kalerkantho

ভালো থাকুন

আত্মহত্যা প্রতিরোধে মা-বাবার ভূমিকা

৩ এপ্রিল, ২০১৬ ০০:০০



ভালো থাকুন

সাম্প্রতিককালে টিনএজারদের মধ্যে আত্মহত্যা বা আত্মহত্যা প্রচষ্টার ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিষণ্নতায় ভোগা টিনএজারদের আত্মহত্যার প্রবণতা দেখা যায়।

একবার আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছে এমন কিশোর-কিশোরীদের আবার দু-এক বছরের মধ্যে আত্মহত্যার প্রচেষ্টা চালানোর ঝুঁকিও বেশি। গবেষকরা বলছেন, এ রকম ক্ষেত্রে সুদৃঢ় পারিবারিক বন্ধন আত্মহত্যাপ্রবণতা রোধ করতে সহায়তা করে। যেসব কিশোর বা কিশোরী মা-বাবার সঙ্গে বেশি ঘনিষ্ঠ বা নিজের সমস্যার বিষয়ে আলোচনায় বেশি স্বচ্ছন্দ, তাদের পারিবারিক বন্ধন তত সুদৃঢ় বলে মনে করা হয়। নানা কারণে বয়ঃসন্ধিকালে মা-বাবার সঙ্গে সন্তানের দূরত্ব সৃষ্টি হতে দেখা যায়। অনেক উঠতি বয়সী কিশোর-কিশোরী মা-বাবার চেয়ে বন্ধুবান্ধব ও তাদের মতামতকেই বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করে, তাদের সঙ্গে সময় কাটাতেই অধিক আগ্রহী থাকে। বন্ধুদের সঙ্গে সম্পর্কের জের ধরে মা-বাবার সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির ঘটনাও ঘটে প্রতিনিয়তই। তবে গবেষণায় দেখা গেছে, বন্ধবান্ধব নয়, বরং মা-বাবার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কই বয়ঃসন্ধিকালের আত্মহত্যাপ্রবণতা রোধ করে। মা-বাবারও এ সময়ে বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব নিয়ে তাঁদের সন্তানের কথা শোনা উচিত, তাদের সময় দেওয়া ও সমস্যার ব্যাপারে সাহায্য করা উচিত।

ডা. মুনতাসীর মারুফ


মন্তব্য