kalerkantho

ভালো থাকুন

৩১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



ভালো থাকুন

আত্মহত্যাপ্রবণ ব্যক্তির চিকিৎসা প্রয়োজন

আত্মহত্যা মানে কেবল ওই ব্যক্তির জীবনাবসানই নয়, পরিবার ও সমাজে এর সুদূরপ্রসারী বিরূপ মানসিক ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া রয়ে যায়। তবে গবেষকরা বলছেন, আত্মহত্যাজনিত মৃত্যুর বেশির ভাগই প্রতিরোধযোগ্য। গবেষণায় দেখা গেছে, আত্মহত্যাপ্রবণ বেশির ভাগ ব্যক্তিই কোনো না কোনো মানসিক রোগে, বিশেষত বিষণ্নতায় আক্রান্ত থাকে। হয়তো সেটা গুরুত্ব দেওয়া হয় না বা মানসিক রোগ নিশ্চিত হলেও যথাযথ চিকিৎসা করা হয় না। অথচ চিকিৎসার মাধ্যমে মানসিক রোগটি নিয়ন্ত্রণে রাখা গেলে এ করুণ পরিণতি অনেক ক্ষেত্রেই এড়ানো সম্ভব। কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যার ইচ্ছা প্রকাশ করলে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। আত্মহত্যাপ্রবণতার পেছনে কোনো মানসিক রোগ রয়েছে কি না তা নির্ণয়ের জন্য মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে। বিশেষত রোগীর আগে থেকেই বিষণ্নতা, মাদকাসক্তি, ব্যক্তিত্বের সমস্যা, অ্যাডজাস্টমেন্ট ডিজঅর্ডার, সিজোফ্রেনিয়া প্রভৃতি রোগ থাকলে, আত্মহত্যা-প্রচেষ্টার পূর্ব ইতিহাস থাকলে, পারিবারিক-সামাজিক সহযোগিতার অভাব থাকলে রোগীর আত্মহত্যা-ভাবনাকে গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। ব্যক্তি আত্মহত্যার প্রচেষ্টা চালালে বা আত্মহননের নির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা করলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করারও প্রয়োজন হতে পারে।

ডা. মুনতাসীর মারুফ


মন্তব্য