kalerkantho


ইউপি নির্বাচনেও ইসির দুর্নাম ঘুচল না

কাজী সিরাজ

১৪ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



ইউপি নির্বাচনেও ইসির দুর্নাম ঘুচল না

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের প্রথম ধাপ অনুষ্ঠানের আগেই নির্বাচনটি কেমন হবে তার একটা ধারণা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ৭৩৮টি ইউনিয়নে নির্বাচন হওয়ার কথা এই ধাপে।

কিন্তু এরই মধ্যে অর্ধশতাধিক চেয়ারম্যান পদে শাসক লীগের প্রার্থীরা ‘বিনা যুদ্ধে রাজ্য জয়ের’ মতো কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই চেয়ারম্যান হয়ে গেছেন। ধারণা করা হচ্ছে আরো প্রায় ১০০ আসনে অনেকটা ফাঁকা মাঠেই গোল দেবেন সরকারদলীয় প্রার্থীরা। বিএনপি অভিযোগ করেছে যে তাদের শতাধিক প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র জমাই দিতে দেয়নি সরকার দলের পালোয়ানরা। যেসব আসনে তাঁদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে বাধা দেওয়া হয়েছে সেসব আসনে তাঁরা পুনঃ তফসিল ঘোষণা করে সব প্রত্যাশী-প্রতিদ্বন্দ্বীকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের কাছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) তাঁদের কথায় কর্ণপাত করেনি। দখলে যাবে ক্ষমতাসীন দল। ক্ষমতাসীন দলের দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, বিএনপি নাকি তাদের অভিযোগকৃত আসনগুলোয় প্রার্থীই খুঁজে পায়নি। এটা কোনো বিশ্বাসযোগ্য কথা? বিএনপির কথা বাদ দিলাম, বাংলাদেশে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অর্ধশতাধিক প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে যাওয়া একটি বিরল ঘটনা। পারিবারিক, আঞ্চলিক, গ্রামভিত্তিক প্রতিযোগিতার কারণে স্থানীয় এই নির্বাচনে প্রার্থীর আধিক্য অনেক সময় ভোটারদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। প্রায় সব প্রার্থীই হন ভোটারদের হয় নিকটাত্মীয়, স্বজন কিংবা ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব। তেমন জায়গায় এক দলের একজন ছাড়া কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী থাকবে না এটা হয় না। কখন কিভাবে তা হয়, মানুষ এখন দেখছে ও বুঝছে। এ অভিজ্ঞতা কিন্তু ভালো নয়।

