kalerkantho


আওয়ামী লীগে যোগ্য নেতৃত্ব নিশ্চিত করুন

২২ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



আওয়ামী লীগে যোগ্য নেতৃত্ব নিশ্চিত করুন

ঐতিহ্যবাহী দল আওয়ামী লীগ বাংলাদেশকে অনেক কিছু দিয়েছে। দেশকে আরো এগিয়ে নিতেও এ দলের বিকল্প নেই। তবে কোন্দল, নেতৃত্বহীনতা, আদর্শহীন লোকদের উড়ে এসে জুড়ে বসা—আওয়ামী লীগের এখন বড় সমস্যা। তাই দলটির জাতীয় সম্মেলনের প্রাক্কালে সবার প্রত্যাশা—হাইব্রিড নেতাদের সরিয়ে ত্যাগী নেতাদের যোগ্য মর্যাদা দেওয়া হবে। কালের কণ্ঠ’র পাঠকরা গতকাল ফোনে ও ই-মেইলে এমন অভিমত ব্যক্ত করেন

 

► বার্ট্রান্ড রাসেল বলেছেন, ‘একজন সত্যিকারের নেতাকে আত্মবিশ্বাসী হতে হয়, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণক্ষমতা রাখতে হয়, উদারতা প্রকাশ করতে হয়; তার সঙ্গে অভ্যন্তরীণ প্রেষণা এবং মানবিক দিক থাকতে হবে। ’ রাজনীতি হলো বুঝার, রাজনীতি হলো শেখার। দলে থাকলেই যেমন নেতা হওয়া যায় না, ঠিক তেমনি রাজনীতির সুশিক্ষা না থাকলে নেতৃত্বে টিকে থাকতে পারে না। তাই যাঁরা জনগণের জন্য কাজ করে আসছেন, তাঁদেরই ২০তম কাউন্সিলে জায়গা দেবেন।   আমরা সাধারণরা তেমন ব্যক্তিদের চাই, যাঁরা গলাবাজি না করে হাতে-কলমে কাজ করবেন।

রহিমা আক্তার মৌ

বানসা, চাটখিল, নোয়াখালী।

 

► প্রধানমন্ত্রী ভালোভাবেই দেশ চালাচ্ছেন। দলেও তাঁর সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ ভালো আছে। তাঁর নেতৃত্বে আস্থা রেখেই বলব, প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ সরকারি সহযোগিতাগুলো তেমনভাবে পাচ্ছে না। সরকার, সেই সঙ্গে সরকারি দল এ ব্যাপারে সচেতন থাকলে দুস্থ মানুষ আরো বেশি উপকৃত হবে।

কামাল হাসান

গফরগাঁও, ময়মনসিংহ।

 

► আমরা কেউই হাইব্রিড নেতাদের নেতৃত্বে দেখতে চাই না। সম্মেলন হতে হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সামনে রেখে। প্রতিক্রিয়াশীল, সুবিধাভোগী যেসব লোক আওয়ামী লীগে ঢুকে পড়েছে, তাদের কোণঠাসা করতে হলে দলের নেতৃত্বে আদর্শ আওয়ামী লীগারদের নিয়ে আসতে হবে। টাকার বিনিময়েও যাতে কেউ পদে উঠে যেতে না পারে, এ ব্যাপারে সাবধান থাকতে হবে।

নাদিম খান

ভাইজোড়া, পিরোজপুর।

 

► বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী বাঙালি চেতনায় নিবেদিত, শতভাগ অসাম্প্রদায়িক নেতাদের নেতৃত্বে দেখতে চাই।

মোশতাক আহমদের মতো মীর জাফরদের অনুপ্রবেশ বন্ধ রাখতে সর্বাত্মক সতর্ক থাকতে হবে। সন্ত্রাসীদের মদদদাতা, মাদক ব্যবসায়ী বা তাদের গডফাদারদের আওয়ামী লীগে দেখতে চাই না। হাইব্রিড, জুলুমবাজ, উত্পীড়নকারীদের নয়, ত্যাগী, আদর্শবান ও জনসেবক নেতাদের হাতে দলের ভার অর্পণ করুন।

