kalerkantho

ভালো থাকুন

৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



কলোরেকটাল ক্যান্সার

খাদ্যনালির নিচের দিকের বৃহদন্ত্র ও মলাশয়ের ক্যান্সারকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় কলোরেকটাল ক্যান্সার বলা হয়। বংশগতি, জেনেটিক মিউটেশন, বৃহদন্ত্রের পলিপ, দীর্ঘমেয়াদি আলসারেটিভ কোলাইটিস ও ক্রনস ডিজিজ প্রভৃতি কলোরেকটাল ক্যান্সারের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। স্থূলতা ও অধিক পরিমাণে লাল মাংস খাওয়ার মতো অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস যেমন এ ক্যান্সারের আশঙ্কা বাড়ায়, তেমনি মদ ও ধূমপানের মতো অস্বাস্থ্যকর জীবনাচরণও এর ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। অস্ট্রেলীয় এক গবেষণায় দেখা যায়, যারা প্রতি সপ্তাহে সাত পেগের বেশি অ্যালকোহল পান করে, তাদের ক্ষেত্রে এ ক্যান্সারের ঝুঁকি অমদ্যপদের চেয়ে ৬০ শতাংশ বেশি। ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রেও এ ঝুঁকি ২০ শতাংশ বেশি। ডায়াবেটিস রোগী এবং যাদের রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি, তাদেরও এই ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বেশি। কলোরেকটাল ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে রোগীর মলের সঙ্গে তাজা রক্ত পড়তে পারে, মলের আকৃতি পরিবর্তিত হতে পারে।

এ ছাড়া ওজন কমে যায়, খাবারে অরুচি, অল্প পরিশ্রমে ক্লান্তি প্রভৃতি উপসর্গ দেখা দিতে পারে। কলোরেকটাল ক্যান্সার প্রতিরোধে গবেষকদের উপদেশ—মদ-সিগারেট থেকে দূরে থাকুন, স্বাস্থ্যকর খাবার খান, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন আর পরিমিত ব্যায়াম করুন।

 

ডা. মুনতাসীর মারুফ


মন্তব্য