kalerkantho


দলীয় প্রভাবমুক্ত ইসি গঠন করতে হবে

৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



দলীয় প্রভাবমুক্ত ইসি গঠন করতে হবে

সবার কাছে গ্রহণযোগ্য, দলীয় প্রভাবমুক্ত নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে দল নয়, সুধীসমাজের দেওয়া নাম প্রাধান্য পেতে পারে।

কোনো নাম একাধিক দল প্রস্তাব করলে অগ্রাধিকার দিতে হবে। ক্ষমতাসীন দলের আন্তরিকতা থাকলে নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করার কাজটি কঠিন হবে না। কালের কণ্ঠ’র পাঠকরা ফোনে ও ই-মেইলে এমন মন্তব্য করেছেন

 

►    সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে নির্বাচনের স্বার্থে একটি দলীয় প্রভাবমুক্ত এবং মেরুদণ্ডসম্পন্ন নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে।

এস এম সাইদুর রহমান উলু

বিমানবন্দর সড়ক, ঈশ্বরদী, পাবনা।

 

►    সার্চ কমিটি প্রাণান্ত কাজ করছে। যাঁরা জাতীয় পর্যায়ে সার্বিক বিষয়ে ধারণা রাখেন, সৎ, সাহসী জীবন যাপনে অভ্যস্ত, দল-মত-নির্বিশেষে নিরপেক্ষতা রাখতে সক্ষম, শতভাগ না হলেও বেশির ভাগ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী—এমন ব্যক্তিদের নিয়েই যেন ইসি গঠন করা হয়। গ্রহণযোগ্য ইসিই জাতির প্রত্যাশা।

আসাদুল্লাহ মুক্তা

মহেশপুর, উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ।

 

►    সার্চ কমিটির নেওয়া পদক্ষেপগুলো এ পর্যন্ত যথেষ্ট ইতিবাচক ও প্রশংসনীয় হয়েছে।

সুধীসমাজের সঙ্গে তাদের বৈঠক ও রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে নাম আহ্বানের মাধ্যমে তারা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। আশা করা যায়, তাদের পদক্ষেপগুলো সব দলের কাছে গ্রহণযোগ্য এক ইসি গঠনে ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন নিয়ে আগামী নির্বাচনকেন্দ্রিক কোনো সহিংস আন্দোলন হবে না বলেও আমাদের প্রত্যাশা।

এম এ শাক্কুর আলম

জিনজিরা, ঢাকা।

 

►    নির্দলীয়, নিরপেক্ষ, সৎ, যোগ্য, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, অবসরপ্রাপ্ত সচিব, বিশিষ্ট আইনপ্রণেতা, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সমাজেসেবী নারী নেত্রীদের নিয়ে ইসি গঠিত হোক।

কামরুজ্জামান

কলাবাগান, ঝিনাইদহ সদর।

 

►    সার্চ কমিটির কাজে আমরা সন্তুষ্ট। তারা যোগ্য, আদর্শ ব্যক্তিদেরই নির্বাচন কমিশনের জন্য সুপারিশ করবে বলে আমরা মনে করি। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জ নির্বাচনের মতো যেন আমাদের ভবিষ্যতের সব নির্বাচন নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়।

শিবু প্রসাদ মজুমদার

কলবাগান, ঢাকা।

 

►    এমন একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার দেখতে চাই, যিনি স্রষ্টা ছাড়া আর কারো কাছে মাথানত করে চলবেন না। সব দলের অংশগ্রহণে জাতীয় নির্বাচন হতে হবে।

নাদিম খান

ভাইজোড়া, পিরোজপুর।

 

►    সব দলই নাম দিচ্ছে। যাঁদের নাম বেশি পড়বে বা একাধিক দলের সুপারিশে তাঁদের নিয়ে ইসি গঠন করুন। আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। নতুন করে সহিংসতা, বিতর্ক, বিতর্কিত নির্বাচন জনগণ আর আশা করে না। ভালো মনের মানুষ, যাঁদের খারাপ ইতিহাস নেই, যাঁরা দলনিরপেক্ষ, এমন ব্যক্তিদের নিয়ে ইসি গঠন করুন।

