kalerkantho


২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস ঘোষণা করুন

১১ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস ঘোষণা করুন

২৫ মার্চ কালরাতে যে ভয়াবহ বর্বরতা চালিয়েছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, তা নজিরবিহীন। যত দিন বাংলাদেশ থাকবে, তত দিন বাঙালি জাতি মনে রাখবে সেই কালরাতে পাকিস্তানিরা মানবতার ওপর কী আঘাত হেনেছিল। দুঃখের বিষয়, পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ তাদের জনগণকে ধ্রুব সত্যটি জানতে দিচ্ছে না। তারা ইতিহাস নিয়ে মিথ্যাচারেরও অপচেষ্টা চালায়। ইতিহাসের নির্মম সত্যটি দেশে-বিদেশে আরো জোরালোভাবে প্রকাশ পাবে, যদি দিনটিকে গণহত্যা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। কালের কণ্ঠ’র পাঠকরা ফোনে ও ই-মেইলে এমন অভিমত ব্যক্ত করেছেন

 

► ২৫ মার্চ রাতের পাকিস্তানি বর্বরতার কথা বিশ্ববাসী আজও ভুলেনি। বিশ্ববাসীকে বলব, আপনাদের কাছেও প্রমাণ আছে কেন যুক্তরাষ্ট্র নৌবহর পাঠিয়েছিল। গণহত্যার চেয়েও বড় কিছু যদি থাকে তা পাকিস্তানিরা চালিয়েছে। সেই রাতে এত প্রাণহানি হয়েছে, যার প্রমাণের অভাব নেই। তাই গণহত্যা দিবস ঘোষণা না করার অর্থই হচ্ছে পাকিস্তানি বর্বরতাকে যথার্থভাবে বিচার করতে না পারা।

মো. মহসিন সরকার

নয়নপুর, কসবা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

 

► ২৫ মার্চ রাতে যে বর্বরোচিত হামলা হয়েছে তার তুলনা বিরল। আন্তর্জাতিক অনেক সাংবাদিক সাক্ষী সেদিন কী হয়েছিল। বিশ্ব গণমাধ্যমের কল্যাণে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও জেনেছিল সেদিনকার নির্মম হত্যাযজ্ঞের কথা। জলজ্যান্ত অনেক প্রমাণ আজও রয়ে গেছে, অনেক প্রত্যক্ষদর্শীও রয়ে গেছেন। ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালন করাই হবে যুক্তিসংগত। এমন কোনো ঘোষণা শহীদদের আত্মত্যাগকেও যথার্থ স্বীকৃতি দেবে।

সাবিনা সিদ্দিকী শিবা

ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ।

 

► ২৫ মার্চ গণগত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পেলেই পাকিস্তানি বর্বরতার যথার্থ মূল্যায়ন হবে। তখন আমাদের ইতিহাস বিশ্ববাসী আরো ভালো করে জানতে পারবে।

মো. জামরুল ইসলাম

দক্ষিণগাঁও, সবুজবাগ, ঢাকা।

 

► ২৫ মার্চকে অবশ্যই গণহত্যা দিবস ঘোষিত হওয়া উচিত। যারা দেখেছিল তারাই জানে লোমহর্ষক বর্বরতার চিত্র। এত ভয়ংকর রাত মানুষের জীবনে হয়তো আর আসেনি।

চিত্তরঞ্জন মৃধা

কচুয়া, বাগেরহাট, ঢাকা।

 

► শহীদদের আত্মত্যাগের কথা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস বিশ্ববাসীর কাছে পূর্ণাঙ্গভাবে তুলে ধরতে চাইলে ২৫ মার্চকে গণগত্যা দিবস হিসেবে ঘোষণার বিকল্প নেই। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও দিনটিকে যথার্থভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

এম এ শাক্কুর আলম

জিনজিরা, ঢাকা।

 

► ২৫ মার্চ রাতে কী মাত্রায় মানুষ হত্যা করা হয়েছিল সে ইতিহাস বিশ্ববাসীকে নতুন করে জানানো উচিত। গণহত্যা দিবস হিসেবে পালনই হবে জানানোর শ্রেষ্ঠ কৌশল।

এম এ মতিন

বেগুনবাড়ি, সবুজবাগ, ঢাকা।

 

► মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত করার প্রয়োজনেই ২৫ মার্চ গণগত্যা দিবস ঘোষিত হওয়া উচিত। দেশ এই চেতনার আলোকেই এখন পথ দেখছে। আমাদের বিশ্বাস, শিগগিরই ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস ঘোষণা করে সেদিনের শহীদদের আত্মত্যাগের যথার্থ স্বীকৃতি ও পাকিস্তানের ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডের প্রাপ্য দান দেবে।

