বাইরে বহুদূরের কোনো পরিত্যক্ত স্থানে নির্বাসিত করা হতো।

আদতে কুষ্ঠ এক ধরনের ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ। আক্রান্ত রোগীর হাঁচি-কাশি-থুতুর মাধ্যমে এ রোগজীবাণু ছড়াতে পারে। কুষ্ঠরোগের শুরুতে ত্বকে সাদা, লালচে বা হালকা ফ্যাকাসে ছোপ ছোপ দাগ দেখা যায়। মুখমণ্ডল, নিতম্ব, হাত ও পায়ের ত্বকই সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়। আক্রান্ত স্থান ধীরে ধীরে অনুভূতিহীন হতে থাকে। দেহের কোনো কোনো স্থানের ত্বক মোটা বা গুটির মতো হয়ে যায়। স্নায়ুতন্ত্র আক্রান্ত হয়ে দড়ির মতো শক্ত হয়ে যায়। অনেকের হাতের মাংসপেশি শুকিয়ে যায়, কান বা কানের লতি মোটা হয়, হাত বা পায়ের আঙুল বাঁকা হয়ে যায়, চোখের ভ্রুর বাইরের অংশের চুল পড়ে যায়। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা না করালে আক্রান্ত ব্যক্তি বিকলাঙ্গও হয়ে যেতে পারে। তবে সঠিক চিকিৎসায় কুষ্ঠরোগ ভালো হয়ে যায়। কুষ্ঠরোগের প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

 

ডা. মুনতাসীর মারুফ


মন্তব্য