kalerkantho

সোমবার । ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ । ৮ ফাল্গুন ১৪২৩। ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৮।

ব্যক্তিত্ব

৩ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



ব্যক্তিত্ব

বারীণ মজুমদার

বারীণ মজুমদার বিশিষ্ট সংগীতবিশারদ। ১৯২১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পাবনার রাধানগরে তাঁর জন্ম। বাবা নিশেন্দ্রনাথ মজুমদার, মা মণিমালা মজুমদার। ছেলের গানের প্রতি আগ্রহ দেখে জমিদার বাবা লক্ষেৗ থেকে ওস্তাদ নিয়ে এসেছিলেন। পরে বারীণ লক্ষেৗর মরিস কলেজ অব মিউজিক থেকে সংগীতে স্নাতক এবং পরে ‘সংগীতবিশারদ’ খেতাব অর্জন করেন। এ ছাড়া তিনি ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায়, পণ্ডিত শ্রীকৃষ্ণ রতনজনকর, অধ্যাপক জে এন নাটু, ওস্তাদ হামিদ হোসেন খাঁ, ওস্তাদ খুরশীদ আলী খাঁ, চিন্ময় লাহিড়ী, ওস্তাদ ফৈয়াজ খাঁর কাছে তালিম নেন। ১৯৫২ সালের জমিদারি হুকুম দখল আইনে তাঁদের বসতভিটাসহ সব পৈতৃক সম্পত্তি সরকারি দখলে চলে গেলে ১৯৫৭ সালে তিনি ঢাকায় আসেন। ওই বছরই তিনি বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতে উচ্চাঙ্গসংগীতের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৬৩ সালে তিনি ‘কলেজ অব মিউজিক’-এর কার্যক্রম শুরু করলে তৎকালীন প্রশাসন বাধা দেয়। পরে তিনি শুধু রাগসংগীতে উচ্চতর প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য ‘মণিহার সংগীত একাডেমি’ প্রতিষ্ঠা করেন। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে সংগীতকে সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করায় তাঁর অবদান ছিল। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীতবিষয়ক পরীক্ষা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। ‘সংগীত কলি’ ও ‘সুর লহরী’ নামে দুটি পাঠ্য বই তিনি রচনা করেছেন। ‘সুর সপ্তক’ নামে একটি মাসিক পত্রিকাও সম্পাদনা করেছেন। মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক (২০০১), একুশে পদকসহ দেশ-বিদেশে নানা সম্মাননায় তিনি ভূষিত হন। আগ্রা ও রঙ্গিলা ঘরানার এই সংগীত সাধক ২০০১ সালের ৩ অক্টোবর মারা যান।

[সূত্র : বাংলাপিডিয়া]


মন্তব্য