নাদিম খান

ভাইজোড়া, পিরোজপুর।

 

► ২৫ মার্চকে অনেক আগেই গণহত্যা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা উচিত ছিল।

বিজন সাহা

নগরপাড়া, শৈলকূপা, ঝিনাইদহ।

 

► ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী এ দেশের মানুষের ওপর নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালায়। তারা কেবল ঢাকা শহরে নয়, সারা দেশেই পরিকল্পিত হামলা করে সাধারণ নিরস্ত্র মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। নির্বিচার এই গণহত্যাকে ধিক্কার জানাতে অবশ্যই গণহত্যা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা উচিত। এটা আমরা এত দিন করতে পারিনি, সেটাই বরং ব্যর্থতা। তাই আর দেরি না করে অতি দ্রুত বিষয়টি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচিত হওয়া দরকার এবং ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা উচিত।

শেখ মোহাম্মদ আলী

তালতলা বাজার, সিরাজদিখান, মুন্সীগঞ্জ।

 

► পাকিস্তানিরা ও তাদের সহযোগী ঘৃণিত রাজাকার বাহিনী ২৫ মার্চ রাতে যে ভয়াবহ গণহত্যা চালায়, তা বিশ্বের ইতিহাসে কালো অধ্যায় হিসেবে পরিচিত। এখন আমরা দীর্ঘদিন পর রাজাকারদের বিচার করছি। এটা আমাদের স্বাধীনতার চেতনার নতুন আলোকবর্তিকা। এর পাশাপাশি অবশ্যই ২৫ মার্চের গণহত্যাকে কেবল গণহত্যা দিবস নয়, ভয়াবহ আতঙ্কের কালো গণহত্যা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা উচিত।

মো. আবদুর রাজ্জাক নাছিম

পরিবেশকর্মী, চান্দাইকোনা, বগুড়া।   

 

► বাঙালি হিসেবে আমরা ২৫ মার্চের ভয়াল রাতের ইতিহাস কিভাবে ভুলব? সে রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। ২৫ মার্চকে তাই গণহত্যা দিবস হিসেবে ঘোষণার দাবি জানাই।

ইয়াছিন খন্দকার লোভা

সিলোনিয়া বাজার, উত্তর জায়লস্কর, ফেনী।

 

► বঙ্গবন্ধু ৭ই মার্চ স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে টালবাহানা যেন আরো বেড়ে যায়। উল্টো প্রণয়ন করা হয় সশস্ত্র হামলার নীলনকশা। নীলনকশায় বলা হয়, এই অপারেশন সারা প্রদেশব্যাপী করতে হবে। আওয়ামী লীগের সব কার্যকলাপ বিদ্রোহীদের কার্যকলাপ হিসেবে বিবেচিত হবে। যারা এই কার্যকলাপ সমর্থন করবে ও সামরিক আইন মোতাবেক গৃহীত ব্যবস্থার বিরোধিতা করবে তাদেরও বিদ্রোহী বলে গণ্য করা হবে এবং প্রয়োজনে তাদের ওপর হামলা করতে হবে। অনেক প্রতীক্ষার পর বাঙালি জাতি যখন মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার হওয়া দেখছে তারও নিন্দা জানায় পাকিস্তান সরকার। শুধু তা-ই নয়, তাদের পার্লামেন্টেও বলতে শোনা যায়, ২৫ মার্চ রাতে বাংলাদেশে কোনো গণহত্যা হয়নি বা ৩০ লাখ মানুষ একাত্তরে শহীদ হয়নি। ২৫ মার্চ রাতে ওরা যা করেছে তাকে গণহত্যা না বললে নির্জলা সত্যকেই অস্বীকার করা হবে।

মিজানুর রহমান

বানাসুয়া, কুমিল্লা।

 