মোহাম্মদ আলী

বোরহানপুর, হাজারীবাগ রোড, ঢাকা।

 

►    সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের দেশে ক্ষমতার পালাবদল নিয়ে অস্থিরতা চলছে। কিভাবে, কোন কর্তৃপক্ষের আওতায় নির্বাচন হবে তার স্থায়ী কাঠামো হোক।

মোহাম্মদ নাজিম আদি

সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম।

 

►    মানুষ গোলকধাঁধায় আছে, অনেকেই মনে করছে কমিটি যতই গঠিত হোক, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ হবে না। সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়েও মানুষ সন্দিহান। নারায়ণগঞ্জের নির্বাচন দেশবাসীকে সন্তুষ্ট করেছে। পরের সব নির্বাচন এই মানের হতে হবে।

মোমিন হৃদয়

নাটুয়ারপাড়া, কাজীপুর, সিরাজগঞ্জ।

 

►    রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত নয়, সুধীসমাজের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে ইসি গঠিত হলে তা সাধারণ মানুষের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য হবে। সুধীসমাজের মতে সাধারণ মানুষের মতই প্রতিফলিত হয়। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের মুনাফাটাই বেশি দেখে। জনগণের স্বার্থ তাদের কাছে অর্থহীন।

মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম টিপু

সেনবাগ, নোয়াখালী।

 

►    সৎ এবং যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করুন।

ইয়াছিন খন্দকার লোভা

সিলোনিয়া বাজার, দাগনভূঞা, ফেনী।

 

►    সার্চ কমিটির ওপর সন্তুষ্ট ছিলাম। এবার সন্তুষ্ট থাকতে চাই নির্বাচন কমিশনের ওপর। সার্চ কমিটিতে যেমন আওয়ামী লীগের কোনো লোক ছিল না, ঠিক তেমনি নির্বাচন কমিশনেও থাকবে না, এমনটাই আশা আমাদের। তবে বিএনপি বা অন্য কোনো দলের মনোনীত কেউ নির্বাচন কমিশনার হিসেবে মনোনীত হলে সে ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগেরও মনোনয়ন থাকতে হবে। সর্বোপরি একটি সৎ, বিচক্ষণ ও গঠনমূলক নির্বাচন কমিশন আশা করছি।

যোগ্য সার্চ কমিটির সদস্যরা যোগ্য নির্বাচন কমিশনারদের খুঁজে বের করবেন, এমনটাই প্রত্যাশা। নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সাংবিধানিক সংস্থা, এটি কোনোভাবেই ভুলে গেলে চলবে না। স্বাধীন সংস্থা হিসেবে নির্বাচন কমিশন প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি, সংসদ ও স্থানীয় সরকার পর্যায়ে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান নিশ্চিত করতে সাংবিধানিকভাবে শপথের দ্বারা দায়বদ্ধ।

সোলায়মান শিপন

সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, ঢাকা।

 

►    শক্ত মেরুদণ্ডের এবং ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ব্যক্তিকে যেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদের জন্য নির্বাচিত করা হয়।

রাকিবুল প্রিয়

রূপসা, সিরাজগঞ্জ।

 

►    জনগণ শক্তিশালী, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন চায়। এ ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। নির্বাচন কমিশন ঠিক হলে নির্বাচন ঠিকঠাক হবে, তখন গণতন্ত্রও আরো মজবুত হবে।

কুমারেশ চন্দ্র

 বাস শ্রমিক, ঝিনাইদহ টার্মিনাল।

 

►    রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে যেভাবে সার্চ কমিটি গঠন করে ইসি গঠনের কথা বলা হচ্ছে এমনটা আগে ছিল না। সব দল থেকে পাঁচজনের নামের তালিকা নিয়ে মোট ১২৫ জনের নাম পড়েছে রাষ্ট্রপতির কাছে। সার্চ কমিটি সেখান থেকে ২০ জনের নাম এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত করেছে। এবারের নির্বাচন কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া পুরোপুরি সংবিধান মেনে হচ্ছে। যদি আমরা সাংবিধানিকভাবে এখনো নির্বাচন কমিশন আইন করতে পারিনি। কিন্তু সার্চ কমিটি, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপ, নামের প্রস্তাব সবই এখন পর্যন্ত গণতান্ত্রিকভাবেই হচ্ছে। তাই আমাদের প্রত্যাশা থাকবে যেন সার্বিক কাজটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া মেনে হয়।

