kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


উন্নয়নের স্বার্থে চীনের সঙ্গে সুসম্পর্ক প্রয়োজন

১৫ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



উন্নয়নের স্বার্থে চীনের সঙ্গে সুসম্পর্ক প্রয়োজন

বড় অর্থনীতির দেশ চীনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার হলে বাংলাদেশ অবশ্যই লাভবান হবে। যেসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হচ্ছে সেগুলোর সুষ্ঠু বাস্তবায়ন হতে হবে।

চীনের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্য বৈষম্য প্রকট। চীনে আমাদের পণ্য রপ্তানি কিভাবে বাড়ানো যায় দুই পক্ষ মিলে তা বের করতে পারে। স্বাগত শি চিনপিং। আমাদের অর্থনীতির স্বার্থেই চীনের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক থাকা প্রয়োজন। কালের কণ্ঠ’র পাঠকরা ফোন ও ই-মেইলে এমন অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

 

►  চীন বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম পরাশক্তি। চীন বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগীও। তাই চীনের প্রেসিডেন্টের বাংলাদেশ সফর অর্থনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। আশা করি সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

এম এইচ শাক্কুর আলম

জিঞ্জিরা, ঢাকা।

 

►  বর্তমান সরকার নিজেদের বৈধতার সার্টিফিকেট নেওয়ার জন্য নামিদামি বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের দাওয়াত দিয়ে আনছে। দেখা গেছে, বেশির ভাগ বিদেশি নীতিনির্ধারণীর সফরে আমাদের তেমন কোনো কল্যাণ হয়নি, যেমন ভারত। চীনের বিভিন্ন পণ্যে আমাদের বাজার ভরপুর। বর্তমানে চীনের প্রেসিডেন্ট বংলাদেশে আছেন। তাঁর সঙ্গে যাতে এমন চুক্তি হয়, বাংলাদেশি পণ্যে চীনের মার্কেট ভরে যাবে। চীনের সঙ্গে অবশ্যই আমাদের ভালো সম্পর্কের প্রয়োজন রয়েছে। তাই বলে নিজেদের স্বার্থ-সম্মান বিসর্জন দিয়ে নয়।

সাইফুল ইসলাম তানভীর

গুলশান, ঢাকা।

 

►  পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশের অবস্থান খুবই গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হওয়ায় সব দেশ আমাদের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ যেকোনো সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহী হবে—এটাই স্বাভাবিক। তবে স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং অন্যান্য সময়ে কোন দেশ বাংলাদেশের প্রতি কী ভূমিকা রেখেছে—এটি বিবেচনায় নিয়ে সতর্কতার সঙ্গে যেকোনো চুক্তি করা বাঞ্ছনীয়। চীন আমাদের প্রতিবেশী উন্নত দেশ। কারিগরি শিক্ষা, শিল্প স্থাপন, অবকাঠামো উন্নয়ন ও সমুদ্রসম্পদ বিষয়ে অভিজ্ঞ দেশ। তাই চীনের সঙ্গে যেকোনো চুক্তি, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরকে ইতিবাচক হিসেবে দেখি।

এইচ কে নাথ

পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম।

 

►  এই সফর আমাদের উন্নয়নের যাত্রাকে আরো ত্বরান্বিত করবে। সরকারের উন্নয়নের হাতকে আরো শক্তিশালী করবে। তবে চুক্তিগুলো যেন একতরফাভাবে চীনের স্বার্থ সংরক্ষণ না করে।

ফারুক আহমেদ

বাগমারা, রাজশাহী।

 

►  এই সফরের মধ্য দিয়ে আমরা চীনকে আরো কাছে পাব। তাদের সঙ্গে আমাদের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো সহজ ও আন্তরিক হবে।

শামীমা আলী

মিরাজনগর, কদমতলী, ঢাকা।

 

►  চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়ন করা গেলে ঢাকা-পেইচিং সম্পর্ক অন্য মাত্রা পাবে বলে মনে করি।

লিপি রহমান

ঈশ্বরদী, পাবনা।

 

►  আমাদের দাবিগুলো চীন যেন পূরণ করে।

মোহাম্মদ আলী

তালতলা বাজার, সিরাজদিখান, মুন্সীগঞ্জ।

 

►  চীন বাংলাদেশের উন্নয়নে বরাবরই অবদান রেখেছে।   চীনের সঙ্গে আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্য সুদৃঢ় হচ্ছে প্রতিনিয়ত। তাই চীনের প্রেসিডেন্টের সফর দেশের জন্য কল্যাণকর বার্তা নিয়ে এসেছে।

