kalerkantho


সাহিত্যকে গুরুত্ব দেওয়া হোক

৬ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



একটি জাতীয় দৈনিকের নবম বর্ষে পদার্পণ উল্লেখযোগ্য ঘটনা। কালের কণ্ঠ আট বছর পেরিয়ে নবম বর্ষে পদার্পণ করায় পাঠকের প্রত্যাশা কতখানি পূরণ করেছে অথবা কতখানি পূরণ করবে? প্রথমেই বলি, ভালো সংবাদপত্রের কাছে রাজনৈতিক মনোভাব ভিন্ন এক দল সাধারণ পাঠক থাকে, যারা অনুসন্ধিত্সু প্রতিবেদন পছন্দ করে। কালের কণ্ঠ এমন অনেক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যা পাঠকের সামনে নতুন দৃষ্টি উন্মোচন করেছে। এ ছাড়া সম্পাদকীয়, উপসম্পাদকীয়তে যথেষ্ট অনুসন্ধানী দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি ফ্যাশন পাতা এ-টু-জেড, শিশুদের পেজ টুন টুন টিন টিনের কথা উল্লেখ না করলেই নয়। এ-টু-জেড পাতা নতুন ফ্যাশন ধারা সম্পর্কে জানায় আর শিশুদের জন্য যথেষ্ট আনন্দ নিয়ে আসে টুন টুন টিন টিন পাতাটি। সাহিত্য পাতায় সব কিছুর পরও নিয়মিত ধারাবাহিক উপন্যাস প্রকাশ করা রীতিমতো সাহসের পরিচয়। একমাত্র শিলালিপিই সেই সাহস দেখিয়েছে। এ ছাড়া নিয়মিত বাজারদর, খেলাধুলা এবং সপ্তাহে এক দিন দীর্ঘ এক পাতাজুড়ে একজন সফল ব্যক্তির সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়। সেখানে ওই ব্যক্তির আগাগোড়া সম্পর্কে জানতে পারি। এ ছাড়া খেলার পাতায় একজন সাবেক খেলোয়াড়ের সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়। আগামী দিনগুলোতে আমরা প্রত্যাশা করি, যেন সাহিত্য পাতা এ-টু-জেডের মতো ম্যাগাজিন সাইজে প্রকাশিত হয়। তাহলে শিল্প-সাহিত্যের পাশাপাশি সংস্কৃতির আরো নানা খবর সেখানে রাখা যাবে। বিষয়ভিত্তিক করা যাবে। সব শেষে কালের কণ্ঠ’র সাফল্য কামনা করি।

ওয়াহিদ মুরাদ

নিউ ইস্কাটন, ঢাকা।



মন্তব্য