kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।

ব্যক্তিত্ব

১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



ব্যক্তিত্ব

সুফী মোতাহার হোসেন

কবি সুফী মোতাহার হোসেন ১৯০৭ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ফরিদপুর জেলার ভবানন্দপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা মোহাম্মদ হাশিম ছিলেন পুলিশ ইন্সপেক্টর।

মোতাহার হোসেন ফরিদপুর জিলা স্কুল থেকে এন্ট্রান্স ও জগন্নাথ কলেজ থেকে এফএ উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং ১৯৩১ সালে বিএ পাস করেন। মেধাবী মোতাহার হোসেন সব পরীক্ষায়ই প্রথম বিভাগে পাস করেন। পড়াশোনা শেষ করে ফরিদপুর জজকোর্টে চাকরি নিয়েছিলেন। বছর দু-এক পরে নিউরেস্থিনিয়া ও ডিসপেপশিয়া রোগে আক্রান্ত হলে প্রায় ১২ বছর শয্যাশায়ী থাকতে হয়। রোগমুক্তির পর তিনি শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হন এবং ফরিদপুর ঈশান ইনস্টিটিউশনে ২০ বছর শিক্ষকতা করেন। কাজী নজরুল ইসলাম ও মোহিতলাল মজুমদারের সঙ্গে পরিচয় ও সম্পর্কের সূত্রে মোতাহার হোসেন সাহিত্যচর্চায় উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন। তিনি পাশ্চাত্য আদর্শে সনেট রচনা করে খ্যাতি অর্জন করেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্পাদিত ‘বাংলা কাব্য পরিচয়’ নামক বইয়ে সুফী মোতাহার হোসেনের ‘দিগন্ত’ সনেটটি স্থান পেয়েছে। প্রকৃতি, প্রেম ও মানবতা তাঁর সনেটে ধ্বনিত হয়। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘সনেট সংকলন’ (১৯৬৫)। পরে সনেট সঞ্চয়ন (১৯৬৬) ও সনেটমালা (১৯৭০) নামে আরো দুটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়। তিনি ১৯৬৫ সালে ‘আদমজী পুরস্কার’, ১৯৭০ সালে ‘প্রেসিডেন্ট পুরস্কার’ এবং ১৯৭৪ সালে ‘বাংলা একাডেমি পুরস্কার’ লাভ করেন। ১৯৭৫ সালের ৭ আগস্ট ঢাকায় মোতাহার হোসেন মারা যান।

[বাংলা একাডেমির চরিতাভিধান অবলম্বনে]


মন্তব্য