মহসীন সরকার

নয়নপুর, কসবা, ব্রাক্ষণবাড়িয়া।

 

►    নির্বাচন কমিশন গঠনে যে সার্চ কমিটি কাজ করছে তা থেকে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন আশা করছি। নির্বাচন কমিশন দল নির্বিশেষে সবার জন্য সমান হবে। কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা দুর্নীতিমুক্ত হোক, এটা প্রত্যাশা করছি। বিগত বছরগুলোর চেয়েও সুন্দর এবং জালিয়াতিমুক্ত নির্বাচন হোক, এ রকম কাজ করার প্রত্যয় নিয়ে গঠিত নির্বাচন কমিশন চাই।

স্বপ্না আক্তার

সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম।

 

►    সব দলের আস্থাভাজন নির্বাচন কমিশন চাই। যে নির্বাচন কমিশনের কাজ হবে গণতান্ত্রিক নিয়মকে সামনে রেখে সরকার ও বিরোধী সব পক্ষের সমান সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা।

মো. দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া

লাকসাম, কুমিল্লা।

 

►    যে তালিকা দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্য থেকে দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে, জাতি এটাই প্রত্যাশা করে।

জাহাঙ্গীর কবীর পলাশ

শ্রীধরপুর, বাড়ৈখালী, মুন্সীগঞ্জ।

 

►    রাজনৈতিক দ্বিচারিতায় ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষ। আশা একটাই, বঙ্গবন্ধুকন্যা আমাদের সামনের সারিতে আছেন। তাঁর স্টেটম্যানশিপ নেতৃত্বই আমাদের সামনের অনিশ্চয়তার হাত থেকে মুক্ত করতে পারে। আশা করছি রাষ্ট্র সে পথেই হাঁটবে।

জালাল উদ্দিন আহমেদ

তাজমহল রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।

 

►    গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সঠিক গতিশীলতার জন্য স্বচ্ছ নির্বাচন কমিশনের প্রয়োজন। কোনো দলের একজন সৎ মানুষও যদি নির্বাচন কমিশনার হন, তবুও অন্য দল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলবে। এই প্রশ্ন তোলা থেকেই নির্বাচন অগ্রহণযোগ্য হয়। নির্বাচন গ্রহণযোগ্য করে তোলার জন্যই নিরপেক্ষ মানুষকে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দেশের মানুষ দেখতে চায়।

সাঈদ চৌধুরী

শ্রীপুর, গাজীপুর।

 

►    মনেপ্রাণে চাই, একটি ইতিবাচক ফল আসুক। সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন কমিশন উপহার দিন মহামান্য রাষ্ট্রপতি। বিএনপি চোখ বন্ধ রেখে ‘না’ বলার প্রথা মুখস্থ করে দিয়েছে। যদি এমন হয় তো সমাধান কোথায়? তাদেরও ছাড় দেওয়ার মানসিকতা রাখতে হবে এবং ক্ষমতাসীনদেরও একই নীতি অনুসরণ করতে হবে। সর্বোপরি একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন প্রত্যাশা করি।

অনিত্য চৌধুরী

চকবাজার, চট্টগ্রাম।

 

►    নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন করতে গিয়ে তা যেন মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তির পক্ষের প্রতিনিধিত্বকারী না হয়। নির্বাচন কমিশন কাজ করবে দেশ, জনগণ ও গণতন্ত্রের সঙ্গে। দেশের আমলাকেন্দ্রিক আবহের বাইরে গিয়ে দেশের মেধাবী পেশাজীবী সমাজের প্রতিনিধিত্ব থাকুক নির্বাচন কমিশনে। রাজনৈতিক নিরপেক্ষতাই গ্রহণযোগ্যতার একমাত্র নির্ণায়ক নয়। বাংলাদেশের মানুষ আর আগের রাজনৈতিক অরাজকতার অধ্যায়ে ফিরে যেতে চায় না।

ডা. রাজীব দে সরকার

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকা।

 