হরেন্দ্রকুমার নাথ

পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম।

 

► নবীন মুখদের সামনে আনা হলে দল গতিশীল হবে।

মঞ্জুরুল আলম

মদনহাট, হাটহাজারী, চট্টগ্রাম।

 

► আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে ঢাকায় জমায়েত এখন লাখো নেতাকর্মী। ওপরে কাউন্সিল, তলে তলে চলছে টাকার খেলা। যোগ্য নেতৃত্ব নিশ্চিত না করা গেলে দলে পরিবর্তন আসবে না।

মো. আমিনুল ইসলাম হিরু

কাটিপাড়া, নলছিটি, ঝালকাঠি।

 

► পরিবারতন্ত্রের বেড়াজালে আমাদের রাজনীতি এখন ঘূর্ণিপাক খাচ্ছে। তবুও ভরসা, আওয়ামী লীগ একটা ঐতিহ্যবাহী গণতান্ত্রিক দল। তার কাছে আমরা বারবার ফিরে যাই আঁতুড়ঘরের গন্ধ শুঁকতে। আশা করব এবারের জাতীয় সম্মেলন আমাদের হতাশ করবে না।

জালাল উদ্দিন আহমেদ

তাজমহল রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।   

 

► যাঁরা যোগ্য ব্যক্তি তাঁদেরই যেন নেতৃত্ব দেওয়া হয়।

শেখ মোহাম্মদ আলী

তালতলা বাজার, সিরাজদিখান, মুন্সীগঞ্জ।

 

► সব কাউন্সিলারকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সত্যিকারের অনুসারী হতে হবে।

ইঞ্জিনিয়ার ইব্রাহিম খলিল

বিশ্ব জাকের মঞ্জিল হাসপাতাল, ফরিদপুর।

 

► দেশের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের বিকল্প নেই। আওয়ামী লীগ প্রধান হিসেবেও তিনি যোগ্য। এর পরও বলব, দলে  গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বার্থে পরিবর্তন আসা দরকার।

হুমায়ুন কবির বাবু

দক্ষিণ দানিয়াগাছি, বেলকুচি, সিরাজগঞ্জ।

 

► পরীক্ষিত নেতাদের হাতে নেতৃত্ব তুলে দিন। সুবিধাবাদীদের নৌকার কর্ণধার বানানো মানেই হচ্ছে দলকে ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দেওয়া। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা দেখতে চাই। তীরে এসে তরী ডুবুক তা চাই না।

ইলিয়াস সুমন

সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম।

 

► অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে রাজনীতিতেও পরিবর্তন আসা দরকার। এ ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের দায়িত্ব অনেক বেশি। কারণ এই দলটির নেতৃত্বেই দেশ স্বাধীন হয়। আমরা এই দলে যোগ্য নেতৃত্ব চাই। দুর্নীতিবাজ লোকজন নেতৃত্ব পেলে দলের ক্ষতি হবে।

নিকেশ সুপ্রিয় বৈদ্য

জগন্নাথপুর, সুনামগঞ্জ।

 

► যোগ্য ব্যক্তিরা নেতৃত্বে আসতে পারল কি না তার ওপরই কাউন্সিলের সফলতা-ব্যর্থতা নির্ভর করছে। ‘থোড় বড়ি খাড়া, খাড়া বড়ি থোড়’ অর্থাৎ ঘুরেফিরে একই মুখ নেতৃত্বে থাকলে কাউন্সিল করে কী লাভ?

