kalerkantho


অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পথ তৈরি হোক

৩ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



► সংলাপের মাধ্যমে নির্বাচনের একটি আশা সঞ্চার হয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। আমাদের দেশে রাজনৈতিক অবস্থা বর্তমানে দোলাচলে আছে। তাই এখন এর গতি কী অবস্থায় আছে সেটা দেখার জন্য এই সংলাপে বসাটা দরকার ছিল। সংলাপের ফল যা হোক না কেন, গণতান্ত্রিক কার্যকলাপ হয়েছে এটাই বড় কথা। বহু ত্যাগের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। তাই আমাদের দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের ভূমিকা সীমাহীন। এ দেশকে সমৃদ্ধ করতে হলে তাঁদের চেতনাকে কাজে লাগাতে হবে। আমাদের দেশে সংলাপ কিন্তু আগেও হয়েছে। রাজনীতির প্রেক্ষাপটে বিরোধিতা থাকবেই। আর সেটি নিষ্পত্তি করতে হবে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে। তাই সব দলকে পারস্পরিক সহনশীল হতে হবে। এবার মনে হয় নেতাদের মনে শুভবুদ্ধির উদয় হয়েছে। ফলে তাঁরা সংলাপে বসার মাধ্যমে জনগণকে একটু স্বস্তি দিয়েছেন। সরকারবিরোধী দলে যাঁরা আছেন, তাঁরা আগের ভুলক্রটি ঝেড়ে ফেলে সামনে জাতীয় নির্বাচন কিভাবে অবাধ, সুষ্ঠু ও সুন্দর হবে, এ ফয়সালাটা তাঁরা নিজেরাই বের করবেন। সরকারকে ধন্যবাদ জানাই, শত ব্যস্ততার মধ্যেও সংলাপে বসেছে। সরকার ও বিরোধী দলের যাঁরা আছেন, তাঁরা রাজনীতি নয়, দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেবেন দেশকে। কারণ তাঁরা তো দেশের স্বার্থেই রাজনীতি করেন। এখন দেখার বিষয় হলো আগামী নির্বাচন কিভাবে হবে বা কোন পদ্ধতিতে হবে, সেটা সংলাপে যাঁরা বসেছেন তাঁরাই ফয়সালা করবেন। বিরোধী দলের দাবিও বিবেচনায় রাখতে হবে এবং সরকারি দলকে এবার সহনশীল হতে হবে। আমরা আশায় বুক বাঁধলাম, বর্তমান সংলাপ সফল ও আগামী নির্বাচন যেন অবাধ ও গ্রহণযোগ্য হয়, এটাই জনগণের একমাত্র চাওয়া।

সাবিনা সিদ্দিকী শিবা

ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ।



মন্তব্য