kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৪ জানুয়ারি ২০১৭ । ১১ মাঘ ১৪২৩। ২৫ রবিউস সানি ১৪৩৮।


বিশেষ সাক্ষাৎকার : ড. মো. খালেকুজ্জামান

বাংলাদেশে পানিসম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন

২১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



বাংলাদেশে পানিসম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন

অধ্যাপক ড. মো. খালেকুজ্জামান ১৯৫৭ সালে কিশোরগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করে তিনি সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের আজারবাইজানে পড়তে যান।

সেখানে মাস্টার্স শেষ করে দেশে ফিরে ভূতাত্ত্বিক জরিপ দপ্তরে কাজ করেন ১৯৮২ থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ডেলাওয়ার থেকে উপকূলীয় ভূতত্ত্ব বিষয়ে ১৯৮৯ সালে মাস্টার ডিগ্রি এবং ১৯৯৮ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি পেনসিলভানিয়ার লক হ্যাভেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২২ মার্চ বিশ্ব পানি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে জলবায়ু পরিবর্তন, আন্তর্জাতিক নদী, পানিসম্পদ বিষয়ে গবেষণা ইত্যাদি নিয়ে সম্প্রতি মো. খালেকুজ্জামান দেশে এলে কালের কণ্ঠ’র সঙ্গে কথা হয়। কথা বলেছেন শারমিনুর নাহার

 

কালের কণ্ঠ : নদীমাতৃক বাংলাদেশে পানিসম্পদের প্রচুর সম্ভাবনা থাকলেও তাকে যথাযথভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হয়েছে কি?

মো. খালেকুজ্জামান : বাংলাদেশের মোট পানিসম্পদের মাত্র ৮.৫৬ শতাংশ দেশের অভ্যন্তর ও ৯১.৪৪ শতাংশ আসে দেশের বাইরে থেকে। ছোট-বড় ২৩০টি নদীর বেশির ভাগেরই উত্পত্তি দেশের সীমানার বাইরে। নদীগুলো বৃহত্তর গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা অববাহিকার নিম্ন প্রান্তে অবস্থিত। সব নদীর গন্তব্য আবার বঙ্গোপসাগর। নদী শুধু পানিই বহন করে না; পানিতে পলি বহন করা এই নদীগুলোর প্রধান বৈশিষ্ট্য। এই পলি জমেই কিন্তু আমাদের বদ্বীপ গড়ে উঠেছে।

বাংলাদেশের ভূ-প্রাকৃতিক গঠনটা নানাভাবে নষ্ট হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করতে গিয়ে আমরা বাঁধ দিয়েছি। কিন্তু পরে সেটাই হয়তো কোথাও কোথাও সমস্যা সৃষ্টি করেছে। এখন নগরায়ণের মাধ্যমে আমরা প্রকৃতিকে নষ্ট করছি। এ সম্পর্কে প্রস্তুতি, পরিকল্পনা, গবেষণা—সব কিছুরই ঘাটতি রয়েছে।

 

কালের কণ্ঠ : উজানে বাঁধ তৈরির কারণে এখন ভাটিতে পলি কম আসছে। এগুলোর সমাধান কিভাবে হবে?

মো. খালেকুজ্জামান : আমাদের আন্তর্জাতিক নদীগুলোর একটা বড় অংশ ভারতে। তিস্তা, ফারাক্কা, টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে প্রচুর কথা হয়। কিন্তু এর বাইরে অনেক বিষয় আছে, যেগুলো নিয়ে কথা প্রায় হয়নি। যেমন ফারাক্কা পয়েন্টে গঙ্গা নদী পৌঁছানোর আগেই নদীর ওপরে শতাধিক বাঁধ আছে। ফলে ফারাক্কা পয়েন্টে পলি বা পানি কোনোটাই আগের মতো এসে পৌঁছায় না। আগেই পানি শুকিয়ে যায়। তিস্তার ব্যাপরটা হলো, এর দুই পারের যে অববাহিকা, মানে নদীর দুই পারের অঞ্চল—পানি না থাকার কারণে এ অঞ্চলের দৃশ্য পাল্টে যাচ্ছে। এখানে একটি কথা বলতে চাই, যদি তিস্তা চুক্তি আমরা করতে পারি, তাহলেও আমি অনেকটাই নিশ্চিত যে বাংলাদেশ তিস্তা থেকে পানি পাবে না। এর কারণ আমাদের পানি দেওয়ার সক্ষমতাটাই আর তাদের নেই, যদিও ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে এ চুক্তি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হয়তো এটা হবেও; কিন্তু আমরা তেমন লাভবান হতে পারব না। শিলিগুড়ির আরো ওপরে তিস্তার উত্পত্তি। সেখান থেকে এই পানি টেনে নেওয়া হয় উত্তর দিনাজপুর হয়ে মালদহ। এই এত দূর যেতেই সব পানি শেষ। এই পানি নেওয়া হয় কৃষিকাজের জন্য। আবার তিস্তা থেকে পূর্ব দিকে জলঢাকা নদী। এই জলঢাকা নদী থেকে কতগুলো ডাইভারশন ক্যানেলের মাধ্যমেও পানি সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ফলে দুই দিকেই বিশাল বিশাল প্রকল্প। এ প্রকল্পগুলোর কিছু পশ্চিমবঙ্গ সরকারের হাতে, আবার কিছু কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে। জাতীয় সেচ প্রকল্প হিসেবে এগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

