kalerkantho

ভালো থাকুন

২৭ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



ভালো থাকুন

হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি

ক্রিকেটারদের অতিপরিচিত একটি ইনজুরি হচ্ছে হ্যামস্ট্রিং স্ট্রেইন। ঊরুর পেছন দিকের সেমিটেনডিনোসাস, সেমিমেমব্রেনোসাস, বাইসেপস ফিমোরিস মাংসপেশিগুলোকে একত্রে হ্যামস্ট্রিং পেশি বলা হয়। ব্যাটিং, বোলিং বা ফিল্ডিংয়ে দ্রুত দৌড়ানোর সময় হঠাৎ অতিরিক্ত চাপের ফলে এই মাংসপেশিগুলো সাধ্যের অতিরিক্ত টান টান বা প্রসারিত হয়। ফলে পেশিতে খিঁচ ধরে বা ছিঁড়ে যেতে পারে। সাধারণত খেলার আগে যথাযথ ওয়ার্মআপের মাধ্যমে এ ইনজুরির প্রবণতা কমিয়ে আনা যায়। কারণ ওয়ার্মআপের মাধ্যমে পেশিতন্তুর তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে এর প্রসারণ ক্ষমতাও খানিকটা বৃদ্ধি পায়। কোনো কারণে হ্যামস্ট্রিং মাংসপেশি ক্ষতিগ্রস্ত হলে প্রাথমিকভাবে বিশ্রাম, ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে বরফ লাগানো, পা উঁচু করে রাখা, ব্যথার ওষুধ খাওয়া ইত্যাদি পরামর্শ দেওয়া হয়। চামড়ায় সরাসরি বরফ লাগালে তা ক্ষতির কারণ হতে পারে বলে আইসপ্যাক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে খেলোয়াড়ের পুনর্বাসনপ্রক্রিয়া চলে। বেশির ভাগ হ্যামস্ট্রিং স্ট্রেইন ছয় সপ্তাহের ভেতর ভালো হয়ে যায়, তবে পুরোপুরি ভালো হওয়ার আগেই খেলায় ফিরলে এ ইনজুরি বারবার হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।

ডা. মুনতাসীর মারুফ


মন্তব্য