► ২৫ মার্চকে কেবল গণহত্যা দিবস নয়, পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সব শ্রেণিতে পাঠ্য করা উচিত। পাকিস্তান আর বাংলাদেশ এ দুয়ের মধ্যে পার্থক্য সবার সামনে তুলে ধরা উচিত। খুবই দুঃখ লাগে, যখন দেখি একজন মুক্তিযোদ্ধা রেফারেন্স হিসেবে ছাত্রলীগের পাতিনেতাদের নাম ব্যবহার করেন। আমি দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যাই, সত্যিই কি এরা সেই মুক্তিযোদ্ধা, যাঁরা মুক্তিযুদ্ধে তাঁদের সর্বোচ্চ সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন? নাকি আমরাই তাদের সঠিক মর্যাদা দিতে ব্যর্থ হয়েছি। অনেক প্রশ্নের হয়তো জবাব মিলবে না। অনেক প্রশ্নের উত্তর হয়তো হারিয়ে যাবে। তবে কিছু কিছু প্রশ্নের জবাব সামনে আসবে যদি ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালন করা হয়।

সোলায়মান শিপন

সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ।

 

► দিনটি তো ভালোই ছিল। সারা দিন মানুষ উত্তাল থেকেছে। কিন্তু দিবাগত রাতেই ঘটল সেই ঘৃণ্য নারকীয়তা। মুক্তিকামী মানুষের আকাঙ্ক্ষাকে স্তব্ধ করে ২৫ মার্চ দিবাগত রাতেই নেমে এলো পৃথিবীর জঘন্যতম পৈশাচিকতা। সুতরাং দিন নয়, পঁচিশের ওই কালরাত্রিটাকে চিহ্নিত করা হোক গণহত্যার রাত হিসেবে। মানুষ ওই রাতে সারা রাত শোক করবে, মোমবাতি জ্বালিয়ে তাদের শহীদ পূর্বপুরুষদের স্মরণ করবে, কবরখানা ও বধ্যভূমিতে গিয়ে তাদের জন্য দোয়া-খায়ের করবে, নফল নামাজ ও নিজস্ব ধর্মীয় আচারে তাদের শহীদ পূর্বপুরুষদের জন্য মঙ্গল কামনা করবে। সর্বোপরি রাতজুড়ে ওই ভয়াবহ রাতটিকে বিভিন্ন শোক অনুষ্ঠান পালন শেষে পরবর্তী দিন অর্থাৎ ২৬ মার্চ বাঙালি তাদের বহু কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপন করবে। এটাই হওয়া উচিত।

জালাল উদ্দিন আহমেদ

তাজমহল রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।   

 

 

► জাতিসংঘ এরই মধ্যে ৯ ডিসেম্বরকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস পালনের ঘোষণা দিয়েছে। তাই এখন ২৫ মার্চের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য কাজ করতে হবে। এ জন্য বিশেষ কমিটি গঠন করা যেতে পারে। সরকারি সব কার্যক্রম সচল রেখেই ব্যাপক আকারে দিনটিকে পালন করা সম্ভব। আমাদের জাতীয় দিবসগুলো পালনে নতুন ধারার সংযোজন করেছে বর্তমান সরকার। প্রস্তাবিত গণহত্যা দিবস পালনের জন্যও তেমনি নতুন বিষয় যুক্ত হতে পারে।  

মেনহাজুল ইসলাম তারেক

পার্বতীপুর, দিনাজপুর।

 

► ২৫ মার্চ রাতেই প্রায় আনুমানিক সাত হাজার লোককে হত্যা করে পাকিস্তানি বাহিনী ইতিহাসের কালো অধ্যায়ের সূচনা করে। বর্বরোচিত এই গণহত্যার দিনকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হোক।

হাবিবুর রনি

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ।

 

► ২৫ মার্চকে অতি দ্রুত গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করা উচিত ছিল।

মোশাররফ হোসেন স্বাধীন

দক্ষিণবাংলা বেতার শ্রোতা ক্লাব, খুলনা।

 

► ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যে গণহত্যা চালিয়েছে তা বিশ্বের ইতিহাসে বিরল। কাজেই এই দিনকে রাষ্ট্রীয়ভাবে গণহত্যা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হোক।

জাহাঙ্গীর কবীর পলাশ

শ্রীধরপুর, বাড়ৈখালী, মুন্সীগঞ্জ।

 

► মুক্তিযুদ্ধের ৪৫ বছর পেরিয়ে ৪৬ বছর হলেও এখন পর্যন্ত কেন ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস ঘোষণা করা হলো না তা বোধগম্য নয়। অথচ কত দিবসই না আছে; হাত ধোয়া দিবস, মীনা দিবস, কণ্ঠ দিবস, হাসি দিবস, ডিম দিবস ইত্যাদি। ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস করা হোক।

আলমগীর ইমন

সরকারি কমার্স কলেজ, চট্টগ্রাম।

 