মোহাম্মদ আলী

বোরহানপুর, হাজারীবাগ রোড, ঢাকা।

 

► দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম অসাম্প্রদায়িক দল আওয়ামী লীগ। যে দলের নেতৃত্বে স্বাধীনতা পেয়েছি, মানচিত্র পেয়েছি, সেই দলের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা। উন্নয়নের এই টার্নিং পয়েন্টে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেও বড় পরিবর্তন প্রত্যাশা করছি। সোহেল তাজের মতো লোভহীন কিছু মানুষ আমাদের আশান্বিত করেছেন। এ রকম মুখ আরো বেশি বেশি দেখতে চাই।

আসাদুল্লাহ মুক্তা

মহেশপুর, উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ।

 

► বিতর্কিত, প্রশ্নবিদ্ধ নেতাদের সরিয়ে যোগ্য নেতাদের কমিটিতে স্থান দেওয়া হলেই কাউন্সিল সার্থক হবে। ওবায়দুল কাদেরকে সাধারণ সম্পাদক বা বড় কোনো দায়িত্বে দেখতে পেলে আমরা খুব খুশি হবো।

আবদুস শাকুর

জিঞ্জিরা, ঢাকা।

 

► ত্যাগী নেতাদের সঙ্গে হাইব্রিড নেতারাও দলের নেতৃত্বে ঢুকে যেতে পারে। তাদের প্রতিরোধ করতে হবে। দলে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় নিয়ন্ত্রণও প্রত্যাশা করছি।

মোমিন হৃদয়

নাটুয়ারপাড়া, কাজীপুর, সিরাজগঞ্জ।

 

► প্রবীণ ও নবীনদের সমন্বয়ে আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি হলে জাতির জনকের সোনার বাংলা একদিন গড়ে উঠবে। জাতির জনকের কন্যার নেতৃত্বে দলটি এগিয়ে যাবে, এই ভরসা আমাদের রয়েছে। শেখ হাসিনা সভানেত্রী হলে দলের জন্য ভালো হবে।

কামরুজ্জামান

কলাবাগান, ঝিনাইদহ সদর।

 

► সৎ ও ত্যাগী নেতারা দলে মূল্যায়িত হলে তবেই সম্মেলন সফল ও সার্থক হবে।

নৌশিন নাওয়াল সুনম

সৌহার্দ্য, ঈশ্বরদী, পাবনা।

 

► সম্মেলনের মাধ্যমে দলটি সুগঠিত হলে দেশ ও দশের জন্য মঙ্গলকর হবে।

এস এম সাইদুর রহমান উলু

ঈশ্বরদী শিল্প ও বণিক সমিতি, ঈশ্বরদী।

 

► আওয়ামী লীগ একটি বলিষ্ঠ দল হিসেবে আবির্ভূত হোক। গণতান্ত্রিক উপায়ে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হোক। তৃণমূল থেকে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব বিকশিত হোক। দেশ পরিচালনায় দক্ষ, অভিজ্ঞ, বিচক্ষণ ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্ব বের হয়ে আসুক। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী নেতৃত্ব যেন আওয়ামী লীগের কাঁধে ভর না করে। স্বজনপ্রীতিতে কোনো নেতা যেন ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হয়। মাস্তান, অশিক্ষিত, টেন্ডারবাজ নেতৃত্ব যেন সুবিধা করতে না পারে। হাইব্রিড নেতারা যেন ধরাশায়ী হয়ে পড়ে। দুর্নীতিমুক্ত সমাজ পরিচালনায় দক্ষ নেতা নির্বাচিত হোক। আর সর্বশেষ চাওয়া সত্যিকারের দেশদরদি, মুক্তিযোদ্ধার চেতনা ধারণ করে, দেশের উন্নয়নের চিন্তা-চেতনা নিয়ে কাজ করে এমন একটি সংগঠন আত্মপ্রকাশ করুক। কারণ এই দলের হাত ধরেই দেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। এই দলের দ্বারাই দেশের উন্নয়ন, সার্বভৌমত্ব বজায় থাকবে। এই দলের হাত দিয়ে দুর্নীতিমুক্ত উন্নয়ন সম্ভব। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত, স্বৈরতান্ত্রিক ধ্যানধারণা বিবর্জিত নেতৃত্ব বের হয়ে আসুক, এটাই সবার কামনা।