এ অভিজ্ঞতা বাংলাদেশে এই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেই প্রথম নয়। অতিসম্প্রতি ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম সংসদ নির্বাচন থেকেই দেশের মানুষের এমন অভিজ্ঞতা হচ্ছে। ৩০০ আসনের জাতীয় সংসদে ১৫৩ আসনে কোনো নির্বাচন, কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই হয়নি। অদ্ভুত এক সমঝোতার গণতন্ত্রের কথা বলেছেন শাসক লীগের নেতারা। বলেছেন, তাঁদের জোটসঙ্গী এরশাদের জাতীয় পার্টির সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে তাঁরা ১৫৩ আসন ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। বিএনপি সমঝোতায় এলে তাদেরও কিছু আসনে ভাগ দেওয়া হতো। আইয়ুব খানের ‘আশি হাজার ফেরেশতার’ তথাকথিত মৌলিক গণতন্ত্রও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের কাছে ফেল! বাকি ১৪৭ আসনেও আমরা আর আমাদের মামুরা। ভোটারবিহীন ওই নির্বাচনে সিল মারামারির সচিত্র চিত্র প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে দেখেছে ও জেনেছে দেশ-বিদেশের মানুষ। সর্বত্র সেই নির্বাচনের কঠোর সমালোচনা হয়েছে। বন্ধুপ্রতিম বহু রাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগীরা, এমনকি জাতিসংঘসহ দায়িত্বশীল আন্তর্জাতিক অনেক সংস্থা সেই নির্বাচনকে অগ্রহণযোগ্য বলেছে। অনেকেই তাদের অবস্থান এখনো পরিবর্তন করেনি। বাংলাদেশে দ্রুত একটি অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের কথা তারা এখনো প্রায়ই বলে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রাজশাহী ও গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তেমন হস্তক্ষেপ করেনি লীগ সরকার। নির্বাচনের ব্যাপারে তারা কিছুটা হলেও স্বচ্ছতা প্রমাণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মহলের আস্থা অর্জন করতে চেয়েছিল। তারা আশা করেছিল পাঁচটির মধ্যে তিনটিতে তারা জিতবে। গাজীপুরকে তারা বলে আওয়ামী লীগের জন্য দ্বিতীয় গোপালগঞ্জ। কিন্তু সীমিত সুযোগের মধ্যেও পাঁচটিতেই জিতেছেন বিএনপির প্রার্থীরা। গণরায়ে ভেসে গেছে শাসক লীগের দম্ভ। এরপর উপজেলা নির্বাচনের প্রথম দুই ধাপে যখন দেখা গেল শাসক লীগকে প্রায় ধরাশায়ী করে ফেলেছে জনগণ, নানা কৌশল অবলম্বন এবং প্রশাসনিক কারসাজির পরও উপজেলা চেয়ারম্যান পদে জিতে গেছেন বিএনপির প্রার্থীরা, জামায়াতের সঙ্গে অনেক উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদ ছেড়ে দিয়ে তলে তলে একটা সমঝোতার পরও ফলাফল সম্পূর্ণ অনুকূলে আনা গেল না, তখনই তৃতীয় ধাপ থেকে শেষ ধাপ পর্যন্ত নির্বাচনে জনগণকে আর তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়নি। মিডিয়ার বদৌলতে সব ফাঁস হয়ে গেছে দেশে ও বিদেশে। এরপর আওয়ামী লীগেরই শুধু জয়-জয়কার। এরপর পৌরসভা নির্বাচনে শাসকপক্ষ কোনো প্রকার ঝুঁকিই নিতে চায়নি। ন্যূনতম লাজ-লজ্জারও ধার ধারেনি। অনেকে জিতে গেছেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। নির্বাচন যেখানে হয়েছে সেসব স্থানে ভোটার আসা লাগেনি, ভোট পড়েছে পর‌্যাপ্ত। নৌকা মার্কা বলে কথা। দলীয়ভিত্তিক প্রথম একটি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ২৩৮টি পৌরসভায় যথেষ্ট লোকবল থাকা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন তার নিজস্ব তত্ত্বাবধানে নির্বাচন করেনি। অধিকাংশ পৌরসভায় নির্বাচন নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করেছেন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। ভোটের বাজারে একটা কথা প্রচলিত আছে যে ‘ওসি-ডিসি পক্ষে থাকলে ভোটে জেতার জন্য ভোটার লাগে না। ’ পৌর নির্বাচনে তেমনটাই হয়েছে। বিএনপির মতো বিপুল জনসমর্থিত দলের ভাগে পড়েছে ২৩৮ মেয়রের মধ্যে মাত্র ২৫ জন! অনেকের কাছেই তা বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়নি। জনমনে বদ্ধমূল ধারণা জন্মেছে যে পৌরসভা নির্বাচনে প্রশাসনকে ব্যবহার করে সরকারি দল প্রায় সব (বিএনপির ২৫টিসহ ৩০-৩২টি বাদে) মেয়র পদ দখলে রেখেছে। পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, দলীয় ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর মনোনয়ন প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রত্যয়ন সরকারি কর্মচারীদের ওপর একটা মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করেছিল। নৌকা মার্কার প্রার্থী মানে প্রধানমন্ত্রীর প্রার্থী। প্রধানমন্ত্রীর প্রার্থী হেরে গেলে নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, পুলিশ কর্মকর্তার কী থাকবে কপালে এমন ভাবনা জাগা অস্বাভাবিক নয়। শেখ হাসিনার স্থলে বেগম জিয়া হলেও একই প্রেশারে থাকত প্রশাসনের লোকজন। শাসক দল আওয়ামী লীগ প্রার্থী ‘জেতানোর’ জন্য কৌশলটা নিয়েছে বলে মনে করার যথেষ্ট কারণ আছে। তা না হলে যে কাজটি দলের দপ্তর সম্পাদকের বা সমপর‌্যায়ের দলীয় কর্মকর্তার, সে কাজটি দলের সভানেত্রীকে করতে হবে কেন? তিনি সরকারের প্রধানমন্ত্রী না হলে তা-ও একটা কথা ছিল। জনগণের ওপর আস্থা কম থাকলেই কোনো দলীয় সরকার নৈতিকতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার মতো এমন কাজ করতে পারে।

ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন স্তর। এতকাল এই স্তরের নির্বাচন হয়েছে নির্দলীয় ভিত্তিতে। গ্রামীণ সমাজের অনেক নির্দল ব্যক্তি, প্রকৃত জনসেবক, সমাজকর্মী ভালো মানুষ এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতেন। দেখা যেত একজন যোগ্য প্রার্থীর পক্ষে পরস্পরবিরোধী দলের নেতা-সমর্থকরা একযোগে কাজ করছে। দলীয় বিবেচনার চেয়ে এলাকার শিক্ষা-দীক্ষা, সামাজিক পরিবেশ, স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা-মক্তব, মসজিদ-মন্দির-গির্জা-প্যাগোডা, রাস্তাঘাট, পুল-কালভার্ট ইত্যাদির উন্নয়নের বিষয় ছিল বিবেচ্য। একসময় ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্ট এবং পরবর্তী সময়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে এলাকার শিক্ষিত গণ্যমান্য ব্যক্তিরাই বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নির্বাচিত হতেন। তাঁরা কাজও করতেন এলাকার উন্নয়নে। সাম্প্রতিককালেও নির্দলীয়, সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিরা ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার নির্বাচিত হতেন। ভোটে জেতার পরও তাঁরা কোনো দলের সঙ্গে যুক্ত হতেন না। এখন আর সেই সুযোগ নেই। দলীয়ভিত্তিক নির্বাচনে আর রাজনীতির বাইরের সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিদের বিজয়ী হওয়া তো দূরের কথা, শাসক দলের বা শক্তিধর দলের ভয় ও বাধার কারণে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করারই সুযোগ নেই। যেখানে বিএনপির মতো বিপুল জনসমর্থিত একটি দলই প্রার্থী দিতে হিমশিম খাচ্ছে, তা থেকে বাস্তবতাটা উপলব্ধি করা যায়। এর ফলে গ্রামীণ সমাজ স্বার্থত্যাগী, জনদরদি, নির্দল ভালো মানুষদের সেবা থেকে বঞ্চিত হবে। স্থানীয় সরকারের তৃণমূল স্তরের এসব নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন শাসক লীগকে আচরণবিধি ভঙ্গ, প্রতিদ্বন্দ্বী দলের প্রার্থীদের সরকারি শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে মনোনয়ন জমাদানে বাধা প্রদান, কেন্দ্র দখল এবং সিল মারামারি থেকে বিরত রাখতে পারছে না। বিরোধী বিএনপি উপর্যুপরি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ইসির প্রতি আহ্বান জানালেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে না। স্বাভাবিকভাবেই বিরোধীপক্ষের বক্তব্য সত্য বলে প্রমাণিত হয় যে বর্তমান রকিবউদ্দীন কমিশন লীগ সরকারের তাঁবেদার। অনেক অনিয়ম রোধের জন্য নির্বাচন কমিশনের যে ক্ষমতা আছে তার প্রয়োগই যথেষ্ট। কিন্তু রহস্যজনক কারণে ইসি তা-ও করছে না। ৭৩৮টি ইউনিয়ন পরিষদের প্রায় ১৫০টিতে অনিয়ম, ৬২ জন সরকারি প্রার্থী নির্বাচন ছাড়াই নির্বাচিত; বাকি প্রায় চার হাজার ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন