kalerkantho


‘স্বেচ্ছা অবসর’!

৪ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



প্রভাবশালী মহলের ইন্ধনই শুধু নয়, প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় এই ধর্মঘট চলেছে। তারা এই ধর্মঘটকে ধর্মঘট না বলে ‘স্বেচ্ছা অবসর’ বলেছে, তার পরও রাজপথে তাদের নৈরাজ্য দেখে মানুষ হতবাক হয়েছে।

গণপরিবহন শুধু নয়, রোগীবাহী অ্যাম্বুল্যান্সও তারা ছাড় দেয়নি। এই ধরনের আচরণ কেবল যুদ্ধকালীন অবস্থায় শত্রু সেনারাও করে না। চালকের শাস্তি দেওয়ার পর শুরু আন্দোলনের যে ছবিগুলো পত্রিকায় প্রকাশ পেয়েছে তা থেকে স্পষ্ট এই আন্দোলনের সঙ্গে সাধারণ শ্রমিক ও চালকদের সে রকম সংশ্লিষ্টতা ছিল না। তবে কি কিছু ব্যক্তির হাতেই পরিবহন খাত জিম্মি হয়ে গেল? তাহলে তো কখনোই আমরা নিরাপদ সড়ক ও পরিবহন খাত পাব না। এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলার একমাত্র উপায় হচ্ছে সরকার ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদিচ্ছা। নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দুই ঘণ্টার মধ্যেই সংকট নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে পারত। ভবিষ্যতে যাতে কেউ এই ধরনের নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে না পারে, এ ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যথার্থ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে আশা করি। সরকারের ভেতর থেকেই কেউ জনভোগান্তিকারী কোনো কর্মসূচির পক্ষ নেবেন সাধারণ মানুষ তা প্রত্যাশা করে না। আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার দাবি জানাচ্ছি। পরিবহনসহ সব খাতেই আইনের যথার্থ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এভাবে ন্যায় বিচারও নিশ্চিত হবে।

 

এম এ শাক্কুর আলম

জিনজিরা, কেরানীগঞ্জ, ঢাকা।


মন্তব্য