kalerkantho


নারী সদস্যও রাখুন

৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



২০১১ সালের ২ জুলাই এই একই বিষয় নিয়ে কালের কণ্ঠ পাঠকের মতামত চেয়েছিল। একজন পাঠক হিসেবে মতামত দিয়েছিলাম। তখন এমন সার্চ কমিটি করা হয়নি নির্বাচন কমিশন গঠন করার জন্য। সরকারের এবারের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। নির্বাচন কমিশন নিয়োগ দেওয়ার জন্য যে সার্চ কমিটি করা হয়েছে তাঁদের অনেকে সমালোচলার দিকে নিয়েছে। আশা করি তাঁরা সমালোচনাগুলো মাথায় রেখে কমিশনার নিয়োগ দেবেন। একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে চাইব এমন একটি নির্বাচন কমিশন, যা জনগণ, প্রশাসন ও সব রাজনৈতিক দলের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাবে। যদিও মিলিতভাবে সবার মনের মতো পছন্দের ব্যক্তি খুঁজে পাওয়া মুশকিল হবে, তবুও কমিশনে যেন সবার পছন্দের লোক থাকে। আরেকটা জরুরি বিষয় দেখতে হবে, তা হলো গণতন্ত্রের নিয়মনীতি বিসর্জন দিতে যেন কেউ না পারে। নির্বাচন কমিশনার হতে হলে বা কমিশনারের সঙ্গে যুক্ত থাকা ব্যক্তিকে নিরপেক্ষ হতে হবে। নির্বাচনের নিয়ম অনুযায়ী যে ধরনের লোকদের নিয়োগ দেওয়া নিষেধ, তারা যেন ক্ষমতার জোরে কমিশনে আসতে বা থাকতে না পারে এবং কোনো রাজনৈতিক দল যেন ক্ষমতার জোরে নিয়মবহির্ভূত হয়েও নিয়োগ না পায় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।

শুধু কমিশনার নিয়োগ দিলেই হবে না, তাঁদের নিরপেক্ষ কাজ করার স্বাধীনতা দিতে হবে। সার্চ কমিটিতে যেমন নারী সদস্য রাখা হয়েছে, তেমনি নির্বাচন কমিশনের মধ্যে নারী সদস্যকেও রাখা হয়, তার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি। ২০১১ সালে নির্বাচন কমিশনে নারী সদস্য রাখা হবে বলে ঘোষণা দিয়েও ফাইনালে রাখা হয়নি।

 

রহিমা আক্তার মৌ

চাটখিল, নোয়াখালী।


মন্তব্য