kalerkantho


আইনের প্রয়োগ অপরাধ কমায়

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



প্রতি ১৬ হাজারে মাত্র একজন পুলিশ। ঢাকার মতো মেগাসিটিতে মহানগর পুলিশের সংখ্যা ২৬ হাজার। এর মধ্যে ৯ হাজার পুলিশ নিয়োজিত থাকে ভিভিআইপি, ভিআইপিসহ অন্যদের নিরাপত্তা রাখার দায়িত্বে। অন্যদিকে  সারা দেশের বিদ্যমান পুলিশকে দৈনিক গড়ে একনাগাড়ে ১৮ ঘণ্টা কর্মে নিয়োজিত থাকতে হয় বলে দুর্ধর্ষ অপরাধী গ্রেপ্তারে দুঃসাহসিক অভিযানসহ নানা অপারেশনে যেতে সংগত কারণে তাদের মধ্যে অনীহা দেখা দেয়। অন্যদিকে পারিবারিক আবাসন সংকট, ব্যারাক বা পুলিশ লাইনে শোয়া, থাকা ও খাওয়ার অবর্ণনীয় দুঃখ-কষ্ট ও অপরাধী গ্রেপ্তার অভিযানে অপরাধীদের হাতে থাকা অস্ত্র ও যানবাহনের তুলনায় পুলিশের আধুনিক যানবাহনের এবং অস্ত্রশস্ত্রের অপ্রতুলতা চোখে পড়ার মতো। বিভিন্ন আত্মরক্ষামূলক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ক্যাডার ও সন্ত্রাসীদের মোকাবিলায় বেশির ভাগ পুলিশ সদস্যের শারীরিক সক্ষমতা ও জুডু-কারাতে প্রশিক্ষণ নেই বললেই চলে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও সহনীয় পর্যায়ে রাখার জন্য সর্বাগ্রে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও রাজনৈতিক সরকারের সদিচ্ছার একান্ত প্রয়োজন, যা বর্তমান সরকারের আছে। রাজনৈতিক আশীর্বাদ ও ক্ষমতাসীনদের ছত্রচ্ছায়া দেওয়া বন্ধ করা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাজে হস্তক্ষেপ না করা এবং আইনের স্বাভাবিক গতি নিশ্চিত করার মধ্যে ৭০ শতাংশ অপরাধ রোধ সম্ভব বলে অপরাধ বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। বাকি ৩০ শতাংশ অপরাধ রোধ নির্ভর করে নাগরিক কর্তব্য পালনের ওপর।

 

ভূঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী

 চৌমুহনী, হাজীপুর, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী।


মন্তব্য