kalerkantho


নতুন ইসির কাছে আমাদের অনেক প্রত্যাশা

সুধীসমাজসহ বিভিন্ন দলের সঙ্গে কথা বলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশন গঠন করেছেন—তাই কমিশনের কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। কারো তল্পিবাহক হওয়া চলবে না। সব দলের অংশগ্রহণে, সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে। কমিশনকে কাজ করার সময় না দিয়ে সমালোচনা যাঁরা করছেন তাঁদেরও ধৈর্য ধরা উচিত। সবার সহযোগিতা না পেলে ইসি সাহসের সঙ্গে কাজ করবে কী করে! কালের কণ্ঠ’র পাঠকরা ফোনে ও ই-মেইলে এমন অভিমত ব্যক্ত করেছেন

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



নতুন ইসির কাছে আমাদের অনেক প্রত্যাশা

► সুধীসমাজসহ বিভিন্ন দলের সঙ্গে কথা বলেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশন গঠন করেছেন। আমি মনে করি, এই গঠনপ্রক্রিয়া আদর্শ ছিল, কমিশনও সর্বজনগ্রাহ্য হবে।

মোহাম্মদ মহসিনুল হক

নয়নপুর, কসবা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

 

► সাধারণ মানুষের একটাই প্রত্যাশা, নির্বাচন চলাকালে যে সরকারই থাকুক, তাদের কাছে ইসিকে মাথা নত করা চলবে না।

জুয়েল

উত্তরা, ঢাকা।

 

► স্বাধীনভাবে নির্বাচন কমিশনকে কাজ করতে দিতে হবে। কোনো মহলই যেন নতুন ইসির ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা না করে। নির্বাচন কমিশনকে কোনোভাবে জিম্মি করা যাবে না। আগামী জাতীয় নির্বাচন হতে হবে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ। অতীতে অনেক নির্বাচনই হয়েছে প্রহসনমূলক। এ ধরনের নির্বাচন আর যেন অনুষ্ঠিত হতে না পারে।

    

মোহাম্মদ জামরুল ইসলাম

দক্ষিণগাঁও, সবুজবাগ, ঢাকা।

 

► প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিজেও একজন বাঙালি, এ দেশের নাগরিক; তাঁরও নিশ্চয়ই রয়েছে দেশপ্রেম। পরিচয়ের এই জায়গা থেকে তিনি যেন সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে কাজ করে যান। যখন যেই কাজ হাতে আসবে; সৎ থেকে, নিষ্ঠার সঙ্গে নিরপেক্ষভাবে সেই দায়িত্ব তিনি যেন পালন করেন।

মোহাম্মদ নাজিম আদি

 সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম।

 

► সুধীসমাজ ও সব দলের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতেই গঠিত হয়েছে নতুন নির্বাচন কমিশন। প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে একটি পক্ষ যদিও সমালোচনামূলক কথা বলছে, আমরা তা সমর্থন করি না। একটি স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি সর্বাত্মক চেষ্টা করেছেন। আগামী জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করতে হবে। সরকার বা সরকারি দল কোনো সময় অবাঞ্ছিতভাবে হস্তক্ষেপ করলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সঙ্গে সঙ্গে পদত্যাগ করবেন।

মো. হুমায়ুন কবির বাবু

দক্ষিণ বানিয়াগাতী, বেলকুচি, সিরাজগঞ্জ।

 

► অতীতে দেখা গেছে, নির্বাচন কমিশনাররা কোনো না কোনো দলের কাছে নতজানু হয়ে পড়েন। বর্তমান কমিশনারদের কাছে আমাদের প্রত্যাশা, তাঁরা স্বাধীনভাবে, মেরুদণ্ড সোজা করে দায়িত্ব পালন করবেন। আগামী নির্বাচন হতে হবে সব দলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ।

এম এ মতিন

সবুজবাগ, ঢাকা।

 

► শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যেই গঠিত হয়েছে নতুন ইসি। এই দায়িত্ব পালনে কমিশনারদের সৎ থাকতে হবে। নজিরবিহীন নারায়ণগঞ্জ নির্বাচনের মতোই আদর্শ, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আমরা ভবিষ্যতে দেখতে চাই। জনগণ শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চায়। এ নিয়ে হানাহানি, সহিংসতা তারা চায় না।

