kalerkantho


মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত বনাম বিকৃত ইতিহাস ও রাজনীতি

ড. মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী

১৫ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত বনাম বিকৃত ইতিহাস ও রাজনীতি

আমরা স্বীকার করি অথবা না-ই করি, বাংলাদেশের সমাজ ও রাজনীতিতে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত বনাম বিকৃত ইতিহাস ও রাজনীতি এখন পরস্পরবিরোধী দুই মতাদর্শের অনাকাঙ্ক্ষিত একটি বাস্তবতা। এমন অনভিপ্রেত বাস্তবতা পৃথিবীর অন্য কোনো স্বাধীনতাপ্রাপ্ত দেশের ক্ষেত্রে খুব একটা দেখা যায় না।

অথচ দুঃখজনক হলেও বাংলাদেশে এমন বেদনাদায়ক বাস্তবতাকে আমাদের মেনে চলতে হচ্ছে। সেখান থেকেই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বনাম বিপক্ষের শক্তির ধারণার বিষয়টি বহুলভাবে দেশে আলোচিত হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে পরস্পরবিরোধী দুটি অবস্থান আমাদের প্রত্যক্ষ করতে হচ্ছে। একটি পক্ষ অবশ্য স্বীকার করতে নারাজ যে তারা মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের বিপক্ষের শক্তি। সেটি মেনে নিলে অবশ্য তাদের দেশবিরোধী অবস্থান প্রমাণিত হয়ে যায়। সে কারণেই তারা তা মানবে—এমনটি ভাবার কোনো কারণ নেই। বরং তারা এও দাবি করছে যে তারাই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের একমাত্র শক্তি। অথচ মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাসকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন ও বিকৃত ইতিহাসকে সম্বল করেই সমাজ ও রাজনীতিতে তাদের উত্থান ঘটেছে—এটি তথ্য-উপাত্ত দিয়ে প্রমাণ করা মোটেও অসম্ভব ব্যাপার নয়। বাস্তবতা হচ্ছে, ইতিহাস অস্বীকার করার মনোবৃত্তি যাদের রয়েছে তাদের পক্ষে ঐতিহাসিক সত্যকে স্বীকার করা বেশ কঠিন।

বাংলাদেশে ১৯৭১ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা, এর মৌলনীতি, মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব ও এর অর্জনসহ কোনো বিষয় নিয়েই কোনো মহলে বিভ্রান্তির চেষ্টা খুব একটা পরিলক্ষিত হয়নি। তবে কিছু কিছু উগ্র বাম ও তত্ত্বসর্বস্ব গোষ্ঠী মুক্তিযুদ্ধকাল থেকেই মুক্তিযুদ্ধকে তাদের বিশ্বাসের বিপ্লবে রূপান্তরিত করার কথা বলার চেষ্টা করেছে। তবে গণভিত্তি না থাকায় জনমনে বা দেশের সামগ্রিক রাজনীতিতে তাদের প্রভাব তেমন একটা ছিল না। কিন্তু ১৯৭৫ সালের আগস্ট-নভেম্বরের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ও সরকার উত্খাতের ঘটনাবলি নিতান্ত একটি সরকার পরিবর্তনের বিষয় ছিল না, এটি ছিল দেশি-বিদেশি নানা অপশক্তির গোপন একটি পরিকল্পিত যড়যন্ত্র; যারা মুক্তিযুদ্ধের ভাবাদর্শে বাংলাদেশ গঠনের ধারা থেকে দেশটাকে সরিয়ে নিতে বদ্ধপরিকর ছিল, একইভাবে ১৬ ডিসেম্বর পরাজিত পাকিস্তানের ভাবাদর্শের রাষ্ট্রব্যবস্থার একটি নতুন সংস্করণ ঘটানোর গভীর ষড়যন্ত্র লুকানো ছিল। তাদের পরিকল্পনাটি ছিল বেশ সুদূরপ্রসারী। মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য তারা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী কিছুসংখ্যক প্রভাবশালী সামরিক-বেসামরিক ব্যক্তিকে সম্মুখে নিয়ে অগ্রসর হয়েছিল, যা সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা বেশ কঠিন ছিল। ভেতরে ও বাইরে নীতিনির্ধারণী ক্ষেত্রে একাত্তরের পরাজিত শক্তির দোসররা সক্রিয় ছিল, বাম-হঠকারী গোষ্ঠী, সুবিধাবাদী, সাবেক মুসলিম লীগ ভাবাদর্শের ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর কর্তৃত্ব ছিল। একদিকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির ওপর হত্যা, জুলুম-নির্যাতন ও বৈরী পরিবেশ প্রবলতর করা হলো; অন্যদিকে রাষ্ট্রক্ষমতার পৃষ্ঠপোষকতায় মুক্তিযুদ্ধবিরোধী নতুন একটি শক্তিকে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা থেকে বেড়ে ওঠার সুযোগ করে দেওয়া হলো। বস্তুত মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের শক্তিকে অবরুদ্ধ রেখে দেশে ধর্ম, সাম্প্রদায়িকতা, ভারতবিরোধী ও বঙ্গবন্ধুবিরোধী প্রচার-প্রচারণাকে উজ্জীবিত করা হলো। মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বিভ্রান্ত করার লক্ষ্যে ভিন্নধারার নতুন রাজনৈতিক মতাদর্শ তৈরির সোপানটি গড়ে তুলতে মোটেও ভুল করেনি। খুব সচেতনভাবেই মুক্তিযুদ্ধের মন্ত্রদাতা স্লোগান ‘জয় বাংলা’ বাদ দিয়ে ‘জিন্দাবাদের’ আমদানি করা হলো, রাষ্ট্রীয় কাজে। ১৯৭৭ সালে সামরিক ফরমানবলে সংবিধানে এমনই নানা পরিবর্তন আনা হলো, ‘জাতীয় মুক্তির জন্য একটি ঐতিহাসিক সংগ্রাম’-এর পরিবর্তে ‘জাতীয় স্বাধীনতার জন্য একটি ঐতিহাসিক যুদ্ধ’ ধারণাটি সংবিধানে যুক্ত করা হলো। জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার ধারণাকে সাম্প্রদায়িক ব্যাখ্যায় উপস্থাপন করা হলো। মূলত বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উদারবাদী ভাবাদর্শকে প্রশ্নবিদ্ধ করার মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা থেকেই এসবের প্রবর্তন করা হলো। সংবিধানে এসব পরিবর্তন করার এখতিয়ার ক্ষমতা দখলকারী সরকারের ছিল না। সংবিধানে এসব পরিবর্তন আনার সে রকম কোনো দাবিও কেউ করেনি। স্বতঃপ্রণোদিত হয়েই এসব করার উদ্দেশ্য ছিল বঙ্গবন্ধু সরকার ধর্মবান্ধব নয়, ধর্মবিরোধী ছিল—এমনটি দেখিয়ে রাজনীতিতে সুবিধা আদায় করা। যেসব পরিবর্তন এরই মধ্যে আনা হলো তার সব কটিই মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক আদর্শ ও চেতনার পরিপন্থী লক্ষ্য থেকেই করা হয়েছিল।

