kalerkantho

26th march banner

ভালো থাকুন

২১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ

দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগে প্রাথমিকভাবে খাবারে অনীহা, বমি বমি ভাব, প্রস্রাবের পরিমাণে তারতম্য, ঝিমুনি, ক্লান্তি প্রভৃতি উপসর্গ দেখা দিতে পারে, যেগুলোকে রোগী সাধারণ ক্লান্তি বা দুর্বলতাজনিত বলে এড়িয়ে যান—চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন না। ফলে রোগ ধরা পড়তে অনেকটা দেরি হয়ে যায়। উপসর্গ নিয়ে যখন রোগী চিকিৎসকের কাছে হাজির হন ততক্ষণে হয়তো কিডনির কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায় ৮০ শতাংশের বেশি। অনেক ক্ষেত্রে কার্যকারিতা নষ্ট হওয়ার শেষ ধাপে না পৌঁছা পর্যন্ত কোনো উপসর্গই ধরা পড়ে না। এ পর্যায়ে রোগীর ক্ষুধামান্দ্য, বমি, গা ম্যাজম্যাজ করা, ক্লান্তি, রাত্রিকালীন অতিরিক্ত প্রস্রাব, চর্মরোগ ছাড়াই শরীরে চুলকানি, শ্বাসকষ্ট, ঘুমের মধ্যে হাত-পায়ে হঠাৎ ঝাঁকুনি প্রভৃতি উপসর্গ দেখা দেয়। রক্ত-প্রস্রাব পরীক্ষায় ধরা পড়ে নানা অস্বাভাবিকতা-অসামঞ্জস্য। যাঁরা দীর্ঘস্থায়ী কিডনির রোগে ভোগেন তাঁদের উচ্চ রক্তচাপসহ হূদরোগের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়, পক্ষাঘাতের ঝুঁকি বাড়ে, অনেকের হূিপণ্ডের প্রকোষ্ঠ বড় হয়ে হার্ট ফেইলিওর হতে পারে। এ ছাড়া কিডনি অকেজো রোগীরা রক্তস্বল্পতায় ভোগেন; তাঁদের রক্তে চর্বির ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং ভিটামিন ‘ডি’-এর ঘাটতি দেখা দেয়।

ডা. মুনতাসীর মারুফ


মন্তব্য