শিবুপ্রসাদ মজুমদার

লেকসার্কাস, কলাবাগান, ঢাকা।

 

► আগামী জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু হতে হবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা। এই প্রত্যাশা পূরণে নতুন নির্বাচন কমিশনকে দায়িত্বে সৎ থেকে কাজ করে যেতে হবে।

মো. তারিফ হোসেন

মোহাম্মদপুর, ঢাকা।

 

► সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের সঙ্গে নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা তথা স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের সম্পর্কটি সরাসরি। তাই সব স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় স্বার্থকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনকে এগিয়ে যেতে হবে।

আবদুল্লাহ আল ইসলাম

বাগেরহাট সদর, বাগেরহাট।

 

► বাংলাদেশের মতো জটিল রাজনৈতিক সমীকরণ আর কোনো দেশে আছে বলে আমার জানা নেই। সর্বদলীয় সমঝোতা থাকলেই একটি জাতি এগিয়ে যায়। নতুন নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রত্যাশা, আগামী নির্বাচন সব দলের অংশগ্রহণে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করে যাবে।  

আনোয়ারুল ইসলাম শাহিন

কোর্টবাজার, উখিয়া, কক্সবাজার।

 

► নির্বাচন কমিশন গঠনের প্রক্রিয়াটি নিরপেক্ষ ছিল। তাই নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবে বলেই আমি মনে করি।

হাসমত উল্লাহ খান

রামগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর।

 

► মানুষের প্রত্যাশা জাগিয়ে গঠিত হয়েছে নতুন নির্বাচন কমিশন। এই প্রত্যাশা পূরণে তাদের আন্তরিক থাকতে হবে। নির্বাচন সুষ্ঠু হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে, দেশ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে থাকবে। এই সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করবে স্বাধীন, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন।

সাবিনা সিদ্দিকী শিবা

ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ।

 

► আমার দুটি দাবি। প্রথমত, ছোট দলগুলোকে নির্বিঘ্নে প্রচারাভিযান চালাতে দিতে হবে। আওয়ামী লীগ বা বিএনপি তাদের কর্মীবাহিনী দিয়ে ছোট দলের প্রার্থীদের হেনস্তা করবে না। দ্বিতীয়ত, হিন্দু, খ্রিস্টান ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সব সদস্যকে নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যেতে দিতে হবে। তাদের স্বাধীন ভোটাধিকারে হস্তক্ষেপ করা যাবে না।

হরেন্দ্রকুমার নাথ

পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম।

 

► রাষ্ট্রপতি যোগ্য ব্যক্তিদেরই বাছাই করেছেন নির্বাচন কমিশন পরিচালনার জন্য। একজন নারী নির্বাচন কমিশনার মনোনীত হওয়াটাও একটা বড় ঘটনা আমাদের সমাজের প্রেক্ষাপটে। দেশের ইতিহাসে এটি নজিরবিহীন। আগামী নির্বাচন আমাদের রাজনীতি ও অর্থনীতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই নির্বাচন কমিশনের সাহসী ও নিরপেক্ষ ভূমিকার সঙ্গে কিছুতেই আপস করা চলবে না।

কুমারেশ চন্দ্র

বাস শ্রমিক, ঝিনাইদহ টার্মিনাল।

 

► নতুন নির্বাচন কমিশনের কাছে অবশ্যই আমাদের একমাত্র প্রত্যাশা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন। যেখানে সব রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করবে এবং দল-মত-নির্বিশেষে ভোটারা ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবে। ভোট দেওয়ার জন্য ভোট দেওয়া নয়, অবশ্যই সৎ ও ভালো প্রার্থীকে জনগণের কল্যাণে কাজ করার জন্য ভোটযুদ্ধে জয়ী দেখতে চাই। বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলো যাতে তাদের ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে কম টাকাওয়ালা প্রার্থীকে পেছনে ফেলতে না পারে, নির্বাচন কমিশন খতিয়ে দেখতে পারে।  

ওয়াহিদ মুরাদ

স্বরূপকাঠি, পিরোজপুর।

 

