kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।

ভালো থাকুন

২ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



ভালো থাকুন

শিশুর যক্ষ্মা

 

যেসব শিশু আমিষ ও শক্তিজনিত অপুষ্টিতে ভোগে এবং পরিবার বা প্রতিবেশী কোনো যক্ষ্মা রোগীর সংস্পর্শে আসে, তাদের যক্ষ্মার ঝুঁকি বেশি। যক্ষ্মায় আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে এ রোগের জীবাণু বাতাসে ছড়ায়।

গর্ভবতী যক্ষ্মায় ভুগলে নবজাতক শিশুরও এ রোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। শিশুদের ক্ষেত্রে যক্ষ্মার সংক্রমণ ফুসফুস থেকে খুব দ্রুতই রক্তের মাধ্যমে শরীরের অন্যান্য অংশ যেমন—মস্তিষ্ক, হাড় প্রভৃতিতে ছড়িয়ে পড়তে পারে। শিশুর যক্ষ্মার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে কাশি, স্বল্পমাত্রার জ্বর, খাবারে অরুচি, ওজন হ্রাস প্রভৃতি উপসর্গ দেখা দেয়। বড়দের ক্ষেত্রে কফ পরীক্ষায় যক্ষ্মা নিশ্চিত হওয়া গেলেও শিশুদের ক্ষেত্রে কফ পরীক্ষা করা সম্ভব নাও হতে পারে, যেহেতু তারা কফ গিলে ফেলে। সে ক্ষেত্রে সকালে খালি পেটে পাকস্থলী থেকে তরল নিয়ে পরীক্ষা করা যেতে পারে। যক্ষ্মার নির্দিষ্ট চিকিৎসা রয়েছে। শিশুর যক্ষ্মা ধরা পড়লে চিকিৎসকের পরামর্শমতো নির্দিষ্ট ডোজে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত নিয়মিত ওষুধ সেবন করতে হবে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ছয় মাস নিয়মিত চিকিৎসায় যক্ষ্মা সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যায়। প্রসূতির যক্ষ্মা রোগ থাকলে নবজাতককেও চিকিৎসা করাতে হতে পারে।

ডা. মুনতাসীর মারুফ


মন্তব্য