► নতুন প্রজন্মকে ইতিহাসের বিভীষিকাময় অধ্যায় নিয়ে ধারণা দিতেই ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস ঘোষণা করা উচিত। বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের স্বপ্নদ্রষ্টাকে নিঃশেষ করে দিতে চেয়েছিল নরপিশাচ শাসকদল। গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিতেও তারা কুণ্ঠাবোধ করেনি। আমরা যুগে যুগে কালের সাক্ষী হয়ে বাঁচিয়ে রাখতে চাই সেসব স্মৃতি। তাই ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস ঘোষণা করা হোক।

মাজহারুল ইসলাম লালন

নকলা, শেরপুর।

 

► ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ আর ১৪ ডিসেম্বর যাঁদের আমরা হারিয়েছি তাঁরা জাতির মেরুদণ্ড। এই দুই তারিখে বেছে বেছে দেশের সূর্যসন্তানদের হত্যা করা ছিল তাদের ঠাণ্ডা মাথার পরিকল্পনা। যুদ্ধ শুরু হবেই এটা নিশ্চিত হয়ে তারা ২৫ মার্চ রাতে গণহত্যা চালায়। ঠিক একইভাবে যুদ্ধে তারা হেরে যাচ্ছে তা নিশ্চিত হয়েই তারা ১৪ ডিসেম্বর লিস্ট করে সেই লিস্ট ধরে হত্যা করে দেশের শিক্ষিত সমাজকে। ২৫ মার্চ তাদের উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধ পরিচালনা করার মতো যাদের পরামর্শ প্রয়োজন তাদের হত্যা করা। ১৪ ডিসেম্বর তাদের উদ্দেশ্য ছিল দেশ তো স্বাধীন হয়ে যাচ্ছে। সহজে যেন মাথা তুলে না দাঁড়াতে পারে, সে উদ্দেশ্যে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। এটা আগুন লাগা, ভবন ধস হওয়ার, নৌকা ডোবার মতো কোনো ঘটনা নয় যে আমরা দুর্ঘটনা বলব, এটা তাদের ঠাণ্ডা মাথার কাজ। একে গণহত্যা দিবস হিসেবে ঘোষণা না দেওয়ার বিকল্প কিছু দেখি না।

রহিমা আক্তার মৌ

চাটখিল, নোয়াখালী।  

 

► আমরা কালের সাক্ষী। আজকের প্রজন্ম সেই ভয়াভয়তা, নিষ্ঠুরতা উপলব্ধি করতে পারবে না। সেদিন রাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে, পাহাড়তলী, সৈয়দপুর, মিরপুর—এসব স্থানে গণহারে মানুষ হত্যা করেছে পাকিস্তানি শাসক। তারা কেউ তো কোনো অন্যায় করেনি, অপরাধ করেনি, শতভাগ নিরপরাধী ছিল। তাই তাদের ত্যাগের স্বীকৃতির জন্য ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস ঘোষণা সময়োপযোগী ও যৌক্তিক হবে।

এইচ কে নাথ

পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম।

 

► ২৫ মার্চকে অবশ্যই গণহত্যা দিবস ঘোষণা করা উচিত।

ফোরকান আক্তার চৌধুরী

আরজতপাড়া, তেজগাঁও, ঢাকা।

 

► ২৫ মার্চকে গণগত্যা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা আমাদের প্রধানমন্ত্রীরই দায়িত্ব। তিনি সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এমন আশ্বাস নিজেই দিয়েছেন। প্রজন্মের পর প্রজন্ম যাতে দিনটির ভয়াবহ ইতিহাস মনে রাখতে পারে, সেই লক্ষ্যে দিবসটিকে নতুন করে চিহ্নিত করতে হবে। যত দিন বাংলাদেশ থাকবে তত দিন বাঙালি ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় জানবে সেই কালরাতে পাকিস্তানিরা মানবতার ওপর কী আঘাত হেনেছিল। সাইমন ড্রিংসহ অনেক বিদেশি সাংবাদিকের কলমে বা ছবিতেও সেই কালরাতের চিত্র ধরা পড়ে।

কুমারেশ চন্দ্র

বাস শ্রমিক, ঝিনাইদহ টার্মিনাল।

 

► ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস ঘোষণা করুন।

মো. সাব্বির রহমান

রাজাবাসর, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।

 

► ২৫ মার্চ অনেক আগেই গণহত্যা দিবস হিসেবে ঘোষিত হওয়া উচিত ছিল। তখন জাতীয়ভাবে আমরা তাদের ওই দিন ধিক্কার জানাতে পারব, বিশ্ববাসীও জানবে ওই দিন কী হয়েছিল। তবে ইংরেজি হিসাবে নয়, বাংলা সনের হিসাবে দিবসটি পালন করা যদি যায় একজন বাঙালি হিসেবে আমি আত্মতৃপ্তি পাব।