দুঃখজনক অভিজ্ঞতা হলো, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার জিয়াউর রহমান সেই প্রতিক্রিয়াশীল ধারার মূল উদ্যোক্তা হলেন, ওই ধারার রাজনৈতিক দল গঠনের মাধ্যমে তিনি দেশের রাজনীতিতে সাম্প্রদায়িক ধারার মেরুকরণের ব্যবস্থা করেছেন। এর ফলে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রতিপক্ষ শক্তির অবস্থান ক্রমেই শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ পায়, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ সেই পরিস্থিতিতে নানা কঠিন ও বৈরী পরিস্থিতির মুখোমুখি পতিত হয়। রাজনীতিতে সেই থেকে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের বিপরীতে একটি বিপরীত ধারার বিস্তার ঘটানোর সুযোগ করে দেওয়া হলো। রাজনীতিতে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষাব্যবস্থায় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নতুনভাবে লেখার নামে বিকৃতি ঘটানো শুরু করা হয়। সেভাবেই শুরু করা হলো মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর জায়গায় জিয়াউর রহমানকে প্রতিস্থাপনের জবরদস্তির প্রক্রিয়া। বিশেষভাবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নানাভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করা, এর নেতৃত্বকে হেয় করার মাধ্যমে একটি মুক্তিযুদ্ধবিরোধী প্রজন্ম তৈরির জন্য এই শক্তি পাঠ্যপুস্তকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ক্রমাগতভাবে বিকৃতি ঘটাতে থাকে। ১৯৭৮ সালপরবর্তী সময়ে প্রকাশিত স্কুল পাঠ্যপুস্তকে চট্টগ্রাম স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণার প্রসঙ্গটি গুরুত্ব দেওয়া হয়, বঙ্গবন্ধুর ওই ঘোষণার প্রচারে এম এ হান্নান ও মেজর জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করা হয়। একটি দেশের স্বাধীনতার ঘোষণা কে দিতে পারেন বা কার নামে আসতে পারে, তা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বের ভালোভাবে জানা ছিল। তারা ১০ এপ্রিলের ঘোষণাপত্রে সে কারণেই যথাযথভাবে তা লিপিবদ্ধ করেছে। ফলে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বা ১৯৭৮ সাল পূর্বপর্যন্ত বাংলাদেশে ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে কোনো বিতর্ক সৃষ্টি হয়নি। এর আগে শিক্ষাব্যবস্থার কোনো স্তরের পাঠ্যপুস্তকে ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার জন্য চট্টগ্রাম স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত বিষয়কে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ১৯৭৮-৭৯ সালে পাঠ্যপুস্তকে সর্বপ্রথম বঙ্গবন্ধুর পক্ষে আওয়ামী লীগ নেতা এম এ হান্নানের পর ২৭ মার্চ অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বাঙালি সামরিক কর্মকর্তা মেজর জিয়াউর রহমানের একটি ঘোষণার কথা উল্লেখ করা হয়।

