kalerkantho


নবদিগন্তের সূচনা

১৫ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের দুই দিনের সফরকে ঘিরে দেশের সব মহলে ব্যাপক আশার সঞ্চার হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর দেশটির রাষ্ট্রপ্রধানের ৩০ বছরের মধ্যে প্রথম বাংলাদেশ সফর বলেই নয়, এ সফরকে ঘিরে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার ক্ষেত্রে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে—এমন আশাবাদও কাজ করছে।

চীনের প্রেসিডেন্ট সফরে কী পরিমাণ আর্থিক সহযোগিতা বাংলাদেশ পাবে তা নিয়ে জল্পনাকল্পনা কয়েক দিন ধরেই আলোচনার তুঙ্গে। ‘চমকে দেওয়ার মতো’ কোনো ঘোষণা এ সফরে আসতে পারে বলেও শোনা যায়। চীন বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্য ও উন্নয়ন অংশীদার। বাংলাদেশের উচিত এই বাণিজ্য সম্প্রসারণে আরো কার্যকর ভূমিকা পালন করা। চীনে আমাদের রপ্তানি বাড়িয়ে এই বাণিজ্য সম্প্রসারণে এগিয়ে যেতে হবে। সে ক্ষেত্রে চীন, বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের সমন্বয়ে অর্থনৈতিক জোট ‘বিসিআইএম’-কে শক্তিশালী করতে হবে। দেশের বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে চীন। বেশ কয়েকটি সেতু নির্মিত হয়েছে তাদের অর্থায়নে। উন্নয়ন ও বাণিজ্য ছাড়াও অন্যান্য দ্বিপক্ষীয় ইস্যুতে চীন ও বাংলাদেশের সমঝোতা প্রয়োজন। অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আইসিটি কিংবা ইলেকট্রনিকসের মতো ক্ষেত্রগুলোতে দুই দেশের সম্পৃক্ততা ভবিষ্যতে আরো বিস্তৃত করার প্রচুর সুযোগ রয়েছে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, চীন খুব দ্রুতই বিশ্বের এক নম্বর অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হতে যাচ্ছে। তাই চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের অধিকতর সুসম্পর্ক বজায় রাখা উচিত। সফরে বেশ কয়েকটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হচ্ছে, যা বাংলাদেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

এস এম রওনক রহমান আনন্দ

এয়ারপোর্ট রোড, ঈশ্বরদী, পাবনা।


মন্তব্য