কেমন হবে, তা ভাবতেই আতঙ্কিত হতে হয়। নির্দ্বিধায় বলা যায়, প্রথম ধাপের চেয়ে কোনো অবস্থায়ই ভালো হবে না। সর্বত্র হুমকি-ধমকির খবর পাওয়া যাচ্ছে। বিএনপিও অভিযোগ করছে। পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, দেশ-বিদেশে সরকারের জনপ্রিয়তা নিয়ে যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, তা ঘোচানোর লক্ষ্যে এবং চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখলবাজি, শিশু অপহরণ ও হত্যা, নারী ধর্ষণ ও হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাই, গুম, খুন ইত্যাদির ‘প্রকোপ’ বেড়ে যাওয়ায় দিন দিন জনবিচ্ছিন্ন হওয়ার আলামত যেভাবে স্পষ্ট হচ্ছে, তাতে শঙ্কিত লীগ সরকার একদিকে দলীয় প্রতীকে প্রার্থী জিতিয়ে এনে দলের জনপ্রিয়তা প্রমাণ করতে চায়; অন্যদিকে স্থানীয় সরকারে নিজেদের লোক বসিয়ে দিয়ে তাদের মাধ্যমে গ্রামে-গঞ্জে একটা ভিত নির্মাণ করতে চায়। এমন চেষ্টা পাকিস্তান আমলে আইয়ুব খানও করেছিলেন ৮০ হাজার বিডি মেম্বার দিয়ে। কিন্তু তা দিয়ে কি মসনদ রক্ষা করা গেছে? পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নির্দলীয় ভিত্তিতে হওয়াটাই ভালো ছিল। তাতে কিছু নির্দল ভালো মানুষ পাওয়া যেত এবং সেই নির্বাচনে সরকারি দল সমর্থিত প্রার্থীরা হেরে গেলেও কোনো গ্লানির বিষয় থাকত না, যেহেতু দলীয় প্রতীক নিয়ে হারতেন না প্রার্থীরা। অন্যদিকে নির্বাচিতরা এলাকার উন্নয়নের জন্য সরকারের কাছে আসতেনই। স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের সরকারের প্রকাশ্য বিরোধিতায় যাওয়া খুবই দুষ্কর। এখন আর সে সুযোগ থাকল না। তার পরও এই নির্বাচনের বাকি ধাপগুলোয় মোটামুটি নিরপেক্ষতা বজায় রাখলে ভোটে হারলেও রাজনীতিতে জিতবে সরকার। সরকার গণতান্ত্রিক নয়, তারা প্রায় একদলীয় কায়দায় রাষ্ট্র পরিচালনা করছে বলে দেশে-বিদেশে যে দুর্নাম কামাচ্ছে তা ঘুচত। নির্বাচনের ওপর ভোটার সাধারণের হারানো আস্থা পুনরুদ্ধার করা যেত। বিএনপি সব কিছু জেনেশুনেও ইউপি নির্বাচনে থাকছে পৌর নির্বাচনের মতো। তারা ঠিক হিসাবটিই কষেছে যে ভোটে তাদের জোর খাটিয়ে, প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে হারিয়ে দিলেও তারা রাজনীতিতে জিতবে। নোংরামিটা হচ্ছে ও হবে একেবারে তৃণমূল পর‌্যায়ে জনগণের চোখের সামনে। বিজ্ঞান-প্রযুক্তির এই যুগে গণতান্ত্রিক বিশ্বও দেখবে সব। ভোটের হারটা হবে সাময়িক, রাজনীতির জয়টা হবে দীর্ঘমেয়াদি। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি বিনা ভোটে সরকার গঠনের ক্ষমতা পেয়ে যাওয়ার যুক্তি দেখানো হয় বিএনপি নির্বাচনে না আসায়। স্থানীয় সরকার নির্বাচন তো হচ্ছে ইনক্লুসিভ। বিএনপিসহ সব দলই অংশ নিচ্ছে। এসব নির্বাচন কেন ২০১৪ সালের সংসদ নির্বাচনের মতো হবে?

লেখক : সাংবাদিক


মন্তব্য