মেহেদী হাসান হিমেল

সরকারি হরগঙ্গা কলেজ, মুন্সীগঞ্জ।

 

►  আমাদের ভিশন-২১ বাস্তবায়ন করতে হলে চীনের মতো প্রযুক্তিনির্ভর দেশ পাশে থাকা অনেক ভালো বিষয়। তাদের সঙ্গে আমাদের প্রযুক্তি ও অন্যান্য ব্যবসার দ্বার এখন আরো প্রশস্ত হবে বলেই মনে করি।

মো. ইসমাইল হোসেন

ঢাকা।

 

►  রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থানের কারণে চীনকে এশিয়ার সুপার পাওয়ার বলা হয়। বাংলাদেশ তার আমদানির সবচেয়ে বড় অংশটি করে চীন থেকে। এ রকম একটি দেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরো ভালো হওয়া মানেই উন্নয়ন ত্বরান্বিত হওয়া।

তানজিদ হাসান

মাওনা, শ্রীপুর, গাজীপুর।

 

►  কেউ নিজের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে অন্যের স্বার্থ দেখে না। সুতরাং চীনের সঙ্গে দরকষাকষিতে কৌশলী ও পেশাদারিত্বের পরিচয় দিতে হবে।

আলমগীর ইমন

লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম।

 

►  এক অঞ্চল-এক পথ বাস্তবায়নে চীন বাংলাদেশকে পাশে পেতে চাইবে। এ ছাড়া চীন তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশের সাহায্য-সহযোগিতা চাইবে। এতে করে দুই দেশের সম্পর্ক আরো উন্নত হবে।

তকরিমুল মোস্তফা

ইয়াঙ্গুন, মিয়ানমার।

 

►  চীন খুব কাছের দেশ হলেও আমাদের বাণিজ্যের তেমন প্রসার হচ্ছে না। রপ্তানির ক্ষেত্রে আমরা অনেক পিছিয়ে আছি। খাদ্যসামগ্রী থেকে শুরু করে গার্মেন্ট শিল্প চীনে রপ্তানির বড় একটি সুযোগ তৈরি করা যেতে পারে। রপ্তানির ক্ষেত্রে সুযোগ সৃষ্টি করতে পারাটাই সবচেয়ে বড় সফলতা বলে আমি মনে করি।  

সাঈদ চৌধুরী

শ্রীপুর, গাজীপুর।

 

►  ১৯৮৬ সালের পর ২০১৬। ৩০ বছর পর আরো এক চীনা প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশে এলেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আস্থারও বহিঃপ্রকাশ এই সফর। এ ছাড়া চীনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার হওয়ায় বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে। বিশাল অঙ্কের অর্থ সহযোগে যেসব প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে সেগুলোর বাস্তবায়ন আমাদের অর্থনীতিকেও শক্তিশালী করবে।

আসাদুল্লাহ মুক্তা

মহেশপুর, উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ।

 

►  উন্নয়ন জোরদার হওয়া ছাড়াও দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হওয়ার ভূমিকা রাখবে চীনা প্রেসিডেন্টের এই সফর। চীনের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বহাল রাখতে হবে। তাদের মন জুগিয়ে চলতে হবে।

আনসার আলী মণ্ডল

কাশীনাথপুর, পাবনা।

 

►  শি চিনপিংয়ের এ সফরকালে ২৫টিরও বেশি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলে জানা গেছে। যার পরিমাণ হবে কয়েক বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের। শি চিনপিংয়ের এ সফরের আরেকটি অন্যতম বিষয় হচ্ছে চীনের ‘ওয়ান বেল্ট, ওয়ান রোড’ প্রকল্প। এ প্রকল্পের আওতায় ৬১টি রাষ্ট্রকে এক পতাকাতলে আনতে চাচ্ছে চীন। এর ফলে ভারত ও চীনের মধ্যে সম্প্রতি যে আস্থার সংকট দেখা দিয়েছে, তার নিরসন হবে বলে আশাবাদী বিভিন্ন মহল। এ সফরের ফলে সত্তর দশকের প্রথমার্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চীনের সঙ্গে যে সম্পর্কের সূচনা করেছিলেন, তা আবারও বিকশিত হবে। দুই দেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো জোরদার হবে। বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের স্থলপথ নির্মাণের বিষয়টিও কার্যকর হবে বলে আমরা আশাবাদী। আমদানি-রপ্তানিতে চীন আরো উদারহস্ত হবে বলে ধারণা করছি।

মাজহারুল ইসলাম লালন

নকলা, শেরপুর।

 