ভারতের নিয়ম অনুযায়ী যখন কোনো প্রকল্পকে জাতীয় প্রকল্পের মর্যাদা দেওয়া হয় তখন সে প্রকল্পের ৯০ শতাংশ খরচ কেন্দ্রীয় সরকার বহন করে। ফলে এসব প্রকল্প কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে। অথচ কেন্দ্রীয় সরকার সব সময় বলে আসছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার যেহেতু রাজি হচ্ছে না, তাই আমরা সমাধান করতে পারছি না। কিন্তু কার্যত তিস্তা সমস্যার সমাধান পুরোটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে নেই। এসব প্রকল্প মমতা ক্ষমতায় আসার অনেক আগে থেকেই ছিল। ১৯৯৬ সাল থেকে। তখন তো মমতা ছিলেন না। এটাই বাস্তবতা। আমাদের জন্য খুবই দুর্ভাগ্যও বটে। তিস্তা নিয়ে অনেক কথা হয়, ছেলে ভোলানো কথা; কিন্তু এটা সমাধানের পর্যায়ে নেই। এই সমাধান তখনই সম্ভব, যদি তারা মনে করবে যে তাদের সেচ প্রকল্পগুলো সরিয়ে নেবে। কিন্তু এটা তো দেশের ভেতরের সবাই মানবে না। কারণ প্রচুর কৃষক সেখান থেকে লাভবান হচ্ছে।

 

কালের কণ্ঠ : তিস্তা নিয়ে এমন বাস্তবতা জানার পরও চুক্তি হলে তার সফলতা কতখানি?

মো. খালেকুজ্জামান : এসবের পরও চুক্তি হতে হবে। কারণ চুক্তি হলে আমাদের কথা বলার একটা অধিকার থাকবে। তখন আমরা জোর গলায় বলতে পারব যে তুমি দেবে না কেন? দ্বিতীয়ত, এটা সরকারের একটা বিজয়। রাজনৈতিক সাফল্য হবে যদি সরকার সেটা করতে পারে।

 

কালের কণ্ঠ : গঙ্গা চুক্তিতেও বাংলাদেশ আশাবাদী ছিল। কিন্তু এখন নিয়মানুযায়ী পানি না পেলেও আমরা তা বলতে পারি না।

মো. খালেকুজ্জামান : হ্যাঁ, সরকার গঙ্গা চুক্তি নিয়ে এক ধরনের অস্বস্তিতে ভোগে। তাই একটু এড়িয়ে যায়। গঙ্গা চুক্তি ২০০৮ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত যদি ধরি, তাহলে দেখব আমরা চার ভাগের এক ভাগ পানি পাই না। চুক্তি থাকার পরও যে আমরা পানি পাচ্ছি না, এটা নিয়ে আমরা কিছু বলি না। কারণ এটা খুব স্বস্তিদায়ক নয় যে সরকার তার দুর্বলতা প্রকাশ করবে।  

 

কালের কণ্ঠ : দেশে অসময়ে বন্যা হচ্ছে। এর কারণ কী?

