kalerkantho

শুক্রবার । ২ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।

ভালো থাকুন

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



ভালো থাকুন

ভাইরাসজনিত রোগ চিকনগুনিয়া

চিকনগুনিয়া ভাইরাসজনিত একটি রোগ। ডেঙ্গু রোগের সঙ্গে এর অনেকটা মিল রয়েছে।

রোগাক্রান্তদের প্রথমে জ্বর হয়। জ্বর দুই থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে সেরে যায়। অস্থিসন্ধিতে ব্যথা অনুভূত হতে পারে। চোখ লালচে হতে পারে। ত্বকে লালচে র‍্যাশ দেখা যেতে পারে। ভাইরাসজনিত বলে এ রোগের চিকিৎসায় সাধারণত কোনো ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন হয় না। ব্যথা কমানোর জন্য ব্যথার ওষুধ প্রয়োজন হতে পারে। এ রোগের কোনো প্রতিষেধক টিকা নেই। মৃত্যুঝুঁকি না থাকলেও এ রোগের জটিলতায় পাঁচ দিন থেকে এক বছর পর্যন্ত ভোগান্তি বিশেষত ব্যথা থেকে যেতে পারে এবং দৈনন্দিন কাজকর্মে সমস্যা হতে পারে। চিকনগুনিয়া রোগের ভাইরাস ছড়ায় এডিস মশার মাধ্যমে। এ রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হচ্ছে এডিস মশা থেকে নিজেকে রক্ষা করা। বাড়ির আশপাশে যেখানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে অথবা সরিয়ে ফেলতে হবে। ঘরে নিয়মিত মশার ওষুধ ব্যবহার, জানালা-দরজায় নেট লাগানো, শোবার সময় মশারি ব্যবহার—এর মাধ্যমে মশার কামড় থেকে মুক্ত থাকা যায়। মশাকে দূরে রাখতে মসকুইটো রিপেলেন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে।

ডা. মুনতাসীর মারুফ


মন্তব্য