kalerkantho


আমরা নারীরা অসহায়

২২ এপ্রিল, ২০১৭ ০০:০০



সিটিং সার্ভিস বন্ধ করার উদ্যোগ নিতেই গণপরিবহন ব্যবস্থায় বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। গণপরিবহনে নারী যাত্রী হয়রানি তো একটি সাধারণ দৃশ্য। কিছু বললে শ্রমিকরা আজেবাজে কথা শোনায়। তবে সিটিং সার্ভিস ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজালেও এর কোনো পরিবর্তন হবে বলে মনে হচ্ছে না। নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই বলতে পারি, আমরা ফতুল্লা-নারায়ণগঞ্জের নিয়মিত আনন্দ বাসের বা অন্য বাসের যাত্রীরা অনেক অসহায়। আমরা নির্ধারিত কাউন্টার থেকে টিকিট কেটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকি; কিন্তু বাস এলে বলা হয় সিট নেই। অথচ কাউন্টার থেকে কিছু দূরে এগিয়ে গিয়ে বিনা টিকিটের যাত্রীদের তুলে একদিকে ফাঁকি দিচ্ছে সরকারকে, অন্যদিকে হয়রানির শিকার হচ্ছি আমরা সাধারণ যাত্রী। আবার দেখা যাচ্ছে, কেউ বাসে উঠে দুই স্টেশন পরে নামলেও ভাড়া গুনতে হচ্ছে বাসের শেষ গন্তব্য পর্যন্ত। এটা কি মগের মুল্লুক? এমন নজির বিশ্বের কোনো দেশে নেই। যাত্রীরা তাদের প্রয়োজনে স্টপেজে উঠবে-নামবে। অথচ যেখানে-সেখানে যাত্রী ওঠানামা করছে, প্রয়োজনে ধাক্কা দিয়ে নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রী মহাশয় বলেন, যারা পরিবহনের সঙ্গে জড়িত, তারা ভীষণ প্রভাবশালী। তবে কি আমরা ধরে নেব সরকারের চেয়েও ক্ষমতাবান তারা? তাহলে গণপরিবহনের শৃঙ্খলা ফিরবে কী করে?  কয়েক দিন হয়তো আমজনতা পুঁটি মাছের মতো লাফাবে, তারপর কই মাছের মতো চুপ মেরে মাটির নিচে চলে যাবে। শুধু পরিবহনে নয়, সব ক্ষেত্রেই শৃঙ্খলা আসুক।

 

সাবিনা সিদ্দিকী শিবা

ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ।


মন্তব্য