kalerkantho


বেসরকারি উদ্যোগও দরকার

১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



কাউকে যদি একটি মাছ ধরে দেওয়া হয়, সে এক দিন খাবে। আর যদি মাছ শিকারের কৌশল শিখিয়ে দেওয়া হয়, তবে সে সারা জীবন খেতে পারবে। আমার দ্বিতীয়টিই কাম্য। দুস্থদের মধ্যে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রির উদ্যোগ প্রশংসাযোগ্য। দারিদ্র্য বিমোচনে তার প্রভাব পড়বেই—একটি মাছ ধরে দিলে ভোক্তার যতটুকু চাহিদা পূরণ হয় ততটুকু। তা-ও বা কম কী? যারা ক্রয়ক্ষমতার অসামর্থ্যে পেটপুরে খেতে পারত না, অন্তত তারা পেটপুরে খেতে পারবে। কাজ করার শক্তি বৃদ্ধি হবে। কিন্তু এ খাতে বরাদ্দের সবটুকুই দুস্থদের কাছে যাচ্ছে কি না তা-ও বিবেচ্য বিষয়। যোগ্য পাওনাদারদের হাতে যাওয়ার আগের হাতে বণ্টন হয়ে যায় কি না কর্তৃপক্ষ তার বিশেষ দৃষ্টি রাখবে বলে আশা করি। আমাদের মাথাপিছু আয় বাড়ছে; কিন্তু গরিবরা দারিদ্র্যসীমার নিচেই থেকে যায়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মতে, গ্রামাঞ্চলের ৪৭.১ শতাংশ লোক দারিদ্র্যসীমা এবং ২৪.৬ শতাংশ লোক চরম দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে।

অন্যদিকে শহরাঞ্চলের ৪৯.৭ শতাংশ দারিদ্র্যসীমা এবং ২৭.৩ শতাংশ চরম দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের কিংবা উন্নত দেশে রূপান্তরের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমাদের এ দারিদ্র্যসীমা জয় করতে হবে। এ কাজে গ্রামীণ ব্যাংক, ব্র্যাক, আশা, প্রশিকার মতো প্রতিষ্ঠানগুলোও দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করে যাচ্ছে। তাদেরও সাধুবাদ জানাই। এ কাজে আরো এনজিও প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসুক।

আলমগীর ইমন

লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম।


মন্তব্য