kalerkantho


পণ্য রপ্তানিতে নতুন খাত যুক্ত হোক

১৫ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



চরম দারিদ্র্যের মধ্যে আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম করতে হয়েছিল। দারিদ্র্য বিমোচনে এ দেশের মানুষ বরাবরই পরিশ্রম করে এসেছে।

দারিদ্র্যের হারও কমে এসেছে। এর উত্তরণে বাইরের সহযোগিতার বিকল্প নেই। চীনা প্রেসিডেন্ট এসেছেন, বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশে আসছেন। চীন বরাবরই বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী। যোগাযোগ ব্যবস্থায় তাদের সহযোগিতায় অনেক সেতু নির্মিত হয়েছে, নির্মাণাধীন সেতুর সংখ্যাও কম নয়। তা ছাড়া চীন আমাদের যোগাযোগব্যবস্থায় আশির দশক থেকেই সহযোগিতা করে আসছে। এবার চীনা প্রেসিডেন্টের আগমন দুই দেশের সম্পর্কে নিঃসন্দেহে নতুন মাত্রা যোগ করবে। উন্নয়নের নতুন ধারণা অন্বেষণ করতেই হয়। শোনা যাচ্ছে, চীনা প্রেসিডেন্টের সফরের সময় ২৫টি চুক্তি হবে। তার মধ্যে আছে কর্ণফুলী নদীর নিচ দিয়ে টানেল নির্মাণ প্রকল্প। এই খাতে চীন সরকার সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেবে। ঢাকাবাসীর পানি সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে পদ্মা নদীর পানি শোধন করে রাজধানীতে আনার লক্ষ্যে একটি প্রকল্পে সহযোগিতারও হাত বাড়াবে চীন। এ দেশের শিপিং খাতে তেলবাহী ছয়টি জাহাজ কেনার ব্যাপারেও ঋণচুক্তি হতে পারে। তা ছাড়া আনোয়ারা উপজেলায় অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলায় চীন সরকারের বিনিয়োগ থাকবে। এভাবে বাড়বে কর্মসংস্থানেরও সুযোগ। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও তাদের বর্ধিত সহযোগিতা প্রত্যাশা করা হচ্ছে। যোগাযোগ খাতে চীনা বিনিয়োগ বাড়লে দেশাবাসী উপকৃত হবে, আমাদের অর্থনীতিও আরো বেগবান হবে। তবে চীন থেকে আমরা ৯০০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করি, আর রপ্তানি করি মাত্র ৭২ কোটি ডলার মূল্যের পণ্য। এই ব্যবধান কমিয়ে আনার লক্ষ্যে আমাদের ধ্বংসপ্রাপ্ত চামড়াশিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করা যেতে পারে।

মিজানুর রহমান

বানাসুয়া, কুমিল্লা।


মন্তব্য