kalerkantho


বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা?

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



নতুন নির্বাচন কমিশনার একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। যুদ্ধের সময় তাঁকে ক্যাপ্টেন হুদা বলে ডাকা হতো।

তিনি কর্মকমিশন কর্তৃক নিযুক্ত একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা ছিলেন। বিএনপি তাঁর সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাবের কারণ ‘জনতার মঞ্চ’ বিষয়ক আন্দোলন। সেই আন্দোলনে সরকারি অনেক কর্মচারীই অংশ নিয়েছিলেন, নুরুল হুদা ছাড়া। যদিও বিএনপির সময় তাঁকে এই অপরাধে বাধ্যতামূলক অবসরে যেতে হয়েছে। স্বাধীনতা যুদ্ধে যাঁরা বিরোধিতা করেছিলেন তাঁরা কি সরকারি কর্মকমিশনে অন্তর্ভুক্ত নেই? সে ক্ষেত্রে কি তাঁদের বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছিল? বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা না করে বর্তমান কমিশন যে প্রক্রিয়ায় হয়েছে তাকে সাধুবাদ জানানো দরকার। সুষ্ঠু নির্বাচন করার লক্ষ্যে যা যা করা দরকার তার সব কিছু এবং কারো কাছে নতি স্বীকার না করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন নতুন সিইসি। তিনি বলেছেন, তাঁর কাছে বিশেষ কোনো দলের গুরুত্ব নেই, অতীত নিয়ে থাকারও সুযোগ নেই। হ্যাঁ, তিনিই পারবেন বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে। সংবিধানের ১১৮ নম্বর ধারায় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে নির্বাচন কমিশন নিয়োগ দেওয়ার এখতিয়ার রাষ্ট্রপতির। দশম নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির একক সিদ্ধান্তে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। শুধু একাদশ ও দ্বাদশ নির্বাচন কমিশনের ক্ষেত্রে সার্চ কমিটি করে কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হলো। অবশ্যই এই কমিশনার জনমতের মতামতের প্রতিফলন।

 

মিজানুর রহমান

বানাসুয়া, কুমিল্লা।


মন্তব্য