kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


হয়রানির ভয়ে নির্বাক

৮ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



আমাদের দেশে ৮৫ শতাংশ নারী বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। আমি ব্যক্তিগতভাবে একটি এনজিওতে নারী শিক্ষা ও অধিকার নিয়ে কাজ করার সুবাদে অনেক বাস্তব ও অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা লাভ করেছি।

আসলে নারী নির্যাতনের দু-একটি বিশেষ ঘটনা মিডিয়ার আশীর্বাদে নজরে এলেও বেশির ভাগ ঘটনা রয়ে যায় অন্তরালে। এদের অনেকেই আইনের আশ্রয় নিতেও ভয় কিংবা লজ্জা পায়। নারী নির্যাতনের অসংখ্য কারণের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে নৈতিকতা ও সুশিক্ষার অভাব। অনেক মা-বাবাই তাদের সন্তানদের নৈতিক শিক্ষাদানের ব্যাপারে উদাসীন। অথচ পরিবার হচ্ছে নৈতিক শিক্ষার এক বিরাট পাঠশালা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও নারীরা আজ অনিরাপদ। সহপাঠী হতে শুরু করে শিক্ষক-কর্মচারী দ্বারাও তারা নির্যাতিত হয়।

এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। আমাদের ধর্মীয় শিক্ষা সংকোচন করে কিছু যৌনতা ঢুকিয়ে দিয়েছে শিক্ষাব্যবস্থায়। কেন এটি করতে হবে? নারী নির্যাতন বন্ধ করতে হলে ধর্মীয় শিক্ষার বিকল্প নেই। বিশেষ করে ইসলামে নারীর মর্যাদার বিষয়টি যে সুরক্ষিত, তা ছাত্রছাত্রীদের অবগত করতে হবে। নারী নির্যাতন বন্ধে যৌতুক প্রথা বন্ধেরও বিকল্প নেই। একইভাবে আমাদের দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিরাটভাবে দায়ী নারী নির্যাতনে। তাদের কারণে অনেকে বিচার চাইতেও ভয় পায়। উল্টা হয়রানি হওয়ার আতঙ্ক কাজ করে। সর্বোপরি নারী নির্যাতন বন্ধে আইনি কাঠামো জোরদার করার পাশাপাশি এর যথাযথ বাস্তবায়নও আবশ্যক।

মাজহারুল ইসলাম লালন

নকলা, শেরপুর।


মন্তব্য