kalerkantho

ভালো থাকুন

১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



মৃগীর ওষুধ দীর্ঘ মেয়াদে সেবন

মৃগী রোগে আক্রান্ত শিশু বা ব্যক্তিদের খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ওষুধ সেবন করতে হয়। প্রাথমিকভাবে রোগ ধরা পড়ার পর নির্দিষ্ট মাত্রায় কিছুদিন ওষুধ সেবন করলে খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণে চলে আসে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই।

তবে এটাই চিকিৎসার শেষ ভেবে নেওয়া ঠিক নয়। খিঁচুনি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসার পরও দীর্ঘদিন ওষুধ সেবন করতে হয়। ওষুধ সেবন করা অবস্থায় কমপক্ষে টানা দুই বছর কখনো খিঁচুনি না হলে অ্যান্টিকনভালসেন্ট বা খিঁচুনি-প্রতিরোধী ওষুধ সেবন বন্ধ করার চিন্তা করা যেতে পারে। সেই ওষুধও কিন্তু হঠাৎ করে পুরোপুরি বন্ধ করা যাবে না, ছয় মাস থেকে এক বছর সময়ব্যাপী ধীরে ধীরে ওষুধের মাত্রা কমিয়ে তারপর বন্ধ করতে হবে। কারো কারো ক্ষেত্রে আরো বেশি সময় ধরে ওষুধ সেবন করতে হতে পারে। ওষুধ বন্ধ করার পর আবার রোগীর খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। রোগীর ১৬ বয়স বছরের কম, টোনিকক্লোনিক বা মায়োক্লোনিক ধরনের মৃগী, খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণের জন্য একাধিক অ্যান্টিকনভালসেন্ট ওষুধ সেবন, খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণ হওয়ার পরও ইইজি পরীক্ষায় অস্বাভাবিকতা প্রভৃতি ক্ষেত্রে ওষুধ বন্ধ করার পর আবার মৃগীতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

 

ডা. মুনতাসীর মারুফ

 


মন্তব্য