► আমাদের  রাজনীতিতে সন্দেহ আর অবিশ্বাস এতটাই সুবিস্তৃত যে বিএনপি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রস্তাব করা যেকোনো ব্যক্তিকে মেনে নেবে না; আবার আওয়ামী লীগও বর্তমান জাতীয় সংসদের বাইরে থাকা বিএনপির প্রস্তাব করা কোনো নাম মেনে নেবে—তা তো প্রায় অসম্ভবের পর্যায়েই পড়ে। আসুন নতুন গঠিত কমিশনের গঠনপ্রক্রিয়া নিয়ে বেশি আলোচনা না করে বরং নতুন কমিশনের ওপর আস্থা রাখি। বিরোধিতার জন্য বিরোধিতার সংস্কৃতি আমাদের রাজনীতিতে চেপে বসেছে। এ থেকে আমাদের বের হতে হবে।

মাহদী হাসান জুয়েল

ব্যাংক কলোনি, সাভার, ঢাকা।

 

► অনেক আলোচনা-সমালোচনার পর গঠিত হয়েছে নির্বাচন কমিশন। আমাদের প্রধান বিরোধী দল সমালোচনা করলেও অন্যান্য দল কমিশনকে সাধবুাদ জানিয়েছে। এখন দেখার বিষয় হলো বিদায়ী কমিশনের ভুলগুলো নতুন কমিশন পুনরাবৃত্তি করে কি করে না। একজন ভোটার হিসেবে আমার প্রত্যাশা বা দাবি, নির্বাচন কমিশনকে সততার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

এম এ শাক্কুর আলম

জিনজিরা, ঢাকা।

 

► নির্বাচন কমিশন নিয়ে এবার মানুষের প্রত্যাশা আকাশচুম্বী। তাদের হতাশ করা যাবে না। আমার বিশ্বাস, নতুন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করে যাবে।

আসাদুল্লাহ মুক্তা

উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ।

 

► নতুন নির্বাচন কমিশন দল-মত-নির্বিশেষে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা। তারা একটি সুষ্ঠু, জবাবদিহিমূলক জাতীয় নির্বাচন করবে, যা সব দলের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে এবং সব দলের অংশগ্রহণে হবে—এটাই দেশবাসীর প্রত্যাশা। নতুন নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম জাতীয় বিবেককে যেন আঘাত না করে, সেই শুভ দৃষ্টিভঙ্গি কাম্য।

মো. আবদুর রাজ্জাক নাছিম

পরিবেশকর্মী, চান্দাইকোন, বগুড়া।

 

► সিইসি দল বা ব্যক্তির কাছে নতি স্বীকার না করে শক্ত কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে নির্বাচন পরিচালনা করবেন। সংলাপের মাধ্যমে সব দলের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে এনে সততা ও নিরপেক্ষতার মাধ্যমে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করবেন, এটাই দেশের মানুষের প্রত্যাশা।

কামরুজ্জামান

কলাবাগান, ঝিনাইদহ সদর।

 

► মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশ পেয়েছি। ভোটাধিকার প্রয়োগের স্বাধীনতা পেয়েছি। আমরা আশা করছি নতুন নির্বাচন কমিশন এ দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারবে।

ফারুক আহমেদ

বাগমারা, রাজশাহী।

 

► নতুন নির্বাচন কমিশনের কাছে আমার প্রত্যাশা তারা যেন নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারে।

মো. আনোয়ার হোসেন

বাঞ্ছারামপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

 

► বাংলাদেশে নির্বাচন নিয়ে যেমন রয়েছে অনেক জল্পনা-কল্পনা, তেমনি রয়েছে অনেক ব্যর্থতাও। নতুন নির্বাচন কমিশন সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন করবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

মো. মোকাদ্দেস হোসাইন সোহান

গ্রামপাঙ্গাসি, চানপাড়া, সিরাজগঞ্জ।

 

► ‘বৃক্ষ তোমার নাম কী ফলে পরিচয়’। কাজেই প্রমাণ পাওয়া যাবে কে ভালো, নিরপেক্ষ। গত প্রধান নির্বাচন কমিশনার অনেক সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। তাই এবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের জন্য পথটি দুর্গম। তাঁকে প্রথম থেকেই নিরপেক্ষভাবে এগোতে হবে। আমাদের প্রত্যাশা তাঁরা ভালো লোক হবেন।

