kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


শক্তিশালী সার্ক চাই

১ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



সার্কের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কথা বলতে হলে অন্য কয়েকটি আঞ্চলিক সহায়তার সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে সার্ককে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) দূরে থাক, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সংগঠন আসিয়ানের কাছাকাছি দাঁড়াতে পারেনি সার্ক।

সাতটি দেশের সমন্বয়ে গঠিত সার্ক পরে আফগানিস্তান সংযুক্ত হয়ে আট জাতির সংস্থায় পরিণত হলো। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সার্কের আওতায় কমপক্ষে ২৫টি চুক্তি এবং শতাধিক ঘোষণা হলেও এসবের বেশির ভাগ বিষয়ই অবাস্তবায়িত অবস্থায় থেকে গেছে। যেমন—বাণিজ্য বাড়াতে সাপটা ও সাফটার মতো চুক্তি করা হলেও দক্ষিণ এশিয়ায় আন্তবাণিজ্য বেড়েছে মাত্র ৫.৮ শতাংশ। অথচ আসিয়ানের ক্ষেত্রে এই হার ২৫ শতাংশ এবং ইইউয়ের ক্ষেত্রে ৬০ শতাংশের বেশি। অনেক আগেই সার্ক ফুড ব্যাংক গঠনের প্রস্তাব পাস করা হয়েছিল; কিন্তু আজও তা অনুমোদন পায়নি। ২০০২ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়াকে দারিদ্র্যমুক্ত করার ঘোষণা থাকলেও তা থেকে গেছে অধরাই। এমনিতেই সার্কের দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতার চেয়ে বৈরিতার দিকটিই বেশি লক্ষণীয়। জাতীয় ও আঞ্চলিক সমস্যা মোকাবিলায় সার্কের শক্তিশালী ভূমিকা থাকার প্রয়োজন ছিল। পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রটি সন্ত্রাসী ও জঙ্গিবাদী রাষ্ট্রের তকমা ধারণ করে প্রতিবেশী দেশগুলোতে যেভাবে জঙ্গিবাদী তত্পরতা চালিয়ে যাচ্ছে, তাতে বৈরিতা বেড়েই যাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে বৈরিতা আরো বেড়ে যাবে। তাই পাকিস্তানের ব্যাপারে কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়াই যুক্তিযুক্ত মনে করছি।

সোলায়মান শিপন

সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, ঢাকা।


মন্তব্য