হাবিবুল ইসলাম রুবেল

খিলগাঁও, ঢাকা।

 

► আওয়ামী লীগ পুরো বিশ্বের রাজনৈতিক দলগুলোর মডেল হয়ে উঠতে পারে। তবে প্রধান অন্তরায় দলীয় কোন্দল। আব্রাহাম লিংকন কর্তৃক প্রদত্ত গণতন্ত্রের সংজ্ঞাই হোক দলের চালিকাশক্তি।

আলমগীর ইমন

চকবাজার, চট্টগ্রাম।

 

► আশা করছি নতুন কমিটি এমন হবে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাঁরা অশুভ শক্তিকে পরাজিত করার ক্ষমতা রাখবেন।

রাকিবুল প্রিয়

রূপসা, সিরাজগঞ্জ।

 

► কাউন্সিলে স্বচ্ছ লোকেরা পদ পাবেন—এটাই দেশবাসীসহ আমার প্রত্যাশা। স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিকে রুখতে মজবুত সংগঠনের বিকল্প নেই।

তানজিদ হাসান

মাওনা, শ্রীপুর, গাজীপুর।

 

► কিছু কিছু নেতার সীমাহীন আস্ফাালন, ক্ষমতার দাম্ভিকতা ও দলের মধ্যকার তথাকথিত গণতন্ত্র দেখে আমরা হতাশ। প্রতি ২৫ হাজার মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে একজন দলীয় কাউন্সিলর গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বলে কেউ হলফ করে বলতে পারে না। প্রায় দেখা যায়, নির্বাচনের বদলে সমঝোতার মাধ্যমে দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে একক প্রার্থীর নাম ঘোষণা করায় কাউন্সিলররা বাধ্যতামূলকভাবে তা সমর্থন করে যান। শুধু তাই নয়, পরবর্তী পর্যায়ে ওই সভাপতির ওপর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের দায়িত্বভার অর্পণ করে কাউন্সিলররা সবাই নিজ নিজ আলয়ে ফিরে যান। এদিকে জনগণ মুষড়ে পড়ে বটে, দলের প্রতি তাদের লালিত আশা ছাড়ে না। আশা করি কাউন্সিল আমাদের হতাশ করবে না।

ভূঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী

চৌমুহনী, হাজীপুর, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী।

 

► পৈতৃক সূত্র কিংবা সম্পর্কের খাতিরকে প্রাধান্য না দিয়ে যোগ্যতার বিচার করতে হবে।

এস আর শানু খান

মনোখালী, শালিখা, মাগুরা।

 

► আমি শেখ হাসিনাকে আবারও দলের সভাপতি পদে দেখতে চাই। সেই সঙ্গে আশা করি দলের পরিশ্রমী যোগ্য নেতারা যথাযথ মূল্যায়ন পাবেন।

মাসুম                                                                                     

আনন্দমোহন কলেজ, ময়মনসিংহ।

 

► ১৯৭১ সালের আওয়ামী লীগ আর আজকের আওয়ামী লীগের মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাৎ! আমরা চাই আওয়ামী লীগ তার আগের সেই পুরনো রূপে ফিরে আসুক। ফিরে আসুক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে।

মুকুল মজুমদার

লাকসাম, কুমিল্লা।

 

► দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত ছাত্রলীগ চাই। আওয়ামী লীগকে দেখতে চাই নতুন রূপে।

আব্দুল আজিজ

আজাইপুর, বটতলাহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

 

► দলে ত্যাগী নেতাদের স্থান হয় ও অস্বচ্ছ নেতাদের বিদায় হয়। এই স্বপ্ন আমাদের কবে পূরণ হবে? এবার হবে কী? অসৎ, অযোগ্য নেতাদের দ্বারা দল বা দেশের কল্যাণ সম্ভব নয়।