শেখ মোহাম্মদ আলী

তালতলা বাজার, সিরাজদিখান, মুন্সীগঞ্জ।

 

► প্রজাতন্ত্র নিয়োজিত নির্বাচন কমিশনাররা প্রজাতন্ত্রের মূল্যবোধের জায়গাটিকে সমুন্নত করে তাঁদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সুচারুরূপে পালনের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির সম্মিলন ঘটাবেন—কায়মনোবাক্যে এটাই কামনা করি।

জালাল উদ্দিন আহমেদ

তাজমহল রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।

 

► গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বলা হয়েছে ‘নির্বাচন কমিশনার দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল এই সংবিধান ও আইনের অধীনে থাকিবেন। ’ নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে আমার প্রত্যাশা, তিনি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে সব সময় কাজ করে যাবেন। তাঁর কাছ থেকে সব দল যেন সমদৃষ্টি পায়।

মো. দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া

লাকসাম, কুমিল্লা।

 

► নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে মহামান্য রাষ্ট্রপতি এরই মধ্যে তাঁর দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট হয়েছেন। গঠিত সার্চ কমিটিও বেশ বিচক্ষণতার সঙ্গে কাজ করেছে বলে মনে করছি। বেশ সতর্কতার সঙ্গে গঠিত হলো নতুন নির্বাচন কমিশন। এখন সব দলের বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনই হচ্ছে বড় চ্যালেঞ্জ।

মাজহারুল ইসলাম লালন

নকলা, শেরপুর।

 

► নির্বাচন কমিশনের কাছে আমাদের প্রত্যাশা সঠিক, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন, যে নির্বাচন দেশের জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে। জনগণ ভোট দেবে, তাদের নেতা তারাই ঠিক করবে, সেখানে কারো হাত থাকতে পারবে না।

ফোরকান আক্তার চৌধুরী

আরজতপাড়া, তেজগাঁও, ঢাকা।

 

► সংসদ নির্বাচনসহ অন্যান্য সব নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে, এটাই জাতির ঐকান্তিক প্রত্যাশা।

জাহাঙ্গীর কবীর পলাশ

শ্রীধরপুর, বাড়ৈখালী, মুন্সীগঞ্জ।

 

► নবগঠিত নির্বাচন কমিশন নিজেদের যোগ্যতা, সৎ সাহস ও শক্তিশালী পদক্ষেপের মাধ্যমে সংবিধান, আইন ও বিধিবিধান মেনে ঐকমত্যের ভিত্তিতে আগামী সব নির্বাচন পরিচালনা করবে, এটাই জাতির প্রত্যাশা।

ভূঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী

চৌমুহনী, হাজীপুর, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী।

 

► কমিশন আগামীর সব নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করবে, সে প্রত্যাশা দেশের সাধারণ জনগোষ্ঠীর।

ইয়াছিন খন্দকার লোভা

আল হুরা, আল মানামা কিংডম অব বাহরাইন।

 

► ইসির কাছে সর্বপ্রথম চাওয়া যেন আমার ভোটটা আমি দিতে পারি। দেশের অপরাজনীতির কারণে যেন আমি ভোটের অধিকার না হারাই। ইসি নির্বাচিত হলেও কোনো দেশের নির্বাচনের পুরো দায়িত্বভার ইসির ওপর বর্তায় না, দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর ওপরও বর্তায়। ইসির দায়িত্বের বিশেষ দিক হলো, নির্বাচনে গণতন্ত্র রক্ষা করা। নিয়মবহির্ভূত কোনো লোক যেন নির্বাচনের প্রার্থী হতে না পারে। বিদায়ী ইসি অনেক সমালোচনায় পড়েছিলেন অতীতে, সে দিকগুলো মাথায় রেখে নতুন ইসি কাজ করবে আশা করি। রাজনৈতিক দলগুলোও ইসিকে সহায়তা করবে। কোনো দল তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে ইসিকে চাপে রাখবে না। আঞ্চলিক পর্যায়ে দেখা যায়, নারী সদস্যদের তেমন কথা বলতে বা কাজ করতে দেয় না, তাদের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া হয় না। আশা করি প্রধান নির্বাচন কমিশনার তা করবেন না। সব দলের কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে ইসিতে নিয়োগ দেওয়া দুরূহ ব্যাপার। তার পরও  যাঁরা এসেছেন তাঁরা দলীয় প্রভাবের কাছে নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দেবেন না। কমিশনের সদস্যরা অতীতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সুনামও আছে অনেক। সেই সুনাম তাঁরা অক্ষুণ্ন রাখবেন।