১৯৯১ সালের পর এম এ হান্নানের নাম পাঠ্যপুস্তক থেকে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়, জিয়াউর রহমানের ছবি ও নাম গুরুত্ব পেতে থাকে। এর ফলে নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের রাজনৈতিক নেতৃত্ব সম্পর্কে দ্বিধাদ্বন্দ্ব ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার পর চারদলীয় জোট সরকার পাঠ্যপুস্তক থেকে সম্পূর্ণরূপে বঙ্গবন্ধুকেই সরিয়ে দিয়ে জিয়াউর রহমানকে এককভাবে প্রতিষ্ঠিত করে। শুধু তা-ই নয়, বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানি বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণকারী, আওয়ামী লীগ নেতাদের ভারতে পলায়নকারী হিসেবে পাঠ্যপুস্তকে উপস্থাপন করা হয়। জিয়াউর রহমানকে ‘সময়ের সাহসী সন্তান’ হিসেবে আখ্যায়িত করে গোটা মুক্তিযুদ্ধ তাঁর নেতৃত্বে সংঘটিত হয়েছে—এমনটিই পাঠ্যপুস্তকে তুলে ধরা হয়। এমনকি ২০০৪ সালে জিয়াউর রহমানের নামে একটি নকল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ১৬ খণ্ডের দলিলপত্রের তৃতীয় খণ্ডে সংযুক্ত করা হয়। ২০০৫ সালের পাঠ্যপুস্তকে সেই দলিলের উদ্ধৃতি ব্যবহার করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের এমন বিকৃত ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে লেখার বিষয়ে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটসহ সব উগ্র বাম ও ডান পন্থায় বিশ্বাসীদের সমর্থন ছিল। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি বলেও বিএনপির শীর্ষপদ থেকে দাবি করা হয়েছে, অত্যন্ত আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি নিয়ে, মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিএনপির এসব কথাবার্তা, ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের সঙ্গে জোট বেঁধে রাজনীতি করা, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে দ্বিমুখী নীতি প্রদর্শন করা, দেশের অসাম্প্রদায়িক ধারার কোনো দলের সঙ্গে রাজনৈতিক ঐক্য বা সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার কোনো ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার নজির না থাকায় বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান একেবারেই স্পষ্ট হয়ে গেছে। তিন দশকের অধিক সময় ধরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপিকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক মুক্তিযুদ্ধের বিকৃত যে ধারাটির উত্থান ও বিকাশ ঘটেছে সেটির শক্তি, প্রভাব ও ভোটের স্থিতি মোটেও কম নয়। এটি যে সত্যকে উন্মোচন করছে তা হচ্ছে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের অভিন্ন আদর্শের ধারা দেশের রাজনীতির উভয় মেরুতে সমানভাবে অবস্থান করছে না বা গুরুত্ব পাচ্ছে না। নানা সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগ ও আরো কিছু দলের রাজনীতিতে মুক্তিযুদ্ধের প্রাসঙ্গিকতা এখনো যথেষ্ট রয়েছে, অথচ বিএনপির নেতৃত্বের ধারাটি শুরু থেকেই মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনাকে নানাভাবে প্রশ্নবিদ্ধ, দখল, উপেক্ষা, বিকৃত ও প্রত্যাখ্যান করে আসছে। দেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার প্রতি এমন পরস্পরবিরোধী বিভাজিত অবস্থা দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতার জন্য খুবই আতঙ্কের এবং অগ্রহণযোগ্য বিষয়। রাজনীতিতে এমন বিভাজন প্রমাণ করে যে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এখন দেশের বিরাট একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর কাছে অবহেলিত বিষয়, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসও একইভাবে তাদের কাছে উপেক্ষিত হচ্ছে। ফলে নতুন প্রজন্মের যে অংশ তাদের রাজনীতিতে আকৃষ্ট হচ্ছে তারা মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা থেকেই বিচ্যুত হচ্ছে, বিকৃত ধারণায় বেড়ে উঠছে। বিএনপি ও তাদের জোটভুক্ত ভোটার, সদস্য, সমর্থক ও নেতাদের জীবনেও মুক্তিযুদ্ধের শৌর্য-বীর্য, চেতনা ও প্রেরণার কোনো গুরুত্বই থাকছে না। কোনো স্বাধীন দেশে এমনটি কি মেনে নেওয়া যায়? এ ধরনের বাস্তবতায় বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও ভবিষ্যৎ মোটেও নিরাপদ থাকার কথা নয়। সুতরাং রাজনীতি ও শিক্ষা সচেতন মহলকে বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হবে।

লেখক : অধ্যাপক ও ডিন, সামাজিক বিজ্ঞান, মানবিক ও ভাষা অনুষদ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়


মন্তব্য