kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।

ভালো থাকুন

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



ভালো থাকুন

থ্যালাসেমিয়া

থ্যালাসেমিয়া রোগাক্রান্তদের রক্তের অন্যতম উপাদান হিমোগ্লোবিনের অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়। রক্তের লোহিত কণিকা বা রেড ব্লাড সেলের ভেতর একটি প্রয়োজনীয় উপাদান হিমোগ্লোবিন, যা দেহে অক্সিজেন পরিবহন করে।

থ্যালাসেমিয়ার কারণে লোহিত রক্ত কণিকা ধ্বংস হতে থাকে, ফলে অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা দেখা দেয়। থ্যালাসেমিয়ার কয়েকটি ধরন রয়েছে। এর মধ্যে থ্যালাসেমিয়া মেজরে আক্রান্ত ব্যক্তিদের রক্তাল্পতার পাশাপাশি খাবারে অরুচি, জন্ডিস, বারবার ইনফেকশন ছাড়াও শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। থ্যালাসেমিয়া মেজরে আক্রান্ত রোগীর অবস্থা এতটা মারাত্মক হয় যে তাকে বাঁচিয়ে রাখতে দিনের পর দিন তার দেহে রক্ত সঞ্চালন করতে হয়। তার পরও এদের আয়ুষ্কাল গড়ে ৩০-৩৫ বছরের বেশি হয় না। তাই এ রোগ প্রতিরোধ একান্ত জরুরি। থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রোগ। পিতা-মাতা উভয়েই থ্যালাসেমিয়ার বাহক হলে তাদের সন্তানদের অর্ধেকের এ রোগ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এ জন্য দুই থ্যালাসেমিয়ার বাহকের মধ্যে বিয়ে নিষিদ্ধ করতে হবে। বিয়ের আগেই পাত্র-পাত্রী থ্যালাসেমিয়ার বাহক কি না তা পরীক্ষার মাধ্যমে জেনে নেওয়া যায়। এ ব্যাপারে জেনেটিক কাউন্সেলিংয়ের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে।

ডা. মুনতাসীর মারুফ


মন্তব্য