নজরুল ইসলাম খান

নতুন জুরাইন, ঢাকা।  

 

► পুরনো ভুলত্রুটি সংশোধন করে যোগ্য লোকদের হাতে নেতৃত্ব দিয়ে আওয়ামী লীগ এগিয়ে যাক।

তকরিমুল মোস্তফা

সরকারি কমার্স কলেজ, চট্টগ্রাম।

► দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, ঐতিহ্যবাহী দলটির ভেতরে আজ অসংখ্য সুবিধাবাদী লোক। এই কাউন্সিল অধিবেশনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগকে সত্যিকারের বঙ্গবন্ধুর আদর্শের দল হিসেবে দেখতে চাই। সুবিধাবাদীদের চিহ্নিত করতে হবে। কারণ এ ধরনের লোকেরা মুখে জয় বাংলা বললেও মনেপ্রাণে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে লালন-পালন করে না।

মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির

দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর, চট্টগ্রাম।

 

► নেতাকর্মীদের পছন্দের মানুষ যাঁরা তাঁদের হাতে নেতৃত্ব দিন।

আবদুল মোতালেব ভূঁইয়া

ছয়ানি টবগা, চাটখিল, নোয়াখালী।

 

► ‘উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে চলেছি দুর্বার। এখন সময় বাংলাদেশের মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর। ’ এই স্লোগান তখনই সার্থক হবে যখন দলের নেতৃত্ব গঠিত হবে সততার সঙ্গে।

জাহাঙ্গীর কবীর পলাশ

শ্রীধরপুর, বাড়ৈখালী, মুন্সীগঞ্জ।

 

► শেখ হাসিনা বলেছেন, বর্তমান সম্মেলনে তাঁর জায়গায় নতুন নেতৃত্ব এলে তিনি খুশি হবেন। কিন্তু আমি বলতে চাই, এমন সিদ্ধান্তে জাতি কি খুশি হবে?

মোহাম্মদ শেখ সাদী

চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ, চট্টগ্রাম।

 

► ছাত্রলীগের কাছে অনুরোধ, আপনারা সুপথে থাকুন।

সাঈদ চৌধুরী

শ্রীপুর, গাজীপুর।

 

► বিএনপি-জামায়াত-শিবির থেকে আসা অনেকেই পদমর্যাদা পাচ্ছে। আর প্রবীণ অনেক আওয়ামী লীগ নেতা বা প্রকৃত কর্মীরা হচ্ছেন অবহেলিত। কাউন্সিলে বিষয়টি দেখতে হবে।

তৌহিদুল ইসলাম রবিন

লাকসাম, কুমিল্লা।

 

► চাঁদাবাজ, গলাবাজ ও চাপাবাজমুক্ত নেতৃত্ব চাই।

শাহনূর ইসলাম শাহীন

যাত্রাবাড়ী, ঢাকা।

 

► চাঁদাবাজ, দখলবাজ ও সুযোগ সন্ধানীদের ব্যাপারে সাবধান থাকবেন।

মো. বাদল খান

উত্তর কাটিপাড়া, নলসিটি, ঝালকাঠি।

 

► রাজনৈতিক দক্ষতা, সততা ও স্বচ্ছতার মূল্যায়ন করতে হবে। কোনো রাজনৈতিক পরিবার বা প্রভাবশালী মহল যেন প্রভাব বিস্তার না করে কমিটি গঠনে।

ওয়াহিদ মুরাদ

স্বরূপকাঠি, পিরোজপুর।

 

 ► কাউন্সিলে গণতন্ত্রের উপস্থিতি থাকবে বা রাজনৈতিক শিষ্টাচারের প্রকাশ ঘটবে—এটি এই তথাকথিত আওয়ামী লীগের কাছে আশা করা ভুল।  

সাইফুল ইসলাম তানভীর

গুলশান, ঢাকা।

 