রহিমা আক্তার মৌ

চাটখিল, নোয়াখালী।

 

► অতীতের অপবাদ ঘুচিয়ে, স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ  নির্বাচন  আয়োজন করাই হবে নতুন নির্বাচন কমিশনের প্রধান ও একমাত্র কাজ।

শাহীন রেজা

ঢাকা।

 

► গণতন্ত্রের প্রসার ও ভোটারের ভোটাধিকার প্রয়োগের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো নির্বাচন। আর এ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপক্ষভাবে পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। বিগত কয়েকটি নির্বাচনের পরিবেশ-পরিস্থিতি মানুষের মনে এমনভাবে প্রতিফলিত হয়েছে, যার ফলে মানুষ নির্বাচন প্রক্রিয়া ও নির্বাচন কমিশন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। অথচ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য শক্তিশালী সৎ ও সাহসী নির্বাচন কমিশনের বিকল্প নেই। তাই নবগঠিত নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষতা প্রমাণের মাধ্যমেই আস্থা অর্জন করতে হবে। প্রশ্ন হলো, রাজনৈতিক দলগুলো কমিশনকে কতটা সহযোগিতা করবে এবং বিতর্কমুক্ত রাখবে। এখন নির্বাচন কমিশনের উচিত হবে প্রতিটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বসে আস্থা অর্জন করা এবং নির্বাচনব্যবস্থার ওপর থেকে ভোটাররা যে আস্থা হারিয়েছে, নিজেদের কর্মদক্ষতা নিরপেক্ষতার মাধ্যমে সে আস্থা ফিরিয়ে আনতে সর্বাত্মক চেষ্টা করা। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা ও সদিচ্ছার কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে রাজনৈতিক সংস্কৃতির যে অবক্ষয় ঘটেছে, নিজেদের মধ্যে সন্দেহ ও অবিশ্বাসের দানা বেঁধেছে, তা থেকে সব দলকে বেরিয়ে আসতে হবে।

নাজমুল করিম ফারুক

কড়িকান্দি বাজার, তিতাস, কুমিল্লা।

 

► প্রধান নির্বাচন কমিশনারের প্রতি অনুরোধ, নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য কাজ করুন। প্রতিটি দলের সঙ্গে কথা বলে এমন সিদ্ধান্ত নিন, যাতে জনমানুষের ইচ্ছার প্রতিফলন থাকে।

সাঈদ চৌধুরী

শ্রীপুর, গাজীপুর।

 

► কমিশনের ওপর রাখতে চাই অগাধ বিশ্বাস ও আস্থা। বছর দুই পরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এই কমিশনের অধীনেই। আবার নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হলেও সব দলের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করতে না পারলে তাকে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন বলা যায় না। গবেষকরা বলছেন, একটি দেশে সাংবিধানিক গ্রহণযোগ্য ও আইনি কাঠামোয় স্বাধীন একটি কমিশন গঠিত হওয়ার পরেও ক্ষমতাসীনরা নির্বাচনী ব্যবস্থাকে নিজেদের পক্ষে ব্যবহার করতে পারে। তা রুখতে নির্বাচন কমিশনের সামর্থ্য থাকতে হবে। কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলা মানে কমিশনে থাকা ব্যক্তিদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা নয়। বরং সবাই দেখতে চাইছে যে এই কমিশন সঠিক ও স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। আর সেই দায়িত্ব পালনে কমিশনের উচিত হবে কমনওয়েলথ দেশগুলোয় চর্চিত বিষয়গুলো আয়ত্ত করে নির্বাচনী কর্মযজ্ঞে তার যথাযথ প্রয়োগ ঘটানো। নিয়োগপ্রক্রিয়ার বিতর্ক আর দুর্বলতা তাঁদের ওপর চাপটা একটু বাড়িয়েই দিল।

মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল হাদী

ব্যাংক কলোনি, সাভার, ঢাকা।


মন্তব্য