kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।

ভালো থাকুন

৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



সাইনোসাইটিস

মুখমণ্ডল তথা মাথার খুলির চারদিকের চার জোড়া বায়ুভর্তি কুঠরি বা সাইনাসে প্রদাহ বা ইনফেকশন হলে তাকে সাইনোসাইটিস বলে। সাইনোসাইটিসে আক্রান্ত ব্যক্তির সর্দি, নাক বন্ধ, নাকের পাশ বা মাথায় ব্যথা হয়।

ঝুঁকে বসলে বা শুলে ব্যথার তীব্রতা বাড়তে পারে। কারো কারো ক্ষেত্রে মাথার একদিকে ব্যথা শুরু হয়, পরে দুই পাশেই ছড়ায়। এ ছাড়া জ্বর, গন্ধ না পাওয়া, গলা ব্যথা, কাশি প্রভৃতি উপসর্গ হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষই জীবনে কখনো না কখনো সাইনোসাইটিসে ভুগেছে এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তা স্বল্পমেয়াদি। কিন্তু সাইনাসের অবস্থান মস্তিষ্কের কাছাকাছি বলে দীর্ঘমেয়াদি সাইনোসাইটিসের ক্ষেত্রে মেনিনজাইটিস, অ্যাবসেসসহ মারাত্মক জটিলতার আশঙ্কা রয়ে যায়। ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া যেকোনো সংক্রমণের কারণে সাইনোসাইটিস হতে পারে। এ ছাড়া নাকের গঠনগত বিকৃতির কারণেও এ রোগ হতে পারে। ব্যাকটেরিয়াজনিত কারণে সাইনোসাইটিস হলে অ্যান্টিহিস্টামিন ওষুধের পাশাপাশি যথাযথ অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের প্রয়োজন পড়ে। নাকে বিশেষ ধরনের ড্রপ ব্যবহার করতে হতে পারে। ব্যথার জন্য ব্যথানাশক খেতে হতে পারে। ওষুধে না সারলে অপারেশনের মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়।

ডা. মুনতাসীর মারুফ


মন্তব্য