kalerkantho


গণসচেতনতা প্রয়োজন

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মাঝে মাঝে কার্যকারণ ছাড়াই অবনতি ঘটে। আমাদের বোধে আসে না, কেন এবং কী কারণে এমন পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটে।

সাম্প্রতিক সময় গরু এবং খাসির মাংস বিক্রেতারা সাত দিন ধরে ধর্মঘট চালিয়ে যাচ্ছে। মাংস বিক্রি করবে না বলে। তাদের এই ধর্মঘটের পেছনে প্রধান ও অন্যতম কারণ হচ্ছে চাঁদাবাজি, নিরাপত্তাহীনতা এবং যেখানে-সেখানে ছিনতাইয়ের ঘটনা। তথ্য মতে, সারা দেশে প্রায় সারে চার হাজার মাংস বিক্রির দোকান আছে। এখানে ধরে নেওয়া যায় প্রতিটি দোকানের সঙ্গে চার থেকে পাঁচটি পরিবার জড়িত। সুতরাং একটি বিশাল সংখ্যক মানুষের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণেই তাদের ধর্মঘটজনিত প্রতিবাদ। ঠিক তেমনি সারা বাংলাদেশের হাটে-বাজারে, গঞ্জে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে একদল মানুষ সাধারণ ব্যবসায়ীর ওপর অনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেই যাচ্ছে। বলা হয় বাজারের ঊর্ধ্বগতির পেছনে এই চাঁদাবাজি দলটি সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখছে। কিছুদিন আগে আমরা লক্ষ্য করেছি, স্কুল-কলেজের ছাত্রীদের ওপর নির্যাতন। কখনো এসিড নিক্ষেপ, কখনো বা দেখেছি শিশু অথবা অপ্রাপ্তবয়স্ক বালিকাদের ধর্ষণ। আর মাঝেমধ্যে বিশিষ্ট ব্যবসায়ীদের হারিয়ে যাওয়া কিংবা গুম হওয়া নিঃসন্দেহে আমাদের চিন্তিত করে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী থেকে শুরু করে প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের সত্ এবং ইতিবাচক ভূমিকা থাকলে অবশ্যই পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটবে। মাস্তানদের ঠেকানোর জন্য স্থানীয় রাজনীতিবিদদের দল-মত নির্বিশেষে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঐকমত্য থাকতে হবে।

 

ওয়াহিদ মুরাদ

স্বরূপকাঠি, পিরোজপুর।


মন্তব্য