kalerkantho


প্রধানমন্ত্রীর কথার প্রতিফলন চাই

৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা এলে জনগণের প্রতিনিধি নির্বাচিত হয় না। নির্বাচনে পেশিশক্তির আর্বিভাব ঘটলে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা ব্যাহত হয়।

নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য রাষ্ট্রপতি সব দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেই বৈঠকে নির্বিঘ্নে সবাই মতামত ব্যক্ত করেছেন। এরই মধ্যে ছয় সদস্যের সার্চ কমিটি গঠিত হয়েছে। বিভিন্ন দল থেকে নির্বাচন কমিশনের জন্য ১২৫ জনের নাম এসেছে। সার্চ কমিটি তাদের মধ্য থেকে ২০ জনের নামের সংক্ষিপ্ত তালিকা করেছে। কিন্তু এই ২০ ব্যক্তির মধ্যে সব দলের মতামতের প্রতিফলন হয়েছে কি না, এটা দেখতে হবে। হয়তো নিরপেক্ষ লোক পাওয়া যাবে না। তবে যিনি সর্বজন শ্রদ্ধেয়, সমাজ ও দেশ উন্নয়নে অবদান রেখেছেন, কর্মক্ষেত্রে যিনি দলীয় আজ্ঞাবহ ছিলেন না, এমন লোকদের নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে। নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে অবিশ্বাস সৃষ্টি হলে নির্বাচনের পরের কাজগুলো করা দুরূহ হবে। তবে নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ থাকতে হবে। যেকোনো পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ আইন প্রয়োগের ক্ষমতা তাঁকে দিতে হবে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত যদি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন গঠন করতে পারে, আমরা কেন পারব না। স্বাধীন ও নিরপক্ষে কমিশন গঠন করলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচনকালে সহায়ক সরকার—এসবের প্রয়োজন পড়বে না। তবে এ ব্যাপারে সরকারের সর্বোচ্চ সদিচ্ছা থাকতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তিনি আর প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন দেখতে চান না। জাতি তাঁর এ কথার প্রতিফলন দেখতে চায়।

 

মিজানুর রহমান

বানাসুয়া, কুমিল্লা।


মন্তব্য