►    বাংলাদেশের রাজনীতি প্রতিহিংসার। নির্বাচন কমিশনে দক্ষ ও ভালো লোক দিলেও বিতর্ক উঠবে। তাই সার্চ কমিটির সদস্যরা যেন আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ অন্যান্য দল থেকে আসা প্রস্তাবিত সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করে। এ ছাড়া একজন দক্ষ, দলনিরপেক্ষ আলেমকে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। নির্বাচন কমিশন গঠনে যাঁরা দায়িত্ব পাবেন, তাঁরা যেন প্রতিটি নির্বাচন নিরপেক্ষভাবে করতে পারেন সেই চেষ্টা করবেন। আর তা যদি না করতে পারেন, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে পদত্যাগ করবেন এবং তা দেশবাসীকে জানাবেন।

মো. হুমায়ুন কবির বাবু

দক্ষিণ বানিয়াগাতী, বেলকুচি, সিরাজগঞ্জ।

 

►    সুধীসমাজ অবশ্যই একটি সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য যোগ্য ব্যক্তিদের নির্বাচন কমিশনে দেখতে চায়। যাঁরা এই পদে পদায়ন হবেন তাঁদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত গণতন্ত্রের অধিযাত্রায় আগামী জাতীয় নির্বাচন অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। যে বা যাঁরা তাঁদের কর্মকাণ্ড দলনিরপেক্ষভাবে উপস্থাপন করতে পারবেন, তাঁদেরই নির্বাচন কমিশনে পদায়ন হওয়া উত্তম। এ কথা ভুললে চলবে না, আমাদের দেশে বেশ কয়টি নির্বাচন সর্বমহলের প্রশংসা কুড়িয়েছে। আমাদের আগামী নির্বাচনও ভোটারের উপস্থিতিতে যথেষ্ট গ্রহণযোগ্যতা পাবে—এ বিশ্বাস নিয়েই আমাদের পথচলা। দু-তিনটি রাজনৈতিক দল যা বলবে তাই হতে হবে, এমন না ভেবে দেশের সুধীজনের প্রত্যাশা ও কামনা-বাসনার দিকে নজর রেখে নির্বাচন কমিশন কাজ করবে বলেই আমাদের বিশ্বাস।

ওয়াহিদ মুরাদ

কাঞ্চন, নারায়ণগঞ্জ।

 

►    আওয়ামী লীগ থেকে দুজন, বিএনপি থেকে দুজন, আর অন্য দল থেকে একজন নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করা যেতে পারে। আর যদি মনে করা হয়, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে, ফলে তাদের থেকে একজন বেশি নেওয়া যেতে পারে।

জুয়েল

উত্তরা, ঢাকা।

 

►    সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে।

মো. মোকাদ্দেস হোসাইন

গ্রামপাঙ্গাসী, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ।

 

►    স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যোগ্য ইসি গঠন করাই সার্চ কমিটির কাজ। বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে প্রধান করে গঠিত এবারের কমিটিতে আরো দুজন শিক্ষাবিদকে নেওয়া হয়েছে। ফলে সার্চ কমিটির ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা বেড়েছে। এখন এ কমিটিই রাষ্ট্রপতির কাছে ইসির জন্য নাম প্রস্তাব করবে। একটি  দক্ষ নির্বাচন কমিশন আসুক—এটা সবার প্রত্যাশা।

ফারুক আহমেদ

বাগমারা, রাজশাহী।

 

►    রাষ্ট্রপতি নিয়মানুযায়ী সার্চ কমিটি গঠন করেছেন। এখন সার্চ কমিটির কাজ হলো নির্বাচন কমিশনের জন্য নাম প্রস্তাব করা। এই নাম যেন সব রাজনৈতিক দলের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়, সেটাই আমাদের প্রত্যাশা। বরাবরই দেশে দলীয় আনুগত্যের লোককে নির্বাচন কমিশনার করা হয়। আর দলীয় আনুগত্যের কারণে নির্বাচন কমিশন কখনো সাহসী নেতৃত্ব দিতে পারে না। ফলে বিরোধী দল থেকে তাদের সমালোচনা করা হয়। নির্বাচনও প্রশ্নবিদ্ধ হয়। ।

শেখ মোহাম্মদ আলী

তালতলা বাজার, সিরাজদিখান, মুন্সীগঞ্জ।

 