►  চীনা প্রেসিডেন্টের বাংলাদেশ সফর আমাদের গণতন্ত্রকেও জোরদার করবে। বিদ্যুৎ, জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে নতুন করে অর্থায়নের সম্ভাবনা আমাদের আশান্বিত করছে। চীন আমাদের উন্নয়নের অংশীদার। তাই সম্পর্ক যত জোরদার হবে, গতি পাবে উন্নয়ন। তাদের মানবসম্পদ প্রবল। আমাদেরও রয়েছে বিপুল মানবসম্পদ। এই সম্পদ কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে আমরা চীনের শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারি। আমরা এখন নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ। আমাদের বিরাট জনগোষ্ঠীর ভাগ্যের উন্নয়ন এখনো বাকি। তাই চীন সরকারের প্রতি অনুরোধ থাকবে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ভাগ্য বদলে ভূমিকা রাখুন। এ লক্ষ্যে পরিকল্পনা প্রণয়ন করুন। বাংলাদেশ এশিয়ার নতুন বাঘ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে, এমন সম্ভাবনার কথা আমরা অনেক দিন ধরেই শুনে আসছি। সম্ভাবনাকে বাস্তব রূপ দিতে চীনের মতো দেশের সহযোগিতা আমাদের লাগবেই।

কুমারেশ চন্দ্র

বাস শ্রমিক, ঝিনাইদহ টার্মিনাল।

 

► সফরকে ঘিরে তিন ধরনের সম্পর্কের উন্নয়ন হবে বলে মনে হচ্ছে—১. অর্থনৈতিক, ২. অবকাঠামো উন্নয়ন ও ৩. রাজনৈতিক। চীনের প্রেসিডেন্টের সফরে যে ঋণচুক্তি সম্পন্ন করার সম্ভাবনা রয়েছে, তাহলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা আরো সুদৃঢ় হবে। উন্নয়ন আরো ত্বরান্বিত হবে। চীন-বাংলাদেশের বাণিজ্য ভারসাম্যও কমে আসতে পারে। চীনা নেতার এই সফরের পর দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন আরো গতি পাবে, বিশেষ করে যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে। এ ছাড়া রাজনৈতিকভাবে আমরা অনেক দূরে সরে আছি। চীন বাংলাদেশের বন্ধু হলেও ইদানীংকালে বাংলাদেশের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে চীনের সঙ্গে একযোগ হয়ে কাজ করার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বিশেষ করে কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত-পাকিস্তানের দ্বন্দ্বের কারণে বাংলাদেশ ও চীনের অবস্থান বিপরীতমুখী অবস্থানে আছে। আশা করা যাচ্ছে, চীনা প্রেসিডেন্টের এ সফরকে ঘিরে সেই দ্বন্দ্বের অবসান ঘটবে।

হাবিবুল ইসলাম রুবেল

খিলগাঁও, ঢাকা।

 

►  কৌশলগত দিক দিয়ে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল ও বঙ্গোপসাগরে চীন তার উপস্থিতি বাড়াতে চাইছে। মূলত এ কারণেই এ সফর। তাই সব দিক বিবেচনা করে চুক্তি স্বাক্ষর করতে হবে।

রাকিবুল প্রিয়

রূপসা, সিরাজগঞ্জ।

 

►  চীনা প্রেসিডেন্টের বাংলাদেশ সফর দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক আরো দৃঢ় করবে। অন্যান্য দ্বিপক্ষীয় ইস্যুতেও সহযোগিতার এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।

নৌশিন নাওয়াল সুনম

বাবুপাড়া, ঈশ্বরদী, পাবনা।

 

►  চীনের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়বে, সম্পর্ক আরো জোরদার হবে এমনটাই প্রত্যাশা করছি।

মোহাম্মদ জামরুল ইসলাম

দক্ষিণগাঁও, সবুজবাগ, ঢাকা।

 

►  ফ্লাইওভার, সেতুসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে চীন আগে থেকেই সহযোগিতা করছে। রেললাইন, মেট্রো রেলসহ অন্যান্য খাতেও সহযোগিতা বাড়লে বাংলাদেশের লাভ হবে। তবে দেশের ক্ষতি হয় এমন কোনো চুক্তি আমরা প্রত্যাশা করি না।

নাদিম খান

ভাইজোরা, পিরোজপুর।

 

►  চীন সব সময় বাংলাদেশের পাশেই ছিল। চীনা প্রেসিডেন্টের এই সফর সম্পর্কে মাইলফলক হয়ে থাকবে।

মোহা. মোকাদ্দেস হুসাইন

গ্রামপাঙ্গাসি, চানপাড়া, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ।

 

