kalerkantho

বাইকেরও চাই যত্ন-আত্তি

বাহন হিসেবে বাইকের সুবিধা অনেক। বিশেষ করে ঢাকার রাস্তার জ্যাম ঠেলে সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে বাইকের জুড়ি নেই। কিন্তু এই বাহনের নিরবচ্ছিন্ন সুবিধা পেতে সঠিক যত্ন নেওয়া চাই। জানাচ্ছেন আখতারুজ্জামান সোহাগ

১৩ আগস্ট, ২০১৭ ০০:০০



বাইক চালাতে গিয়ে প্রায়ই ছোটখাটো সমস্যায় পড়তে হয়। আর এ সমস্যায় পড়লে আমাদের ছুটে যেতে হয় সার্ভিসিং সেন্টারে। সেখানে মেলে সমাধান।

কখন সার্ভিসিং করবেন

বাইক চালাতে গিয়ে ‘অসুবিধা’ ঠেকলে দ্রুত সার্ভিসিং সেন্টারে যাওয়া ভালো। আবার খালি চোখে কোনো সমস্যা ধরা না পড়লেও তিন মাস পর পর বা প্রতি দেড় হাজার কিলোমিটার চলার পর বাইক সার্ভিসিং করানোই নিয়ম। আর ‘ব্র্যান্ড নিউ’ বাইক প্রথম তিন হাজার কিলোমিটার চালানোর পর সার্ভিসিং করা দরকার। পাশাপাশি আরো কিছু বিষয় লক্ষ করতে হয়। যেমন—বাইক চালানোর সময় বেশি পরিমাণে তেল লাগছে কি না? বাইক জ্যাম হয়ে গেছে কি না। অন্যদিকে বাইকের টিউবসংক্রান্ত কোনো সমস্যা হলে যেতে হবে আলাদা টায়ার-টিউবের সার্ভিস সেন্টারে। এখানে বাইকের টিউবের ফুটো সারাই করা হয়।

খরচ কত

সাধারণ সার্ভিসিংয়ে ইঞ্জিন ছাড়া বাকি সব কিছু খুলে (ছোট-বড় পার্টসগুলো) ধুয়ে ঠিকঠাক করে দেওয়া হয়।

মবিল পরিবর্তন করে দেওয়া এবং যন্ত্রাংশের পার্টসগুলোতে গ্রিজ লাগিয়ে পরে পলিশ করে দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে সার্ভিসিং সেন্টারভেদে খরচ পড়ে ৪০০ থেকে ৭০০ টাকা। আর টিউব ও চাকা সারাইয়ের জন্য খরচ সাধারণত ৫০ টাকা।    

বাইক ওয়াশ

বাংলাদেশে বিশেষ করে বর্ষাকালে বাইক বেশি নোংরা হয়। দীর্ঘদিন কাদা-বালি লেগে থাকলে বাইকের বিভিন্ন যন্ত্রাংশে মরিচা পড়ে। এটা বাইকের জন্য বেশ ক্ষতিকর। সময়-সুযোগ অনুযায়ী সপ্তাহে একবার হলেও বাইক ধোয়া উচিত। কাজটা যদি বাসায় করতে চান, তাহলে বাইক ধোয়ার জন্য সংগ্রহে বেশ কিছু জিনিস থাকতে হবে। যেমন—হোসপাইপ, ওয়াটারগান (যা দিয়ে পানি দ্রুতগতিতে বাইকে স্প্রে করা যাবে), ব্রাশ, কাপড়, পলিশ প্রভৃতি। আর যাঁরা অভিজ্ঞদের দিয়ে বাইক ওয়াশ করাতে চান, তাঁরা যেতে পারেন বাইক সার্ভিসিং সেন্টারে। সার্ভিসিং সেন্টারে প্রথমেই বাইক থেকে সিট খুলে ফেলা হয়। এরপর গুঁড়া সাবান বা শ্যাম্পু দিয়ে বাইক পরিষ্কার করা হয়। পরিষ্কার-পরবর্তী গাড়ি মুছে পলিশ করে দেওয়া হয়। খরচ পড়বে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা।

ডেন্টিং-পেইন্টিং

দুর্ঘটনায় পড়ে বাইকের নানা ধরনের ক্ষতি হয়। এ ধরনের ক্ষতির জন্য প্রয়োজন পড়ে ডেন্টিং ও পেইন্টিংয়ের। ডেন্টিংয়ের জন্য খরচ পড়বে দেড় থেকে দুই হাজার টাকা। আর পেইন্টিংনির্ভর করে বাইকের রং ও প্লাস্টিক প্লেটের ওপর। পেইন্টিংয়ে সাধারণত তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ পড়ে থাকে।


মন্তব্য