► দলটিতে সৎ, সুশৃঙ্খল, দেশদরদি নেতাদের সমাবেশ ঘটুক।

আবদুর রাজ্জাক নাছিম

পরিবেশকর্মী, শেরপুর, বগুড়া।

 

► এই কাউন্সিলের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে আরো শক্তিশালী দেখতে চাই।

মিস নিকাব

মিরপুর, ঢাকা।

 

► আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই বাংলাদেশ আজ বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত। আমরা আশা করছি, এই কাউন্সিলের মাধ্যমে দলটিতে গণতন্ত্র বিকশিত হবে।

ফারুক আহমেদ

বাগমারা, রাজশাহী।

 

► আশা করি আওয়ামী লীগ কাউন্সিলে এমন নেতৃত্ব উপহার দেবে, যাঁরা অতীতে কখনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জড়িত ছিলেন না।

ওয়ারেছ চৌধুরী

নরহা, নাসিরনগর, বি-বাড়িয়া।

 

► আওয়ামী লীগে ভবিষ্যতের যোগ্য নেতৃত্বের বিকাশ ঘটাতে হবে।

মুক্তিযোদ্ধা মো. গিয়াসউদ্দিন খান

কাটিপাড়া, নলছিটি, ঝালকাঠি।

 

► কাউন্সিল মানেই দল পুনর্গঠন। এর মধ্য দিয়ে দল এগিয়ে যাওয়ার শক্তি পায়। কেউ নেতৃত্ব হারায়, কেউ অর্জন করে। এখানে নতুনদের নেতৃত্ব পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকাটাই কাঙ্ক্ষিত। তবে আমরা দেখি, নির্বাচকরা অযোগ্য ব্যক্তিদেরও নেতৃত্বে নিয়ে আসেন। দুর্নীতিবাজরাও বড় পদ পেয়ে যান। আওয়ামী লীগ বড় দল বলে তাদের প্রতি মানুষের প্রত্যাশাও বেশি। কপট লোকদের হাতে ক্ষমতা চলে গেলে দল ক্ষতিগ্রস্ত হবে, মানুষও আওয়ামী লীগের প্রতি আস্থা হারাবে। তাই নবীনদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। মেধাবীদের যোগ্য স্থানে বসাতে হবে। আর যাঁরা এবার দলে প্রত্যাশিত পদ পাবেন না, তাঁদেরও উচিত হবে হতাশায় না ভুগে দলের জন্য কাজ করে যাওয়া। কারণ সুযোগ একবার

আসে না।

সাবিনা সিদ্দিকী শিবা

ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ।

 

► আমি আওয়ামী লীগের অন্ধ ভক্ত। আওয়ামী লীগ ছাড়া কিছু বুঝি না। ১৯৭০ সালে বঙ্গবন্ধু কসবা এসেছিলেন নির্বাচনী জনসভায়। পালিয়ে সভায় গিয়েছিলাম। সেই স্মৃতি আজও ভুলিনি। কুমিল্লায় ১৯৭২ বা ১৯৭৩ সালের সভায়ও বঙ্গবন্ধুকে দেখতে গিয়েছিলাম। ১৯৭৫ সাল থেকে আমি ব্যক্তিগতভাবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আছি। শেখ হাসিনা দীর্ঘদিন বিদেশ থেকে যেদিন দেশে ফেরেন, তাঁকে দেখতে এয়ারপোর্ট গিয়েছিলাম। ২১ আগস্ট হামলার দিনও বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে ছিলাম। দলটির সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করে বলব, ত্যাগী নেতাদের সামনে না আনা হলে দলের ভালো হবে না। সাধারণ সম্পাদক পদে পরিবর্তন আনার কথা শোনা যাচ্ছে। দলের ভালোর জন্য হলে পরিবর্তন অবশ্যই কাঙ্ক্ষিত।

মো. মহসিন সরকার

নয়নপুর, কসবা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।


মন্তব্য