►  বাংলাদেশে আমদানীকৃত পণ্যের বেশির ভাগই চীনের তৈরি। তাই চীনেরও উচিত বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য বৈষম্য হ্রাসে উদ্যোগ নেওয়া।

ফকির আব্দুল্লাহ আল ইসলাম

সদর উপজেলা, বাগেরহাট।

 

►  আমরা সৌভাগ্যবান, চীনের মতো বড় অর্থনীতির দেশ আমাদের পাশে রয়েছে। তাদের সহযোগিতায় পাল্টে যেতে পারে বাংলাদেশের অর্থনীতির চিত্র।

মোহাম্মদ রতন

আকুরটাকুরপাড়া, টাঙ্গাইল।

 

►  ২০৪০ সালের মধ্যে উন্নত জাতি হিসেবে আমাদের মাথা তুলে দাঁড়াতেই হবে। তাই বিশ্ববাসীর সহযোগিতার কোনো বিকল্প নেই।

রামগোপাল সাহা

তমালতলা কৃষি ও কারিগরি ডিগ্রি কলেজ, নাটোর।

 

►  চীনের প্রেসিডেন্টের সফর আমাদের জন্য অতি প্রত্যাশিতই ছিল। এর ধারাবাহিকতায় উন্নয়ন সুবিধা বাড়বে। যোগাযোগ অবকাঠামো আরো উন্নত হবে। ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙ্গা হবে।

শিবুপ্রসাদ মজুমদার

লেক সার্কাস, কলাবাগান, ঢাকা।

 

►  অভিনন্দন, লাল গোলাপ শুভেচ্ছা, শি চিনপিং। আপনার আগমন আমাদের সম্পর্ককে আরো ঘনীভূত করবে। চীনের সঙ্গে চুক্তি হচ্ছে, এগুলো বাস্তবায়িত হলে দেশের উন্নয়নের জোয়ার আরো বেগবান হবে। সারা বিশ্বে চীনের ব্যবসা। তারা অর্থনীতিতে অনেক অগ্রসর। তাদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার হওয়া মানেই অবকাঠামো উত্তরোত্তর জোরদার হওয়া। তারা আগে থেকেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে রেখেছে। এখন সেই সম্পর্ক আরো উষ্ণ হলো।

মোহাম্মদ আলী

বোরহানপুর, হাজারীবাগ রোড, ঢাকা।

 

►  দেশের উন্নয়নের স্বার্থেই চীনের সঙ্গে আমাদের গভীর সম্পর্কের প্রয়োজন রয়েছে। চীনের প্রেসিডেন্ট মহোদয়কে সুস্বাগতম জানাই।

মো. কোরবান আলী

বসুন্ধরা সিটি শপিং মল, ঢাকা।

 

►  ‘হুজুগে বাঙাল, হেকমতে চীন’। শি চিনপিংয়ের সফর উপলক্ষে আমরা তাঁর দেশের ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের দেশ গড়ার আত্মপ্রত্যয়ে উদ্দীপ্ত হতে পারি।

ভূঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী

চৌমুহনী, হাজীপুর, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী।

 

►  চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে সমুদ্রসম্পদসহ দুর্যোগ মোকাবিলা, জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র সংযোজিত হতে পারে। তবে আমাদের মনে রাখতে হবে, কেউ নিজের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে অন্যের স্বার্থ দেখে না।

আলমগীর ইমন

লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম।

 

►  সেদিন বেশি দূরে নয়, আমরাও উন্নত বিশ্বে পরিণত হব।

মোশাররফ হোসেন স্বাধীন

দক্ষিণ বাংলা বেতার শ্রোতা ক্লাব, খুলনা।

 

►  এই সফর দুই দেশের বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতে নতুন সম্ভাবনা যোগ করবে।

ওয়াসিম রহমান সানী

বাংলাদেশ কবি পরিষদ (বাকপ), ঢাকা।

►  চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্যের এখন আরো প্রসার ঘটবে। বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব চির অমর হোক।

জাহাঙ্গীর কবীর পলাশ

শ্রীধরপুর, বাড়ৈখালী, মুন্সীগঞ্জ।

 

►  এ সফর থেকে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বাংলাদেশ। দুনিয়ায় শ্রমবাজারে চীনের মতো আমরাও কম যাই না। চীনের অভিজ্ঞতা আমরা কাজে লাগাতে পারি।

ফখরুল ইসলাম

মাইজদী কোর্ট, নোয়াখালী।

 

►  দুই দেশের সম্পর্কে আরো একটি নতুন মাত্রা যোগ হলো। ২০৪০ সালের মধ্যে যাতে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে প্রবেশ করতে পারে, সে জন্য চীনের প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানাই।

