kalerkantho


খুনি চালকের পক্ষ নেবেন না

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



একটি পত্রিকার তথ্য মতে, শেষ ১৪ দিনে সড়কপথে দুর্ঘটনায় ১৪০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। মৃত্যুর মিছিলে এই সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। আইন অমান্য করে সড়ক, মহাসড়কে চলছে নসিমন, করিমন। আইন না মানার এই সংস্কৃতি থেকেও অনেক দুর্ঘটনা ঘটছে। সম্প্রতি মানিকগঞ্জের আদালতের রায়ে তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনীরের দুর্ঘটনার মামলার রায় হয়েছে এবং চালককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই মামলার রায় থেকে স্পষ্ট হয়েছে, বেপরোয়া গাড়ি চালনা, লাইসেন্স ছাড়াই ড্রাইভিং ও ফিটনেসবিহীন গাড়ির চলাচল—এসব সমস্যাই আমাদের দেশে প্রকট। গতি নিয়ন্ত্রণ অকেজো করে রাখার বিষয়টিও এই মামলার রায় থেকে বেরিয়ে এসেছে। তা ছাড়া শক্তি-সামর্থ্যের বিষয়টিও উল্লেখযোগ্য। এ কারণগুলোর জন্য বিআরটিএর নিষ্ক্রিয়তাও অনেকটা দায়ী। আইন প্রয়োগের টালবাহানার কারণেও অনেক অপরাধীর বিচার হয় না। মামলায় চালকের জেল হওয়ার খবর শোনার পর চুয়াডাঙ্গার পরিবহন শ্রমিকরা অবরোধ বা যান ধর্মঘট ডেকেছে, যা এখনো চলছে।

চালক আসামি হিসেবে শাস্তি পেয়েছে, রায়ে অসন্তুষ্ট হলে সে উচ্চতর আদালতে আপিল করতে পারে। তার বদলে কেন তার পক্ষে ধর্মঘট বা অবরোধ করতে হবে? সব দাপ্তরিক অফিস ঢাকায় হওয়ার কারণে রাজধানীতে জনসংখ্যার চাপ অত্যধিক। অনেক ফ্লাইওভার করেও যানজট কমানো যাচ্ছে না। ঢাকায়ও ফিটনেসবিহীন গাড়ির অভাব নেই, কিন্তু জব্দ হচ্ছে না। ফুটপাতকে দখলমুক্ত করুন। ঢাকায় মানুষের চাপ কমাতে প্রশাসন বিকেন্দ্রীকরণ করার নীতি গ্রহণ করুন। রেলের পরিধিও বাড়াতে হবে।

 

মিজানুর রহমান

বানাসুয়া, কুমিল্লা।

 


মন্তব্য