মো. খালেকুজ্জামান : অসময়ে বন্যার একটা প্রধান কারণ নদী অববাহিকা অঞ্চল নষ্ট করে ফেলা। ভূমি ব্যবস্থাপনায় আমাদের চরম দুর্বলতা রয়েছে। আমরা নানাভাবে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, ভবন তৈরি করে পানির নিয়মানুয়ায়ী আর তাকে চলতে দিচ্ছি না। বৃষ্টি হলেও পানি নদীতে যেতে পারছে না। দ্বিতীয়ত, সারা বিশ্বেই আবহাওয়ার পরিবর্তন হচ্ছে। এর ফলে বৃষ্টিপাতের ধরন পাল্টে যাচ্ছে। ধীরে ধীরে আরো পরিবর্তন হবে।

 

কালের কণ্ঠ : একটু বৃষ্টি হলেই ঢাকা শহর জলমগ্ন হয়ে পড়ছে। এর প্রতিকার কিভাবে করা যায়?  

মো. খালেকুজ্জামান : খুবই খারাপ সময়ে উপস্থিত হয়েছি আমরা। এখনই যদি জলাবদ্ধতার প্রতিকার করা না যায়, তাহলে সামনে খুব বিপদ। বিভিন্ন সময় এসব বিষয় আলোচনায় এসেছে, যদিও প্রতিকার হয়নি। তাই আবারও বলতে হচ্ছে। ঢাকা শহরের এ অবস্থা তৈরির পেছনে কিছু কারণ রয়েছে। প্রথমত, আমরা স্বাভাবিক প্রবাহ নষ্ট করে ফেলেছি। আমরা যে সায়েন্স পড়ি, মানে হাইড্রোলজি, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, সেখানে পানির কিছু সূত্র বা নিয়ম শেখানো হয়। যেমন আপনি যদি অনেকটা অঞ্চলজুড়ে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট করেন, তাহলে বৃষ্টির কারণে বাড়তি কিছু পানিপ্রবাহ তৈরি হবে। কারণ পানি তখন স্বাভাবিকভাবে মাটির নিচে চোয়াতে পারবে না। বাড়তি পানি তৈরি হলো নগরায়ণের জন্য। এই পানি সরানোর রাস্তা থাকতে হবে। তাই নগরায়ণের আগে জলাশয় বা খাল-বিলের যে আয়তন ছিল তা আরো বাড়াতে হয়; যেগুলো নগরায়ণের ভিত্তিতে আনুপাতিক হারে বাড়াতে হয়। এটা খুবই সাধারণ বিষয়। বাড়িতে যদি পানির প্রবাহ বেশি থাকে, তাহলে ড্রেনের পাইপ বড় করতে হয়। তেমনি এটাও, ঢাকা শহরে যা আমরা করছি, তা হলো বাড়ানো, তা-ও আনুপাতিক হারে—এসবের কোনোটাই না করে বরং দখল করছি। দ্বিতীয়ত, ঢাকা শহরের জলাবদ্ধতার আরেকটি কারণ যথাযথ ড্রেনেজ কাঠামো না থাকা। পৃথিবীর বিভিন্ন শহরে নিচে ড্রেনেজ সিস্টেম থাকে। সেখানে বৃষ্টির পানি সব আন্ডারগ্রাউন্ড ড্রেনেজে গিয়ে পড়ে। ড্রেনগুলো সেই পানিকে ধারণ করে নদীতে ফেলে দেয়। ঢাকা শহরে যে আয়তন, তার মাত্র ৩০ শতাংশ অঞ্চলে ওয়াসা এমন ড্রেনেজ নেটওয়ার্ক তৈরি করতে পেরেছে। বাকি ৭০ শতাংশে এখনো কোনো ব্যবস্থা নেই। আর এটা তো সবারই জানা যে আমাদের দেশে ড্রেনের কী করুণ অবস্থা।

বিষয়গুলো যদি একসঙ্গে যুক্ত করি, যেমন ড্রেন নেই, যা আছে তার করুণ অবস্থা, বাড়তি নগরায়ণের জন্য জলাশয় না বাড়ানো—এ সবই অল্প বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার কারণ। কোনো জাদুর কাঠির স্পর্শে এসব সরে যাবে না। তাই সামনে আমাদের জন্য মহাদুর্যোগ অপেক্ষা করছে। রাজনৈতিক কারণে কেউ কেউ হয়তো আশ্বাস দেবেন; কিন্তু সেগুলোর ব্যাপারে যদি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বিজ্ঞানভিত্তিক না হয়, তাহলে সত্যি এ সমাধান চাইলেই আমরা করতে পারব না।

 

কালের কণ্ঠ : বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে পরিবর্তনগুলো কী? এসবের সমাধানের জন্য কী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে?