সাবিনা সিদ্দিকী শিবা

ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ।

 

►  অর্থনীতিতে চীন বিশ্ববাজার দখল করে আছে। তাদের সঙ্গে সম্পর্ক এমনভাবে কাজে লাগাতে হবে যাতে আমরা উন্নত বিশ্বের কাতারে যেতে পারি।

মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মান্নান

বানসা, চাটখিল, নোয়াখালী।

 

►  চীনারা তাদের ভাষা ছাড়া অন্য ভাষা ব্যবহার করে না। এ কারণে আমাদের শ্রমিকদের তাদের সঙ্গে কাজ করতে সমস্যা দেখা দেয়। তাই আমাদের প্রকৌশলীসহ শ্রমিকদের চীনা ভাষা শেখানোর জন্য সহযোগিতা করতে হবে। আমাদের দেশের তৈরি অনেক কিছু, যেমন—চামড়া ও চামড়াজাত দ্রব্য চীনে রপ্তানি করা হয়। এই রপ্তানি যেন আরো বাড়ে।

রহিমা আক্তার মৌ

বানসা, চাটখিল, নোয়াখালী।

 

►  ভৌগোলিক দিক থেকে এত সুবিধাজনক অবস্থানে থেকেও আমরা প্রতিদিন দুর্বল ও পরনির্ভর হয়ে যাচ্ছি শুধু জাতীয় স্বার্থ উপেক্ষা করে ব্যক্তিস্বার্থকে বেশি প্রাধান্য দেওয়ার কারণে। এ  অঞ্চলে চীন ও ভারতের মধ্যে চলছে শ্রেষ্ঠত্বের অসম লড়াই। এ লড়াইয়ে বাংলাদেশ বলির পাঁঠা না হয়ে হতে পারে শ্রেষ্ঠত্বের নিয়ন্ত্রক। আমাদের চীনসহ অন্য শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গেও সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলতে হবে। আমাদের বঙ্গোপসাগর চীন ও ভারতের কাছে হীরার চেয়েও দামি। দাবা খেলায় রাজাকে চেক দিতে হলে যেমন চারদিক থেকে দিতে হয়, তেমনি ভূরাজনৈতিক খেলা পূর্ব, উত্তর ও পশ্চিম দিক থেকে ভারতকে ঘিরে রেখেছে চীন, বাকি শুধু দক্ষিণ দিক। তাই নিজের অস্তিত্বের স্বার্থে ভারত ও চীনের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষা করে চলতে হবে বাংলাদেশকে। বাংলাদেশ যদি চীনকে অবহেলা করে, তাহলে কৌশলগত জটিলতা দেখা দিতে পারে।

নেসার হোসেন

মোহাম্মদপুর, ঢাকা।

 

►  একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে মনে করি সব পুরনো বিষয়ই ভোলা যায় না। আমাদের মনে রাখতে হবে চীন এখনো পাকিস্তানের বন্ধু হিসেবেই আছে। ভৌগোলিক অবস্থানের দিক দিয়ে এশিয়া মহাদেশে বাংলাদেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। স্বাধীনতার ৪৫ বছর পর বাংলাদেশ এখন অর্থনৈতিকভাবে অনেক শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। বর্তমানে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি। আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় তিন বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে পদ্মা সেতুর কাজ এগিয়ে চলছে। এ রকম আরো বড় বড় প্রকল্প আমাদের নিজস্ব অর্থায়নেই করা সম্ভব। একসময় আমাদের বাজেট প্রণয়ন করা হতো বিদেশি সাহায্যের ওপর নির্ভর করে। বর্তমানে বিদেশি সাহায্য ছাড়াই বাংলাদেশ নিজের পায়ে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছে। বর্তমানে বিশ্বব্যাংকসহ অনেক বড় বড় দেশ বাংলাদেশকে একটি সম্ভাবনাময় দেশ হিসেবে উল্লেখ করছে। কাজেই চীন আমাদের সাহায্য করবে আর আমরা তা দুই হাত পেতে গ্রহণ করে পুলকিত হব, এমন মানসিকতা ত্যাগ করতে হবে।

বিপ্লব

ফরিদপুর।

►  শি চিনপিংয়ের এই সফর বাংলাদেশের জন্য নতুন দ্বার উন্মোচনের সুযোগ নিয়ে এসেছে।

মো. গিয়াস উদ্দিন

জজ কোর্ট, সুনামগঞ্জ।

 

►  আগামী দিনে বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক যেন আরো জোরদার হয়।

আবদুল মোতালেব

চাটখিল, নোয়াখালী।


মন্তব্য