kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বিশৃঙ্খলা নিরসনে সরকার কী করছে?

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



চামড়াশিল্প দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত। প্রতিবছর প্রায় ১০০ কোটি টাকারও বেশি চামড়া বিদেশে রপ্তানি করা হয়।

এ শিল্পের সঙ্গে দেশের প্রায় ছয় লাখ লোক জড়িত আছে। কিন্তু চামড়া ব্যবসার ব্যাপারে আমাদের সরকার খুবই উদাসীন। এ শিল্পের প্রতি সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ লক্ষ করা যায় না। এর ফলে কিছু প্রভাবশালী ব্যবসায়ী তাঁদের ইচ্ছামতো এ ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছেন। আন্তর্জাতিক বাজারে চামড়ার দাম কমে যাওয়ার অজুহাতে গত কয়েক বছরের চেয়ে কম দামে চামড়ার সংগ্রহমূল্য ঘোষণা করা হয়েছিল; যদিও চামড়া কেনার সময় নির্ধারিত মূল্যের অর্ধেক দামেও তাঁরা চামড়া কেনেননি। ফলে ক্ষুদ্র ও মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। কোরবানির সময় সারা দেশেই কিছু মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীকে দেখা যায়, যাঁরা সারা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে চামড়া সংগ্রহ করে ঢাকায় আড়তদারদের কাছে বিক্রি করে থাকেন। ব্যক্তিগতভাবে একটি বা দুটি চামড়া নিয়ে ঢাকার আড়তে এনে বিক্রি করা সম্ভব নয়। এ সুযোগেই বড় বড় ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে নিজেরাই চামড়ার সংগ্রহমূল্য নির্ধারণ করেন, যা খুবই কম। আবার কেনার সময়ও নানা অজুহাতে দাম আরো কম দিতে চান। এ ছাড়া ক্ষুদ্র বা মৌসুমি ব্যবসায়ীদের পক্ষে বিক্রি না করে চামড়া মজুদ রাখারও কোনো সুযোগ নেই। লবণ চামড়া ব্যবসার একটি অত্যন্ত অপরিহার্য উপাদান, অথচ এই লবণের দামও এ সময়ে প্রায় তিন-চার গুণ বৃদ্ধি পায়। এই চামড়াশিল্পের বিশৃঙ্খলা দূর করতে অনতিবিলম্বে সরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন। এ শিল্পের অসুবিধাগুলো দূর করতে ব্যবস্থা নিতে হবে।

বিপ্লব

ফরিদপুর।


মন্তব্য