kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


গোড়ায় গলদ, সমাধান কী?

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



মোটর যান অধ্যাদেশ ১৯৮৪ অনুসারে বছরে একবার বিআরটিএতে ফিটনেস পরীক্ষা দিতে হয়। কিন্তু পরিদর্শক দল গাড়ি না দেখে ১০০ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ নিয়ে চোখ বুজে ফিটনেস সার্টিফিকেট দিচ্ছে।

রাজধানীতে পাঁচ হাজার বাস-মিনিবাস চলাচল করছে, যার ৮৮ শতাংশই ফিটনেসবিহীন। পুলিশ এগুলোর ব্যাপারে তৎপর থাকে না। কিন্তু নতুন কোনো বাস রাস্তায় নামালেই পুলিশ তার ওপর চড়াও হয়। উদ্দেশ্য স্রেফ চাঁদাবাজি। এই চাঁদাবাজি রাজনৈতিক নেতা, সন্ত্রাসী, পুলিশ—সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে করছে। আরিচা ঘাটের চাঁদাবাজির খবর মিডিয়ায় এসেছে। সরকারি দলের কিছু বিপথগামী নেতা ঢাকার ফিটনেসবিহীন গাড়িগুলো আরিচা, টাঙ্গাইল ও চট্টগ্রামের রাস্তায় নামিয়েছে। পরিবহন শ্রমিকরা পুলিশের কাছে অভিযোগ করে এর কোনো প্রতিকার পায়নি। অথচ এই গাড়িগুলোই এবার বেশি দুর্ঘটনায় পড়েছে। চাঁদাবাজির বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে বলেছিলেন। এবার ঈদযাত্রায় ২৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে—যার ৯৪ শতাংশ সড়ক দুর্ঘটনার কারণে। সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত যান—নসিমন, করিমন, ভটভটি, মাহেন্দ্র, এগুলো মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। পুলিশ দেখেও না দেখার ভান করেছে। অথচ গত বছর থেকেই মহাসড়কে এসব যান নিষিদ্ধ। সরকার যদি ফুটপাতগুলো দখলমুক্ত করতে পারে, তাহলে সড়কপথের যাত্রা কিছুটা নিরাপদ হবে। এ ছাড়া হাইওয়ে পুলিশের তৎপরতার মাধ্যমে ফিটনেসবিহীন গাড়ি জব্দ করতে হবে। এটা করা না হলে সড়কপথ অনিরাপদই থেকে যাবে।

মিজানুর রহমান

বানাসুয়া, কুমিল্লা।


মন্তব্য