kalerkantho

ভালো থাকুন

৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



ভালো থাকুন

আয়োডিনের প্রয়োজনীয়তা

আয়োডিন মানবদেহের জন্য অতিপ্রয়োজনীয় একটি খনিজ উপাদান। দৈহিক বৃদ্ধি ও বুদ্ধিমত্তার বিকাশে আয়োডিনের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে।

এটি শরীরে থাইরয়েড হরমোন তৈরিতে সহায়তা করে। দেহে আয়োডিন কম প্রবেশ করলে প্রয়োজনীয় থাইরয়েড হরমোন উৎপন্ন হতে পারে না। আয়োডিনের অভাবে দেহের গলদেশে থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে গলগণ্ড রোগ হয়ে থাকে। আঞ্চলিক ভাষায় এটি ‘ঘ্যাগ’ হিসেবেও পরিচিত। এ ছাড়া স্নায়বিক দুর্বলতা, বধিরতা, বাক্শক্তিহীনতা, স্বাভাবিকের চেয়ে কম বুদ্ধিমত্তা, শারীরিক বৃদ্ধি ও মস্তিষ্ক গঠন ব্যাহত হওয়া, প্রসূতির বিকলাঙ্গ সন্তান প্রসব প্রভৃতি সমস্যা হয়ে থাকে। আমাদের দেশের উত্তরাঞ্চলের অর্থাৎ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অনেক উঁচুতে অবস্থিত এলাকার মাটিতে আয়োডিনের পরিমাণ কম বলে সেখানে উৎপন্ন শস্যে আয়োডিনের পরিমাণ কম থাকে এবং সে এলাকার লোকজনের আয়োডিনের অভাবজনিত রোগ বেশি হয়। আয়োডিনের অভাবজনিত রোগ হলে এর সম্পূর্ণ নিরাময় করা কঠিন। সে কারণে এ রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত আয়োডিনসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করতে হবে। সামুদ্রিক মাছ, কডলিভার অয়েল, দুধ, মাংস, আয়োডিনসমৃদ্ধ মাটিতে উৎপন্ন খাদ্যশস্য ও শাকসবজিতে আয়োডিন পাওয়া যায়। আয়োডিনের অভাব পূরণে আয়োডিনযুক্ত লবণ খেতে হবে।

 

ডা. মুনতাসীর মারুফ


মন্তব্য