kalerkantho


দক্ষ শিক্ষকের বিকল্প নেই

১১ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সাধারণত শ্রমজীবী ও দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থী বেশি। ফলে বেশির ভাগের মা-বাবাই অশিক্ষিত ও অসচেতন।

তাই এই শিশুদের শিক্ষা গ্রহণ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বিদ্যালয়নির্ভর। এই শিশুরা অনেক দূর-দূরান্ত থেকে না খেয়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়। এতে শিশু শারীরিক ও মানসিক দিক থেকে সুষ্ঠুভাবে পাঠ গ্রহণ ও বিকাশ লাভ করতে পারে না। এ ছাড়া প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সময় (সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা) ধরে পাঠ গ্রহণ তাদের মানসিক দিক থেকে বাধাপ্রাপ্ত হয়। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬ থেকে ১১ বছরের শিশুরা এই দীর্ঘ সময়ের পাঠ গ্রহণে কতটুকু মনোযোগী হতে পারে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। এতে শিশুর শারীরিক ও মানসিক ক্ষতির আশঙ্কাও থেকে যায় যথেষ্ট। এ ছাড়া অনেক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে স্থান সংকুলান ও বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা অসহনীয় দুর্ভোগে পড়ে। একজন শিক্ষার্থী যখন কোনো বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারে, তখনই সে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তা প্রয়োগ করার সুযোগও লাভ করতে পারে। তাই শিশুর শিক্ষা গ্রহণ এমন হওয়া উচিত, যাতে পরবর্তী জীবনে ওই শিক্ষাকে পাথেয় হিসেবে গণ্য করার সুযোগ পায়। শিক্ষকের মান ভালো না হলে শিক্ষার্থীকে ভালো শেখানো সম্ভব নয়। একজন দক্ষ শিক্ষকের ওপর অনেকটাই নির্ভর করে শিক্ষার্থীর মানসম্মত পাঠ গ্রহণ ও শিক্ষার গুণগত মান। তাই শিক্ষক নিয়োগ ও শিক্ষকের বেতন কাঠামোর ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষকে আরো সচেতন হতে হবে।

এস এম রওনক রহমান আনন্দ

স্কুলপাড়া, ঈশ্বরদী, পাবনা।


মন্তব্য