মো. খালেকুজ্জামান : বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠ তিন থেকে চার মিলিমিটার পরিমাণ প্রতিবছর ওপরে উঠে আসবে। এটা সারা বিশ্বে হবে। মানে তিন থেকে চার মিলিমিটার হলো বৈশ্বিক মাত্রা। এখন এগুলোর আবার কিছু স্থানীয় মাত্রা আছে। এটা উদ্বেগজনক যে এই মাত্রাটা বাংলাদেশে কয়েক গুণ বেশি হবে। শুধু কক্সবাজারে সে মাত্রা ২৩ মিলিমিটার হবে। মানে প্রায় সাত গুণ বেশি সমুদ্র ওপরে উঠে আসবে। এসব কম-বাড়া নানা ধরনের ভূতাত্ত্বিক কারণে হয়ে থাকে; যে কারণগুলোর কোনোটা মানুষের সৃষ্ট আবার কোনোটা প্রাকৃতিক। উপকূল যেহেতু সমান্তরাল এলাকা, তাই একটু পানি বাড়লেই সৈকত অনেক ভেতরে ঢুকে যাবে। সেটাকে একমাত্র কাউন্টার দিতে পারে মিঠা পানি। যদি আমরা মিঠা পানির উৎস বাড়াই, তাহলেই এটা একটা সমতার মধ্যে আনা যেতে পারে। জোয়ারের সময় স্বাদু পানি আর মিঠা পানি মুখোমুখি হয়। তখন সমুদ্রের পানিটা ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করে আর নদীর পানি এটাকে থামাতে চেষ্টা করে। তাই যদি নদীর পানিপ্রবাহ কমে যায়, তাহলে সমুদ্রের পানি ভেতরে ঢুকে যাবে। নদীর পানিপ্রবাহ বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পলির প্রবাহও বাড়ানো প্রয়োজন। লবণাক্ততা বেড়ে গেলে ভয়ানক ক্ষতি হবে। এখনো নদীগুলোতে যে পানি ও পলি রয়েছে সেগুলোও কাজ করতে পারে না। কারণ নদীতে বাঁধ দেওয়া। ফলে ভেতরের জোয়ারের পানি ঢুকতে পারে না। তাই বেড়িবাঁধের ভেতরের অঞ্চলগুলোতে কিভাবে পলির স্তরায়ণ ঘটানো যায় সেটা ভাবতে হবে। আমাদের উপকূলীয় অঞ্চলে এখন ১২৩টি প্রকল্প আছে। এগুলো নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। বাংলাদেশে যদি সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা তিন ফুটের মতো ওপরে উঠে আসে, তাহলে জাতিসংঘের যে রিপোর্ট (ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অব ক্লাইমেট চেঞ্জ) তাতে ২০৫০ সালে লবণাক্ততা ২২ শতাংশ বা ২৫ শতাংশের বেশি বাড়বে এবং ২৫ থেকে ২৮ মিলিয়ন লোক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

 

কালের কণ্ঠ : এগুলো সমাধানের জন্য কি যথেষ্ট প্রস্তুতি, গবেষণা আমাদের আছে?

মো. খালেকুজ্জামান : আসলে বিজ্ঞানের কোনো বিকল্প নেই। সমাজকে প্রথমে বিজ্ঞানভিত্তিক করা দরকার, যৌক্তিক করা দরকার। গবেষণার মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা যে ধরনের পরামর্শ দেবেন সেগুলো আমলে নিয়ে যদি কিছু প্রকল্প করা যায়, তাহলে অবশ্যই সফল হওয়া যাবে। যেমন পলি পুনরুদ্ধার প্রকল্প, ক্রস বাঁধ প্রকল্প, জলাবদ্ধতার জন্য গবেষণা ইত্যাদি। আর আমাদের এখানে সত্যি গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত ফান্ড নেই। বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট, রাজশাহী ইত্যাদি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা খাতে বাজেট অপ্রতুল। আবার সরকারের নানা উন্নয়ন প্রকল্প অনেক সময় জনবান্ধব হচ্ছে না। এগুলোও ভাবতে হবে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, একটি বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে সমস্যাগুলো দেখা এবং সে অনুযায়ী সমাধান করা।

 

কালের কণ্ঠ : আমাদের সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

মো. খালেকুজ্জামান : কালের কণ্ঠকেও ধন্যবাদ।


মন্তব্য