আসাদুল্লাহ মুক্তা

মহেশপুর, উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ

 

► যে বিধ্বংসী অত্যাচার আর হত্যায় সেদিন তারা নেমেছিল, যা পৃথিবীর ইতিহাসে নগ্ন এক খেলা ছাড়া অন্য কিছুই নয়। এই ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস আরো বহু আগেই ঘোষণা দেওয়া উচিত ছিল।

সাহিদা সাম্য লীনা

সম্পাদক, আঁচল, ফেনী।

 

► ২৫ মার্চকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস ঘোষণার দাবি শতভাগ যৌক্তিক।

হুমায়ুন কবির

হাজারীবাগ, ঢাকা।

 

► ২৫ মার্চ নিরস্ত্র বাঙালির ওপর পাকিস্তানিদের আক্রমণকে অবশ্যই গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করা উচিত।

ফারজানা মণি

গৌরীপুর, ময়মনসিংহ।

 

► আগের কোনো সরকার কেন এদিনকে গণগত্যা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেনি আমাদের তা বোধগম্য নয়। বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে অনেক আগেই হয়তো এমন উদ্যোগ নেওয়া হতো। বর্তমান সরকারের ওপর আমাদের পুরোপুরি আস্থা রয়েছে। তারা সময়ের এই দাবি মেনে নিয়ে সেই রাতের বিভীষিকার তথ্য নতুন করে বিশ্ববাসীকে জানাবে।

ফারুক আহমেদ

বাগমারা, রাজশাহী।

 

► বৃহত্তর যশোর-কুষ্টিয়াসহ সারা দেশে প্রায় অর্ধ লাখ মানুষকে পাকিস্তানিরা ২৫ মার্চ রাতে হত্যা করেছিল। মানুষকে দেওয়া সর্বশ্রেষ্ঠ নেয়ামত হচ্ছে স্বাধীনতা। এই স্বাধীনতাকে অর্থবহ করার প্রয়োজনেও দিনটিকে গণহত্যা দিবস ঘোষণা করা উচিত। এটা এখন সময়ের দাবি।

কামরুজ্জামান

কলাবাগান, ঝিনাইদহ সদর।

 

► প্রায় সাত হাজার মানুষকে হত্যাযজ্ঞের দিনটি গণহত্যা দিবস ঘোষণা করা হোক।

মো. ফখরুল ইসলাম টিপু

সেনবাগ, নোয়াখালী।

 

► রাজনৈতিক জনযুদ্ধের অর্জন আমাদের স্বাধীনতা। প্রধানমন্ত্রী সংসদে যে আশ্বাস দিয়েছেন তা বাস্তবায়ন হতে হবে। আমরা অপেক্ষায় আছি সেই শুভ ঘোষণার। ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ঘোষিত হলেই আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাস পূর্ণাঙ্গতা পাবে।

মো. হুমায়ুন কবির বাবু

দক্ষিণ বানিয়াগাতী, বেলকুচি, সিরাজগঞ্জ।

 

► ২৫ মার্চ রাতের ন্যক্কারজনক হামলায় যে প্রাণহানি হয়েছিল তার নজির ইতিহাসে বিরল। তা কোনো দিনই ভোলার নয়। পাকিস্তানিরা আমাদের ক্ষমা কোনো দিনই পাবে না। সরকারের প্রতি আহ্বান, দ্রুত ২৫ মার্চকে গণগত্যা দিবস হিসেবে ঘোষণা দিন।

মোহাম্মদ আলী

বোরহানপুর, হাজারীবাগ রোড, ঢাকা।

 

► ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ঘোষিত হবে—প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর এই আস্থা আমার শতভাগ আছে। সেই কালরাত এখনো অনেকের স্মৃতিতে বিভীষিকা হয়ে আছে।

শিবুপ্রসাদ মজুমদার

লেকসার্কাস, কলাবাগান, ঢাকা।

 

► ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। কারণ এদিন থেকেই স্বাধীন জাতি হিসেবে আমাদের পথচলা শুরু। তবে ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানিরা যে গণহত্যা চালিয়েছিল তার নিন্দা জানাতে দিবসটিকে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করাই হবে যথার্থ।

মো. মোকাদ্দেস হোসাইন

গ্রামপাঙ্গাসি, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ।


মন্তব্য