►    সব রাজনৈতিক দলের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন উপহার দেবে, এটুকুই সার্চ কমিটির কাছে প্রত্যাশা করি।

এইচ কে নাথ

পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম।

 

সার্চ কমিটির মাধ্যমে যে নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে তা যেন জাতির কাছে প্রশ্নবিদ্ধ না হয়। যে কমিটি জাতির সমৃদ্ধ, আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাবে সেই নির্দলীয়, যোগ্য কমিশন গঠন করে সার্চ কমিটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে—এ প্রত্যাশা আমাদের।

মো. আবদুর রাজ্জাক নাছিম

কালিয়াকই, শেরপুর, বগুড়া।

    

►    প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের পথ অনুসরণ করে বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের নিমিত্তে বিভিন্ন পেশার ছয়জন বিশিষ্ট নাগরিককে নিয়ে একটি সার্চ কমিটি গঠন করেছেন। ওই সার্চ কমিটি এরই মধ্যে নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করা ছাড়াও সুধীসমাজ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গেও আলাপ-আলোচনা করেছে। তার মধ্যে বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল এবং সুধীসমাজ সার্চ কমিটির কর্মপদ্ধতি নিয়ে আশাবাদী। মূলত বর্তমান সার্চ কমিটির কার্যপদ্ধতি ঠিক করে নেওয়ার স্বাধীনতা আছে। এই স্বাধীনতা কাজে লাগিয়ে যোগ্য ব্যক্তিদের তালিকা প্রণয়নপূর্বক রাষ্ট্রপতির কাছে তাদের সুপারিশ করার যথেষ্ট সুযোগ আছে বলেও বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

ভূঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী

চৌমুহনী, হাজীপুর, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী।

 

►    এমন নির্বাচন কমিশন চাই, যারা শক্ত হাতে কাজ করবে, নিরপেক্ষ হবে।

ফোরকান আক্তার চৌধুরী

আরজতপাড়া, তেজগাঁও, ঢাকা।

 

►    সর্বদল স্বীকৃত, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠন করুন, যাতে আগামী নির্বাচন নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠার সুযোগ তৈরি না হয়।

মোহাম্মদ জামরুল ইসলাম

দক্ষিণগাঁও, সবুজবাগ, ঢাকা।

 

►    বিদায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনারের প্রতি আস্থা রেখে বলছি, দায়িত্ব পালনে তিনি নিরপেক্ষ ছিলেন। এবার মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী কাউকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে।

চিত্তরঞ্জন মৃধা

কচুয়া, বাগেরহাট।

 

►    ক্ষমতাসীন সরকার ও বিদেশি শক্তির প্রভাবমুক্ত পাকিস্তানপন্থী বুদ্ধিজীবীমুক্ত ইসি চাই।

মোহাম্মদ শফিউল আজম

এইচ ব্লক, হালিশহর, চট্টগ্রাম।

 

►    সুধীসমাজের দেওয়া নাম থেকেই ইসি গঠিত হোক।

মোহন লাল দাস

কুলিয়ারচর, কিশোরগঞ্জ।

 

বিদ্যমান সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন সম্ভব। সাধারণ জনগণ হিসেবে আমাদের প্রত্যাশা দেশে সুষ্ঠু গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত থাকুক। আর এ জন্য প্রয়োজন নিরপেক্ষ ও সাহসী নির্বাচন কমিশন। দলকানাদের কোনোভাবেই কমিশনে ঠাঁই দেওয়া যাবে না। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন এমনিতেই প্রশ্নবিদ্ধ। সুতরাং গ্রহণযোগ্য নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনকে সাহসী ও নিরপেক্ষ হতে হবে। নির্বাচন কমিশন গঠনে বিভিন্ন মহলের দেওয়া প্রস্তাবগুলো বিবেচনা করতে হবে। কোনোভাবেই ক্ষমতাসীনদের স্বেচ্ছাচারী মনোভাবের ভিত্তিতে কমিশন গঠন করলে তা সুফল বয়ে আনবে না।

 

মাজহারুল ইসলাম লালন

নকলা, শেরপুর।


মন্তব্য