kalerkantho

রবিবার। ২২ জানুয়ারি ২০১৭ । ৯ মাঘ ১৪২৩। ২৩ রবিউস সানি ১৪৩৮।

ভালো থাকুন

১৪ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



ভালো থাকুন

বার্জারস ডিজিজ

বার্জারস রোগে রক্তনালির ভেতর প্রদাহের ফলে নালির ভেতর রক্ত চলাচলের পথটি সরু হয়ে সংশ্লিষ্ট অংশে রক্ত সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়। এতে সাধারণত মাঝারি আকারের রক্তনালি, বিশেষত হাত ও পায়ের রক্তনালি আক্রান্ত হয়। পরবর্তী সময়ে তা নিকটবর্তী স্নায়ুতেও ছড়িয়ে পড়ে। রোগের প্রাথমিক পর‌্যায়ে কিছু দূর হাঁটার পর অথবা দৌড়ানোর পর রোগী পায়ের মাংসপেশিতে ব্যথা অনুভব করে। বিশ্রাম নিলে ব্যথা কমে যায়। কিন্তু প্রাথমিক পর‌্যায়েই যত্নবান না হলে পরে রোগের তীব্রতা বেড়ে এমনকি বসে থাকা বা বিশ্রামরত অবস্থায়ও ব্যথা হতে থাকে। একপর‌্যায়ে পায়ে ঘা হয় এবং শেষে পচন ধরে। পায়ের আঙুল থেকে পচন ধীরে ধীরে ওপরের দিকে উঠতে থাকে। পচনের ফলে পা কেটেও ফেলতে হয় অনেকের। শুধু ধূমপায়ীদেরই এ রোগ হয়ে থাকে। তাই বার্জারস রোগাক্রান্ত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণের হাত থেকে রক্ষা পেতে চাইলে ধূমপান থেকে বিরত থাকুন। এ ছাড়া জীবনযাপনের ধারা পরিবর্তন, খালি পায়ে চলাচল না করা, বিশেষ ধরনের জুতা ব্যবহার, রোগের শুরুতেই সতর্ক হওয়া, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ওষুধ সেবনের মাধ্যমে রোগটিকে নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে।

ডা. মুনতাসীর মারুফ


মন্তব্য