kalerkantho

শুক্রবার । ২ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।

ভালো থাকুন

৬ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



চুল পড়া

প্রতিদিন চুলের জীবনচক্রের কারণেই প্রায় শখানেক করে চুল পড়ে যায়। এটি স্বাভাবিক।

আঁচড়ানোর সময় চিরুনির সঙ্গে চুল উঠে আসতে দেখলেই দুর্ভাবনার প্রয়োজন নেই। চুল যেমন পড়ে যায়, তেমনি সমপরিমাণ চুল আবার কেশগ্রন্থি থেকে জন্মায়। নতুন চুল আবার তার জীবনচক্রের তিনটি পর্যায় পেরিয়ে ঝরে যায়। সমপরিমাণ চুল জন্মানো ও ঝরার ফলে শেষ পর্যন্ত চুলের সার্বিক পরিমাণ ঠিকই থাকে। তবে যখন চুল গজানোর চেয়ে চুল ঝরে পড়ার পরিমাণ বাড়ে তখনই সমস্যা দেখা দেয়। চুল কমে যায়, টাক বাড়তে থাকে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘অ্যালোপেশিয়া’ বলা হয়।

অ্যালোপেশিয়ার নানা ধরন এবং কারণ রয়েছে। বংশগত ও হরমোনজনিত কারণে অনেকের চুল পড়ে। টাকের কারণে মানুষের হতাশা ও লজ্জাকে পুঁজি করে চিকিৎসার নামে ব্যবসা ফেঁদে বসে অনেকে। অজ্ঞতা ও বিভ্রান্তির কারণে তাদের কাছে গিয়ে প্রতারিত হয় সাধারণ মানুষ। টাকের চিকিৎসায় সব ক্ষেত্রে সফলতা নাও পাওয়া যেতে পারে। তবে ধরন ও কারণ নির্ণয় করে সঠিক সময়ে চিকিৎসা করলে অনেক ক্ষেত্রে ইতিবাচক ফল পাওয়া যায়।

 

ডা. মুনতাসীর মারুফ


মন্তব্য